Connect with us

top2

নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ-রুপা

Published

on

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) থেকে এ দাম কার্যকর হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা।

এদিকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

আমরা কারো সন্তানকে চাঁদাবাজি করতে দেব না: জামায়াত আমির

Published

on

By

দেশে এখন ‘চাঁদাবাজি’ নামক এক নিকৃষ্ট পেশার জন্ম হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কারো সন্তানকে চাঁদাবাজি করতে দেব না। যারা এই পথে আছেন, তারা ফিরে আসুন, নয়তো বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। চাঁদাবাজদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ‘কমপ্লিট লাল কার্ড’।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ নির্বাচনী আসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

যুবসমাজের উদ্দেশে আমির জামায়াত বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে ‘বেকার ভাতা’ তুলে দিয়ে তাদের অলস বানাতে চাই না। আমরা তাদের হাতকে দক্ষ কারিগরের হাতে রূপান্তর করতে চাই, যাতে তারা দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে। সাধারণ শিক্ষা, আলিয়া বা কওমি—সব মাধ্যমেই কর্মমুখী ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

নারীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত আমাদের জীবনের চেয়েও মূল্যবান। কর্মক্ষেত্র ও যাতায়াতে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে (পিক আওয়ারে) বড় শহরগুলোতে শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য বিশেষ ‘ইভিনিং বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে এবং সরকারি বাসের নিচতলা তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।’

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি অ্যাপস চালু করছি। একটির মাধ্যমে চাঁদাবাজদের গোপনে চিহ্নিত করা যাবে এবং অন্যটির মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নির্বাচিত হলে প্রতি ৬ মাসে একবার জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং সম্পদের হিসাব দিতে হবে।

ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের জলাবদ্ধতা এবং নদী দূষণ নিয়ে তিনি এক অভিনব হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা দেশ পরিচালনার সুযোগ পাই, তবে ওই এলাকার এমপি, মেয়র ও কাউন্সিলরদের বছরে চারবার এই দূষিত নদীর পানিতে গোসল করানো হবে। যখন তারা নিজেরা ওই পানিতে নামবেন, তখনই নদী পরিষ্কার রাখতে তারা বাধ্য হবেন।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের গণহত্যাকারীদের ক্ষমা নেই। জুলাইয়ের চেতনা এখনো জাগ্রত। কেউ যদি বাঁকা পথে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে ছাত্র-জনতা তা রুখে দেবে।’ তিনি প্রশাসনকে কোনো দলের পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশাল এই জনসভায় ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ তারিখ ‘ইনসাফ ও আজাদির’ পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

Continue Reading

top2

বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

Published

on

By

লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম) আসনে প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাসাইটাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন র‍্যাব ও বিজিবি সদস্যরা।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। উভয়পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এসময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top2

ঢাকা মহানগরীর নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকারের ‘ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম’

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীর ১৩টি সংসদীয় আসনে ‘ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম’ গঠন করেছে সরকার। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকা ১৭৭ (ঢাকা-৪) হতে ঢাকা-১২ (১৮৫), ঢাকা-১৪ (১৮৭) এবং ঢাকা-১৬ (১৮৯) হতে ঢাকা-১৮ (১৯১) আসনসহ মোট ১৩টি আসনের আওতাধীন এলাকায় এই টিম কাজ করবে।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীকে এই কমিটির আহ্বায়ক এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজমুল হক, পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. আব্দুর রহিম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও এপিএমবি) সালমা খাতুন, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) এস. এম নজরুল ইসলাম।

কমিটিতে আরও আছেন— ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (অপারেশনস) মো. সিদ্দিকুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জ আনসার ও ভিডিপির পরিচালক মোহা. ইয়াছিন আরাফাত, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) ও মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান, মাধ্যমিক শিক্ষা ঢাকা অঞ্চলের উপপরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

আদেশে টিমের সাতটি কার্যপরিধি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে—

১. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কিনা, বা ভঙ্গ হচ্ছে কিনা বা ভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এই টিম।

২. নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী ব্যয় বাবদ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ব্যয় করেছে কিনা অথবা অন্যান্য বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করছে কিনা তা সরেজমিনে পরিদর্শন করবে।

৩. আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের কোনো বিষয় নজরে আসা মাত্রই বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ অথবা নির্বাচনী তদন্ত কমিটি (ইলেক্ট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি/এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট/জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)-কে জানাতে হবে।

৪. নির্বাচনী বিধি-নিষেধ ভঙ্গের ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে ফৌজদারি আদালতেও অভিযোগ দায়ের করা যাবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে উদ্ভূত সমস্যাবলি তাৎক্ষণিকভাবে নিরসনের পরামর্শ প্রদান করবে এই টিম।

৫. প্রার্থী বা তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট বা তাঁদের পক্ষে অন্য কেউ আচরণ বিধিমালার কোনো বিধি ভঙ্গ করলে বা ভঙ্গ করার চেষ্টা করলে বা বিধিমালার কোনো বিধি বিশেষ করে নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত বিধি-বিধান (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪ক) যথাযথভাবে প্রতিপালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট কমিটি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করবে।

৬. কমিটির সদস্যদের কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদন একীভূত করে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির ওপর প্রতিদিন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে এই কমিটি।

৭. রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক তাৎক্ষণিকভাবে বিধিমতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা বা টিম কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ব্যবস্থা নিতে পারবে টিম।

Continue Reading

Trending