Connect with us

ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ট্রেজারার হিসেবে অধ্যাপক ইমদাদুল হুদার যোগদান

Published

on

জাককানইবি প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে যোগদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদানপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ট্রেজারার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাওয়া প্রথম ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে অভিনন্দন জানান। পরে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাস্কর্য, ‘চির উন্নত মম শির’ এবং পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০০৬ সালের ২৫ মে উদ্বোধন করা ফলকের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেন, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তাঁর নিয়োগের মেয়াদ চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মোড়ভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ থেকে ‘কালচার সেনসিটিভ মেটেরিয়ালস ডিজাইন ফর ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৯৩ সালের ২৭ নভেম্বর সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে তাঁর শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০০৭ সালের ২৪ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক, ২০১২ সালে অধ্যাপক এবং ২০২১ সালে অধ্যাপক গ্রেড-১ হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে কলা অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থ কমিটির সদস্য, বিভাগীয় প্রধান, পরিবহণ প্রশাসক, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, সহকারী প্রক্টরসহ বিভিন্ন দায়িত্ব রয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উপাচার্য ও ট্রেজারার পদ শূন্য থাকাকালে তিনি প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সক্রিয় সদস্য এবং কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

গবেষণাক্ষেত্রেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে তাঁর ২০টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর তত্ত্বাবধানে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে দুইজন পিএইচডি ও দুইজন এমফিল গবেষণা করছেন। এছাড়া তাঁর তত্ত্বাবধানে ২০টির বেশি এমএ থিসিস সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন জার্নালে সম্পাদক, প্রধান সম্পাদক ও সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তাঁর লেখা বিভিন্ন গণমাধ্যম, ম্যাগাজিন ও পুস্তকে প্রকাশিত হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে অর্থায়নের অভিযোগ, রতনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি ববি ছাত্রদলের

Published

on

By


‎ববি প্রতিনিধি


‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ দাবিতে বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুলের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কবিরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিও জানানো হয়।


‎গত ১ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রদল সমর্থন প্রকাশ করে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বহিরাগতসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নানা উসকানিমূলক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


‎সরকারি দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে না দেওয়ার জন্য প্রভাব ও অর্থ প্রদর্শন করেছেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এপি-ডিসি বা অন্য কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে ভয় দেখানোর অভিযোগ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে  শিক্ষার্থীদের তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।


‎অভিযোগে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. রতন, ইস্নপেক্টর অব ট্যকস।সুমন কুমার বর্মন  অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কল রেকর্ড, ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাকস।এবং কবির, পটুয়াখালী কর কর্মকর্তা।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।


‎ববি ছাত্রদল দাবি করেছেন, মো. রতনকে কর বিভাগ, বরিশাল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ সহায়তা ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হোক। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কোনো সরকারি কর্মকর্তা অর্থ, আশ্রয়, প্রশাসনিক সহযোগিতা বা অন্য কোনো সহায়তা দিয়েছেন কি না, তা তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।


‎বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুল বলেন, আমি স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। অভিযোগগুলো যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে সেতু-নোমান-হাম্মাদ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটির ২০২৬-২৭ সেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মিস সেতু খানম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ আল নোমানকে মনোনীত করা হয়েছে। একইসাথে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মো. হাম্মাদ তালুকদার। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগঠনটির মডারেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম ও বিভাগটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুন্সি মুর্তজা আলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন— সহ সভাপতি মরিয়ম খাতুন ও সিফাত আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকলিমা আক্তার পুঁথি, ইজাজ আহমেদ ও ওয়াসেদ আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফ মাহমুদ ও তানহা আবিনা, অর্থ সম্পাদক তুষার আহমেদ, সহ-অর্থ সম্পাদক তাহমিদ তারিক, দপ্তর সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম, প্রেস ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর রমজান, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাইফুজ্জামান শান্ত, সংস্কৃতি সম্পাদক আলিফ নূর, গবেষণা সম্পাদক রিয়াদ আফরোজ এবং লজিস্টিক সম্পাদক রিতু মনি।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সানজিনা ইয়াসমিন, তাসমিন তিসা, মারজিয়া মিম, জাবিদ হাসান, সুদক্ষিণা সকাল, তাসনিম তাপ্তি, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, সুমাইয়া মেধা, মাহিন সোহানা এবং মারিয়া মনিকে মনোনীত করা হয়েছে।

নব মনোনীত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, এই দায়িত্বকে আমি ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে একটি দায়িত্ব ও আস্থার বিষয় হিসেবেই দেখছি। সংগঠনের সকল সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে বিতর্কচর্চা, যুক্তিবোধ ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আশা করি, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংগঠনটি আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে।

সভাপতি মিস সেতু খানম বলেন, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ ভরসা করে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সততা এবং নিষ্ঠার সাথে তা পালন করার চেষ্টা করব। সংগঠনের প্রতিটা এক্সেকিউটিভ মেম্বারকে অনুরোধ জানাব, সবাই যেন এক্টিভলি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেন। ইনশাআল্লাহ আমরা একসাথে ভালো কিছু করব।

Continue Reading

top3

‘দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ ; কুবি শিক্ষক

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

“সন্তান মানুষের ভবিষ্যৎ। আর যদি সেই ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে মানুষ বাঁচবে কী করে? আমাদের দাবি শুধু অপ্রতিমের জন্য নয়, দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে হবে।” কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশ নিয়ে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন বলেন, “অপ্রতিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নয়, এটি সারা দেশের মানুষের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে আইনশৃঙ্খলার সংকট রয়েছে, সেখানে প্রশাসনকে সবার আগে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা ভাগ্যবান যে অপ্রতিমের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দেশে এমন অনেক অপ্রতিম রয়েছে, যাদের জন্য কথা বলার কেউ নেই। তারা কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে।”

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “অনেক সময় আমাদের মনে হয় এই দেশ যেন আমাদের নয়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে, তাহলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জেলে, মজুর সবাই মিলে একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে পারব।”

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা অপ্রততিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Continue Reading

Trending