Connect with us

top1

তারেক রহমানের সফরে চাঙ্গা তৃণমূল, ভুলছে বিভেদ

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলের বিজয় ত্বরান্বিত করতে তৃণমূলে প্রচারে নেমেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন মা খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত শোককে শক্তিতে পরিণত করে সরাসরি নেমে পড়েছেন ভোটের মাঠে। সিলেটে জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর এখন পর্যন্ত ঢাকাসহ ১২টি জেলায় নির্বাচনী সমাবেশ করেছেন তিনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোট সামনে রেখে তারেক রহমানের এই নির্বাচনী সফরে একদিকে সংগঠনের তৃণমূল যেমন আরও চাঙ্গা হচ্ছে, তেমনি দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীদের ‘ম্রিয়মাণ’ করে ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট হবে। তপশিল অনুযায়ী, গত বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছে নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো। ওইদিন রাতে সিলেটে দুই সুফি সাধক হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পরদিন সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওইদিন সিলেটের পর আরও ছয় জেলা মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে সমাবেশ করে ঢাকায় ফেরেন তিনি।

এরপর গত শুক্রবার রাতে নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের আওতাধীন রাজধানীর ভাসানটেকের বিআরবি ময়দানে আয়োজিত জনসভায়ও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের পাশাপাশি বগুড়া-৬ (সদর) আসনেও ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন তারেক রহমান।

শুক্রবার ঢাকায় নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেওয়ার পর শনিবার রাতে চট্টগ্রামে যান বিএনপি চেয়ারম্যান। গতকাল রোববার চট্টগ্রামসহ চার জেলায় ছয়টি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন তিনি। এই সফরে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ হয় চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ডে। এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান ফেনী পাইলট স্কুল মাঠ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠ, সুয়াগাজীর ডিগবাজি খেলার মাঠ, দাউদকান্দি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ এবং নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন। দিনের কর্মসূচি শেষ করে গভীর রাতে গুলশানের বাসায় ফেরেন তিনি।

তারেক রহমানের প্রতিটি জনসভায় সংশ্লিষ্ট জেলার সব সংসদীয় আসনের ধানের শীষ ও বিএনপি জোটের সব প্রার্থীকে তার সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা যাচ্ছে, যাদের তিনি উপস্থিত জনতার সামনে একে একে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে জনগণের কল্যাণে বিএনপির পরিকল্পনা তথা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবেন, তা তুলে ধরছেন। আগামী নির্বাচনকে ‘দেশ গড়ার নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিটি জনসভায় ধানের শীষ এবং জোট প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারম্যান এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি বিভাগীয় শহরসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয় জনসভা করবেন। একদম সাদামাটা ভঙ্গিমায় প্রয়াত বাবা-মায়ের মতোই তিনি ছুটে যাচ্ছেন তৃণমূলে। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই নির্বাচনী মুভমেন্টের মধ্য দিয়ে সারা দেশে ধানের শীষ ও জোট প্রার্থীদের পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, যা নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিতে সহায়ক হবে। এ ছাড়া এর মধ্য দিয়ে দলের বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দমে গিয়ে ‘ম্রিয়মাণ’ হয়ে পড়ছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এসব নেতাকে ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে দেখছে বিএনপি। নির্বাচনে থাকা দলের এমন অন্তত ৭১ নেতাকে এরই মধ্যে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমানের তৃণমূলে এই সফরগুলো যে কোনো সময়ের বিবেচনায় অন্য যে কোনো সফরের চেয়ে ‘অত্যন্ত সফল কর্মসূচি’ বলে মনে করেন বিএনপি ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি কালবেলাকে বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। স্বাভাবিক কারণেই তার ব্যাপারে, বিশেষ করে তাকে দেখার জন্য দেশের মানুষ খুবই আগ্রহী। তার প্রতি মানুষের যে আগ্রহ এবং বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের যে মমত্ববোধ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা—সব মিলিয়ে তারেক রহমানের এই সফরগুলোর প্রতিটিতেই মানুষের সমাগম, আগ্রহ, সমর্থন সব দিক থেকেই উল্লেখযোগ্য, যা ভোটের আগে একটি ইতিবাচক রাজনীতিরই লক্ষণ।

তিনি দাবি করেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের এই সফরগুলোর মধ্য দিয়ে মোটাদাগে তিনটি কাজ হচ্ছে। এক. কোনো বিভেদ-দ্বন্দ্ব থাকলে তা কেটে গিয়ে বিএনপির তৃণমূল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হচ্ছে। দুই. দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির যেসব নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়ে গেছেন, তারা ‘ম্রিয়মাণ’ হয়ে পড়ছেন। তিন. সারা দেশে ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে।

নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমানের সফর তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপিকে আরও চাঙ্গা করার পাশাপাশি দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ‘আড়ালে ঠেলে দিচ্ছে’ বলে অভিমত রাজনীতি বিশ্লেষকদেরও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন পর লন্ডন থেকে দেশে এসেছেন। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলে তার এই সফর দরকার ছিল। বিএনপি চেয়ারম্যানের এই সফর তৃণমূলে সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করছে।

