Connect with us

top3

নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে বিদেশি কূটনীতিকদের তৎপরতা

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে বিদেশি কূটনীতিকদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সরকার, প্রধান উপদেষ্টা ও দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক করছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।

চলতি সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টা এবং শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। একই সঙ্গে প্রভাবশালী বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন।

বাংলাদেশে নির্বাচন এলেই বিদেশি কূটনীতিকদের দৌড়ঝাঁপ ও রাজনৈতিক যোগাযোগ নতুন নয়। তবে এবারের নির্বাচনের আগে সেই তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরেই রাজধানীতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একই দিনে তিন দেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকরা সাক্ষাৎ করেন। ওই দিন বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

একই দিনে তারেক রহমানের সঙ্গে আলাদাভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভারস আইজাবস, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন ও মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি।

এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই দিনে জার্মান রাষ্ট্রদূত ও অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারও বিএনপিপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তার আগের দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এর এক দিন আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন একাধিক কূটনীতিক। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবস ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও বৈঠক করেন জামায়াত আমির।

এনসিপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও কূটনীতিকদের বৈঠক অব্যাহত রয়েছে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয় এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলের অন্য নেতাদের। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এনসিপির নেতারা।

এ ছাড়া রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষকের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বৈঠক করে।

নির্বাচনের স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই এসব কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশি হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া

Published

on

By

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৬তম ‘কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায়’ প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। একই প্রতিযোগিতার ৩০ পারা হিফজ বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন আরেক বাংলাদেশি প্রতিনিধি হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফী।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে হিফজ বিভাগে বিশ্বসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া।

পবিত্র কোরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসিরভিত্তিক এ আন্তর্জাতিক আয়োজনে এবার ১৩৩টি দেশের মোট ৩৩৪ জন হাফেজ অংশ নেন। আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিযোগিতার ৪৬ বছরের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চসংখ্যক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ ঘটেছে।

মুসলিম তরুণদের কোরআন মুখস্থ করা, এর গভীর মর্মার্থ অনুধাবন এবং কোরআন চর্চায় অনুপ্রাণিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে থাকা হাফেজদের সম্মান জানানো ও তাদের মেধার মূল্যায়নেও প্রতিযোগিতাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এবারের আসরে প্রথমবারের মতো নারী প্রতিযোগীদের জন্য পৃথক বিভাগের ব্যবস্থা করা হয়। নারী বিভাগের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয় মক্কার হিলটন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন হলে। অন্যদিকে পুরুষ বিভাগের সমাপনী ও মূল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র মসজিদুল হারামে।

পাঁচটি ভিন্ন বিভাগে অনুষ্ঠিত এবারের প্রতিযোগিতায় মোট পুরস্কারের মূল্য ছিল ১ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার সৌদি রিয়াল, যা প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

Continue Reading

top3

মায়ের দেওয়া কিডনিও বাঁচাতে পারল না বেরোবির শিক্ষার্থী জাহিদকে

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

চার বছর আগে মৃত্যুর দুয়ার থেকে সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে নিজের একটি কিডনি দিয়েছিলেন মা। সন্তানের বেঁচে থাকার আশায় নিজের শরীরের অঙ্গটুকুও দিতে দ্বিতীয়বার ভাবেননি তিনি। সেই কিডনি প্রতিস্থাপনের পর নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন ২৪ বছরের তরুণ জাহিদ হাসান। শুধু স্বপ্ন দেখেই থেমে থাকেননি, ঘুরে দাঁড়িয়ে শুরু করেছিলেন কর্মজীবনও। এনটিআরসিএর সুপারিশে একটি মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনিটিও বিকল হয়ে যাওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মারা গেছেন জাহিদ হাসান।

জাহিদের মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যে মা সন্তানকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিয়েছিলেন, সেই মায়ের চোখের সামনেই শেষ হয়ে গেল সন্তানের জীবন।

মৃত্যুর আগের দিন সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন জাহিদ। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘কাল সকাল ৭টায় উন্নত চিকিৎসা করতে ঢাকায় যাব। যদি ওই পর্যন্ত টিকে থাকি। আমি নিঃস্ব, কাঙাল। যা পারেন তাই দিয়ে হেল্প করেন। ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা চেয়ে নিলাম। আমি অন্তিম মুহূর্তে এখন। হতে পারে শেষ কথাই।’

জাহিদের একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আর পারতেছি না। মৃত্যু ও আসে না। সর্ব শরীর কি যে অসহ্য ব্যাথা বলতে পারছি না। ২৪ ঘন্টা এই ব্যথা নিয়ে মরছি। চিকিৎসা করতে পারছি না অভাবে।”

