Connect with us

জাতীয়

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ

Published

on

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং সম্পাদকদের পেশাগত স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল বা এনইসি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে এক বৈঠকে বিভিন্ন দৈনিকের সম্পাদকরা এই কাউন্সিল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমানকে আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, সংগ্রাম সম্পাদক আযম মীর শাহীদুল আহসান, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, মানব কণ্ঠ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, লোকসমাজ সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত, ডেইলি পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর ও জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর।

ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে সংবাদমাধ্যমের যে অবক্ষয় ঘটেছে, তার অবসানের লক্ষ্যে নতুন এই সংগঠন তৈরির প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সম্পাদকরা ঐকমত্য পোষণ করেন।

বৈঠকে সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের সম্পাদকদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আগস্টের শেষে তফসিল অক্টোবরে ভোটের চিন্তা

Published

on

By

চলতি জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা ও আচরণবিধি হালনাগাদ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর আগামী আগস্টের শেষের দিকে তফসিল দিয়ে অক্টোবরে প্রথম ধাপের নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনে গতকাল সোমবার ঈদ পুনর্মিলনীতে কমিশনের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।

ঈদের ছুটি শেষে গতকাল প্রথম কার্যদিবসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনী করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিব। সেখানে কর্মকর্তাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী সবাইকে কাজ করতে বলা হয়েছে। সরকার যখনই নির্বাচন আয়োজনে লিখিত নির্দেশনা দেবে, তখন যাতে ভোট করতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সভায় আমাদের বলা হয়েছে অক্টোবরে প্রথম ধাপের নির্বাচন হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য তফসিল দেওয়া হতে পারে আগস্টের শেষ দিকে।’

তবে কমিশনের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঈদ পুনর্মিলনী সভায় ভোটের সম্ভাব্য তারিখের কথা বলা হয়েছে। আমার মনে হয়, সেটি আরও মাসখানেক পেছানোর সম্ভাবনাও আছে। কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর জন্য হয়তো অক্টোবরে ভোটের কথা বলা হয়েছে।’

নির্বাচনের তফসিল কখন হতে পারে—এমন প্রশ্নে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তফসিল কবে হবে, তা নির্ভর করবে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওপর, তারা কবে নাগাদ নির্বাচন চায়। কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি তো চলমান।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আপনি যা শুনেছেন, তা কাছাকাছি (আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোট)। আজকে (সোমবার) এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো আলাপ হয়নি। যদি অক্টোবরে নির্বাচন করতে হয়, তার জন্য দেড় মাস আগে তফসিল দিতে হবে। সরকারের নির্দেশনা পেলে আমরা সেটা করতে পারব।’

ঈদ পুনর্মিলনীর আলোচনার একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রসঙ্গ তোলেন। এ বিষয়ে দু-এক কর্মকর্তা তাঁদের প্রস্তাব তুলে ধরেন। পরে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘জুন-জুলাই মাসের মধ্যে নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে হবে। আগামী আগস্ট মাস থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করব। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে যাতে ভোট গ্রহণ করা যায়, সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

জাতীয় সংসদের চেয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে মানের হয়েছে, ওই মানের চেয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও ভালো করতে হবে। কোনোভাবে ওই মানের নিচে নামা যাবে না।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শুরুতে ইউপি ও পৌরসভার নির্বাচন হবে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনই হবে কয়েক ধাপে। এরপর সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং সর্বশেষ ধাপে উপজেলা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রায় সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় সব নির্বাচন শেষ করতে ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দেশব্যাপী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসি বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য পৃথক বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধন করছে। সংশোধিত স্থানীয় সরকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯, পৌরসভা আইন, ২০০৯, উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এবং সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯ সংশোধন করেছে, যা পরে সংসদে অনুমোদিত হয়।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা ও আচরণবিধি তৈরি করতে একাধিক বৈঠক করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়ে গতকালও বৈঠক করেন তাঁরা। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে বিধিমালা ও আচরণবিধির খসড়া করে মতামত নিতে ১৫ জুন ইসির ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হবে। তাতে সবাই মতামত দিতে পারবেন।

এ বিষয়ে কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ১৫ জুনের মধ্যে বিধিমালা ও আচরণবিধি তৈরি করে ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। তা আবার ১৫ দিন রাখতে হবে। সেখানে সবার মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, নতুন গঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশন ছাড়া ১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৫০টির বেশি উপজেলা পরিষদ, ৩০০টির বেশি পৌরসভা এবং ৬১টি জেলা পরিষদের আইনগত জটিলতা ছাড়াই এসব নির্বাচন করা সম্ভব। এ ছাড়া প্রায় ৬০০ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের আইনগত সময়সীমা এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে, ফলে আগামী অক্টোবরের মধ্যে এসব নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। আরও ২ হাজার ৮০০ বেশি ইউপি নির্বাচনের ১৮০ দিনের গণনা জুলাই থেকে শুরু হবে।

তথ্যসুত্র: আজকের পত্রিকা 

Continue Reading

top1

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির সেই ২ কর্মকর্তা এবার বরখাস্ত

Published

on

By

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের অবহেলায় দায়িত্ব থেকে সরানো রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের দুই কর্মকর্তাকে এবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অসদাচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

উপসচিব পদমর্যাদার ওই দুই কর্মকর্তা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মোস্তানজির।

বর্জ্য অপসারণের কাজে গাফিলতির অভিযোগে সরকারপ্রধানের নির্দেশে তাদের সেদিনই প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত করা হয়েছিল। ঈদের ছুটির পর প্রথমদিন সোমবার তাদের চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে সরকারি চাকরি আইন ও সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য ১ জুন থেকে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তারা বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহার পরদিন গত শুক্রবার কাউকে কিছু না জানিয়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই দিন বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তখন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।

এরপর তার নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।

Continue Reading

top2

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আদায়, সতর্ক করল এনবিআর

Published

on

By

আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১ জুন) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগের কার্যক্রম চলছে। এ সুযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিছু প্রতারক চক্র আয়কর বিভাগে চাকরি দেওয়ার নামে অভিনব কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

সরকারের নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শূন্য পদে জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় প্রতারক চক্র আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে অভিনব কৌশলে প্রতারণা–বাণিজ্য করার অপচেষ্টা করছে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অবহিত হয়েছে।

যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় চাকরি পাবেন, তাদের অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে মর্মে মিথ্যাচারের মাধ্যমে প্রতারিত করা এ চক্রের মূল উদ্দেশ্য। যেসব প্রার্থী নিজ অযোগ্যতার কারণে চাকরি পাবেন না, তাদের কারও কারও অর্থ প্রতারক চক্রটি ফেরত দিতে পারে, কিন্তু যারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিজ যোগ্যতায় চাকরি পাবেন, তাদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থ তারা হাতিয়ে নেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জনসচেতনার উদ্দেশ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই মর্মে সবাইকে আশ্বস্ত করছে যে আয়কর বিভাগের চলমান নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও আয়কর বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি কর্তৃক যোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন।

আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ সংগ্রহকারী কোনো দুষ্টচক্রের তথ্য পেলে তা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার অফিসকে অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা, টেলিফোন নম্বর ০২-২২২২১৭৭৭৭, ই–মেইল: pro@nbr.gov.bd অবহিত করতে এবং এরূপ প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending