Connect with us

top1

তীব্র খাদ্য সংকটের মুখে গাজা, থামেনি ইসরায়েলি হামলা

Published

on

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রায় ৬ মাস আগে যুদ্ধবিরতি হলেও গাজার পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং জ্বালানি, নগদ অর্থ ও খাদ্যদ্রব্যের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও বাস্তবে এর কোনো প্রভাব নেই। ইরান ও লেবাননে হামলার পাশাপাশি গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

গাজার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েল এখনো গাজায় আটা, খাদ্য ও জ্বালানি প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। যার ফলে বন্ধ হয়ে গেছে গাজার অধিকাংশ রুটির বেকারি। খুব অল্পসংখ্যক বেকারি খোলা থাকলেও নগদ অর্থের অভাবে গাজার বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

একাধিক মানবিক সহায়তা সংস্থা গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কিছু সংস্থার মতে, জরুরি খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে গাজার দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এদিকে, প্রায় ছয় সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ খুলে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সেখানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল।

হঠাৎ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করল সৌদি আরব, নেপথ্যে কী?

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, ভোরে মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি সেখানে জড়ো হন। পরে শত শত মুসল্লি একসঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করেন।

ইসরায়েলি পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইবাদতকারী ও দর্শনার্থীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেরুজালেমের পুরোনো শহর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখলের পর এ ধরনের দীর্ঘ সময় মসজিদটি বন্ধ থাকার ঘটনা এটিই প্রথম। এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতারা

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস স্থাপন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ প্রদান কিংবা নবায়নের ক্ষেত্রে জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২৮ জুলাই প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে আগামী ১ আগস্ট থেকে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন নিবন্ধন বা ফিটনেস সনদ পেতে হলে যানবাহনে নির্ধারিত মানের জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত থাকতে হবে। পাশাপাশি ডিভাইসটি সচল রয়েছে—এমন প্রমাণও বিআরটিএকে দেখাতে হবে। এজন্য জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মান ও স্পেসিফিকেশন সংস্থাটির ওয়েবসাইট এবং স্থানীয় কার্যালয় থেকে জানা যাবে। নির্ধারিত মান অনুযায়ী ডিভাইস স্থাপনের পরই নিবন্ধন ও ফিটনেস-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ দেওয়া বা নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

সরকারের মতে, জিপিএস বাধ্যতামূলক করার ফলে গণপরিবহনের অবস্থান, গতি ও নির্ধারিত রুট প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাসের রেষারেষি, অনিয়ন্ত্রিত লেন পরিবর্তন এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার মতো অনিয়ম কমানো সহজ হবে।

তবে পরিবহন মালিকদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রথম দিন থেকেই দেশের সব গণপরিবহনে শতভাগ জিপিএস ব্যবস্থা কার্যকর করা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

অন্যদিকে, পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিপিএস সংযোজন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। এর পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক নিশ্চিত করা, কার্যকর তদারকি, জবাবদিহি এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

Published

on

By

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের (ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি ভারতের প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পেশ করা একটি সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যটি প্রকাশ পায়। 

‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক’ শীর্ষক কমিটির নবম প্রতিবেদনে উল্লেখিত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলোর ওপর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্বলিত এই প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভারতের সংসদে পেশ করা হয়।

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্ন করে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো এই প্রত্যর্পণ আবেদনটি নোট করার কথা জানিয়েছে কমিটি। একই সঙ্গে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি সম্পর্কে সংসদকে অবহিত রাখার জন্য কেন্দ্রের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তারা।

সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে যে, দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থানের বিষয়টি ভারতীয় ‘সভ্যতার চেতনা ও অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি বা চরম কষ্টে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়ার মানবিক ঐতিহ্য’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ভারতীর ভূখণ্ড থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বা সুযোগ দেওয়া হয়নি।

কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ভূখণ্ডকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না দেওয়ার নীতিতে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে দেশটি। কমিটি সুপারিশ করেছে যে, এই ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতিগুলো আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সংগতি রেখে যথাযথভাবে সামলানোর সময় সরকার যেন তার এই ‘নীতিভিত্তিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ বজায় রাখে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Continue Reading

top1

দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির

Published

on

By

দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ কোন দলের একার অর্জন নয়, এটা ১৮ কোটি মানুষের অর্জন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকার যুবকদের চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোড়ে মোড়ে চাঁদাবাজ তৈরি করছে।

Continue Reading

Trending