ওই পোস্টে তিনি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা কামনা করে আরও লিখেছিলেন, “আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও আমার চিকিৎসার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতে পারে।” পাশাপাশি পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের সহযোগিতার সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি।

জাহিদের এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদনও জানান তিনি। কিন্তু ঢাকায় গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার আগেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

জাহিদ হাসানের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঠেকরপাড়া গ্রামে। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেছিলেন।

২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি ঢাকার শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে জাহিদের শরীরে তার মা বুলি বেগমের একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা ও ছেলে দুজনেই শঙ্কামুক্ত ছিলেন বলে তখন পরিবার জানিয়েছিল।

এর আগে ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, জাহিদের দুটি কিডনিই কাজ করছে না। রংপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে সিকেডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিলে সন্তানকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মা বুলি বেগম।

তখন জাহিদের বড় বোন নূরনাহার বলেছিলেন, ‘ভেবেছিলাম ভাইকে বাঁচানো যাবে না। এখন আমি ভাইকে স্পর্শ করতে পারছি। ভাই চোখের সামনে সুস্থ জীবনের পথে হাঁটছে- এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।’

নিজের মায়ের দেওয়া কিডনি পেয়ে নতুন জীবন পাওয়ার অনুভূতিও জানিয়েছিলেন জাহিদ। বলেছিলেন, ‘ভালো আছি, নতুন করে জন্ম নিলাম পৃথিবীর বুকে। জগতজুড়ে একটাই মধুর নাম মা। কথাটি আজ বুঝতে পারছি।’

কিন্তু সেই নতুন জীবন দীর্ঘস্থায়ী হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনিও পরে বিকল হয়ে যায়। ধীরে ধীরে জাহিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো তাকে।

জাহিদের পরিবার আগে থেকেই নানা সংকটের মধ্য দিয়ে আসছিল। ২০০৪ সালে ব্লাড ক্যানসারে মারা যান তার ছোট বোন। একই বছর বাসচালক বাবাকেও হারান তিনি। এরপর অভাব-অনটনের মধ্যেই বড় হয়েছেন জাহিদ ও তার ভাই-বোনেরা।

জাহিদকে বাঁচাতে চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারের ৩০ শতাংশ জমিসহ পৈতৃক ভিটাও বিক্রি করতে হয়েছিল। সবকিছু হারিয়েও তখন পরিবারের একটাই আশা ছিল, জাহিদ বেঁচে থাকবেন।

কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। মায়ের দেওয়া কিডনি নিয়ে যে সন্তান নতুন করে জীবন শুরু করেছিলেন, চার বছর পর সেই জাহিদই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

স্থানীয় জুলফিকার আলী জনি বলেন, ‘জাহিদ খুব ভালো ছেলে ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর তার মা নিজের কিডনি দিয়ে ছেলেকে বাঁচিয়েছিলেন। পরে সে সুস্থ হয়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছিল। তার এমন মৃত্যু আমরা কেউ মেনে নিতে পারছি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাতাব প্রধান মারিফ বলেন, ‘জাহিদকে আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখেছি। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। মায়ের কিডনি পেয়ে যখন সুস্থ হয়ে শিক্ষকতার চাকরি করছিল, তখন আমরা সবাই খুশি হয়েছিলাম। আবার অসুস্থ হয়ে এত অল্প সময়ে সে মারা যাবে, এটা কখনো ভাবিনি।’

Continue Reading

top3

ইবিতে নারী শিক্ষার্থী বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নারী শিক্ষার্থী বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঘটনাস্থলে বাস চালকের গাফলতি বা অন্য কোনো ত্রুটি ছিল কিনা যাচাই পূর্বক দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গঠিত তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-রেজিস্ট্রার মো. জামির হোসেন, সদস্য হিসেবে লিটন চৌধুরী ও সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বে আছেন উপ-পরিচালক মো. আঞ্জুরুল হক।

এর আগে গতকাল (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার নিশান মোড় থেকে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে আসা নারী শিক্ষার্থী বহনকারী ‘সুহাইল’ নামের বাসটি বটতৈল এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের সূত্রে, বাসটি বটতৈল এলাকায় পৌঁছানোর পর সামনে থাকা একটি গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন চালক। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। এতে বাস চালককে দুষছেন শিক্ষার্থীরা।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. জামির হোসেন বলেন, “দুর্ঘটনার কেন হয়েছে, কিভাবে হয়েছে–এসব যাচাই করতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যদের নিয়ে আমি কাজ করব।”

তদন্ত কমিটি সম্বন্ধে জানতে চাইলে পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ বলেন, “ঘটনা অবগত হওয়ার পরপরই আমাদের টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়। কোনো ধরনের গাফলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখবে কমিটি।”

Continue Reading

Trending