তিনি বলেন, এখন নির্বাচন না হলেও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য, তাদের উদ্দীপ্ত করার জন্য তারেক রহমানকে তৃণমূলে যেতে হতো। জনগণকে সরাসরি আকর্ষণ-আকৃষ্ট করতে তাদের সামনে হাজির হতে হয়, এ ক্ষেত্রে জনসভার বিকল্প নেই। নির্বাচন সামনে রেখে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে তিনি তার সম্মোহনী শক্তির বহিঃপ্রকাশের পাশাপাশি নিজেদের এজেন্ডা, আদর্শ মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। ফলে এই সফরের ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে দলের রাজনীতিতেও, যা বিএনপির জন্য নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে সহায়ক হবে।

তারেক রহমান এসব সফরের মধ্য দিয়ে প্রতীকের পাশাপাশি দলীয় এবং জোটের প্রার্থীকে পরিচিত করাচ্ছেন উল্লেখ করে মাহবুবুর রহমান বলেন, এর মধ্য দিয়ে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থীকে এক ধরনের ‘প্রান্তিক’ করছেন। কারণ, বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা যখন দলীয় প্ল্যাটফর্মে-ফোরামে হাজার হাজার মানুষের সামনে দলের এবং জোটের প্রার্থীকে নিজে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন, তখন দল এবং স্থানীয় নেতাকর্মী ও মানুষের কাছে বিদ্রোহী প্রার্থীদের আর তেমন কোনো অবস্থান থাকছে না। এর মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে এই বার্তা যাচ্ছে যে, বিএনপি চেয়ারম্যান তাকে ‘ওন’ করছেন না। এভাবে ওই লোকটা ‘নিঃসঙ্গ’ হয়ে যাচ্ছেন, প্রান্তিক হয়ে পড়ছেন। দল থেকে বহিষ্কার করার চেয়েও এটা আরও বড় ফল বয়ে আনছে।

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, তারেক রহমানের অনুপস্থিতিজনিত কারণে বিএনপি যে অবস্থায় ছিল, তিনি দেশে আসার কারণে সেই বিএনপির মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্য বাড়ছে, নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ-উদ্দীপনা-উৎসাহ তৈরি হচ্ছে, বিভেদ ভুলে তারা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তাই বলতে হবে, তারেক রহমান দেশে না থাকলে নির্বাচনে যে ফল হতো, এখন তার সরাসরি নেতৃত্বের সম্মোহনী শক্তির ফলে চাঙ্গা তৃণমূলের কারণে দল আরও ভালো ফলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Published

on

By

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে মুখে গামছা বেঁধে বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নে ওই শিশু একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে আফরোজ মিয়া ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তারা শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্তদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে গতকাল তারা শিশুটিকে হাসপাতালে নিতে পারেননি। তারা এই অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আলাপ করেছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top1

কারখানায় ছুটি শুরু, যানবাহনে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

Published

on

By

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরের পর থেকেই শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিতে দেখা গেছে। এতে সাভারের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১ সূত্র জানায়, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় তৈরি পোশাক শিল্পসহ (আরএমজি) অন্যান্য নন-আরএমজি মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭০৫টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার প্রায় ৩১ শতাংশ কারখানায় ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ধাপে ধাপে আরও কারখানা বন্ধ হলে যাত্রীচাপ বাড়তে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

সোমবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি না হলেও কয়েকটি পয়েন্টে যানবাহনকে ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নবীনগর, বাইপাইল ও বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে ঘরমুখো যাত্রীদের অভিযোগ, অনেক পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। আবার অগ্রিম টিকিট কেটেও নির্ধারিত সময়ে বাস না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবার নিয়ে যাত্রা করা সাধারণ মানুষ।

পটুয়াখালীগামী রেশমা বলেন, টিকিট কেটে বসে আছি, কখন বাস আসবে জানি না। টিকিটের দামও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি নিয়েছে।

রাজবাড়ীর যাত্রী মুরাদ বলেন, ভাড়া ডবল নিয়েছে। তদারকি বাড়ানো উচিৎ।

গার্মেন্টস কর্মী সুমি বলেন, আমরা গরিব মানুষ। প্রতি ঈদে একবার বাড়ি যাই। সবসময়ই ডবল ভাড়া দিতে হয়। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া বন্ধ করা উচিৎ।

কলেজশিক্ষার্থী চৈত্র বলেন, আমি পাংশায় যাচ্ছি। ভাড়া ৫০০ টাকা হলেও দিতে হলো আটশ। এমন নৈরাজ্য বন্ধে প্রশাসনের ব্যাবস্থা নেওয়া উচিৎ।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান মিয়া বলেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকায় কিছুটা ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বাইপাইল এলাকাতেও একই পরিস্থিতি রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

Continue Reading

top1

হাম ও উপসর্গে দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর মৃত্যু

Published

on

By

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৪ জনের দেহে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট বিভাগে ৩ জন ছাড়াও রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ২ জন করে মোট ৬ জনসহ ময়মনসিংহ বিভাগে হামের উপসর্গে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিভাগে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার (২৪ মে) পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৫৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ১২৭ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ৬৪ হাজার ৯৪০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৮ হাজার ৭১৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৫১ হাজার ৫৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৭ হাজার ৬১৯ জন ছাড়পত্র

Continue Reading

Trending