Connect with us

খেলাধুলা

পাকিস্তানের বদলে বিশ্বকাপে উগান্ডাকে খেলানোর পথও খোলা রাখছে আইসিসি!

Published

on

পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে নাকি বর্জন করবে, এই অচলাবস্থার অবসান হয়েছে গত রোববার। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে পাকিস্তান, তবে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি খেলবেন না সালমান আলী আঘারা।

পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তের পর থেকে আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। আইসিসিও অবশ্য পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সতর্কবার্তাও দিয়েছে পিসিবিকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, পাকিস্তান নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে আইসিসি থেকে কড়া শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান। সেই শাস্তির একটি হতে পারে- পুরো বিশ্বকাপ থেকেই পাকিস্তানকে নিষিদ্ধ করা!

পাকিস্তানকে যদি নিষিদ্ধ করা হয়, তবে তাদের জায়গায় বিশ্বকাপে খেলবে কোন দল? যদি আইসিসি থেকে এমন কড়া সিদ্ধান্ত আসেই, সেক্ষেত্রে কপাল খুলতে পারে উগান্ডার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, র‍্যাঙ্কিং বিবেচনায় তখন বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে আফ্রিকার দেশটি।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের এই পর্বটার সূত্রপাত হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ ইস্যু থেকে। ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার অনড় অবস্থান নেয় বাংলাদেশ। পরবর্তীতে নানান ঘটনার পর বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেয় আইসিসি।

ওদিকে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কটের কথা ভাবতে থাকে পাকিস্তান। পরবর্তীতে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো বিশ্বকাপ নয়, শুধু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে হতে যাওয়া গ্রুপ পর্বের ম্যাচটা খেলবেন সালমান-বাবর আজমরা।

আইসিসি এরই মধ্যে পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত নিয়ে পুনরায় ভাবার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ এই ম্যাচটার সঙ্গে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জড়িত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্র জানিয়েছে, পিসিবি যদি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসি পাকিস্তানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।

পাকিস্তানের ওপর সম্ভাব্য শাস্তির তালিকায় আছে-

পুরোপুরি নিষিদ্ধ: ১৯৭০-রে দশকের সাউথ আফ্রিকার মতো সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেই পাকিস্তানকে নিষিদ্ধ করা।

এনওসি স্থগিত: বিদেশি ক্রিকেটারদের পিএসএস খেলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া। এতে পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি কার্যত অচল হয়ে পড়বে।

রাজস্ব বণ্টন স্থগিত: আইসিসি থেকে পাকিস্তানকে যে রাজস্ব দেওয়া হতো, সেটা বন্ধ করে দেওয়া। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে বছরে আনুমানিক ৩ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার রাজস্ব পায় পাকিস্তান। বাংলাদেশি অর্থমূল্যে যার পরিমাণ প্রায় ৪২৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

এর বাইরে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকেও পাকিস্তানকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে আইসিসি। আর যদি সেটা কার্যকর হয়, তাহলে পাকিস্তানের জায়গায় সুযোগ পাবে উগান্ডা। এর আগে বাংলাদেশকে যখন বাদ দেওয়া হলো, তখন র‍্যাঙ্কিং বিবেচনায় ১৪ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ড সুযোগ পেয়েছিল। এবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও একই পথে হাঁটতে পারে আইসিসি। সে হিসেবে ২০ দলের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর বাইরে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে উগান্ডা। তাই পাকিস্তান বাদ পড়লে র‍্যাঙ্কিংয়ে ২১ নাম্বারে থাকা উগান্ডাই সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

খেলাধুলা

বড় চমকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দল ঘোষণা

Published

on

By

বড় চমক দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টের সিরিজের দলে সুযোগ পেয়েছেন জাকের আলী। টেস্ট দলে তিনি ফিরলেন এক বছর পর, গত নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টি–টুয়েন্টি খেলার পর থেকে দূরে ছিলেন জাতীয় দল থেকেই।

টেস্ট দলে জাকেরের প্রত্যাবর্তন ঠিক তার ফর্মের জন্য নয়। চোটের কারণে ১৩ আগস্ট শুরু ডারউইনের প্রথম টেস্টে লিটন দাস খেলবেন না। মূলত তাঁর বিকল্প হিসেবেই জাকেরকে দলে নেওয়া বলে জানা গেছে বিসিবি সূত্রে। ২০২৪ সালের অক্টোবের অভিষেকের পর জাকের এখন পর্যন্ত ৬ টেস্টে ৩০.৬৩ গড়ে রান করেছেন ৩৩৭। নামের পাশে চারটি ফিফটি থাকলেও টেস্টে এখনো সেঞ্চুরির দেখা না পাওয়া জাকেরের সর্বোচ্চ ইনিংস ৯১ রানের। ২০২৪ এর নভেম্বরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিরিজেই তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল সেঞ্চুরির সুবাস পাওয়া সেই ইনিংস। দলে একদমই নতুন মুখ পেসার মুশফিক হাসান। পেসার নাহিদ রানা সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছেন আগেই।

টেস্ট দল

নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, অমিত হাসান, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ (সহ-অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন , মুশফিক হাসান

Continue Reading

top1

বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইন পিটিশন, স্বাক্ষর ৮১ হাজার ছাড়াল

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে আর্জেন্টিনায় শুরু হওয়া একটি অনলাইন পিটিশনে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে রেফারির কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে ম্যাচটি আবার আয়োজনের দাবি জানিয়ে করা ওই পিটিশনে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৮১ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

গত ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার। এরপর থেকেই ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে দেশটির সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চেঞ্জডটঅর্গে গিসেলা সানচেজ নামে এক ফুটবলভক্ত এ পিটিশন চালু করেন। এতে ফিফার কাছে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের পারফরম্যান্স এবং ভিএআরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

পিটিশনের উদ্যোক্তার অভিযোগ, ম্যাচে এমন কিছু রেফারিং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা খেলার গতিপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। একই সঙ্গে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে ফিফাকে।

তবে ক্রীড়া বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের অনলাইন পিটিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। বিশেষ কোনো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত না নিলে কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সুযোগও নেই।

এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে স্পেনের বিপক্ষে সেমিফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে ফ্রান্সেও ৮২ হাজারের বেশি স্বাক্ষরসংবলিত একটি অনলাইন পিটিশন হয়েছিল। তবে সেই দাবির কোনো ফল হয়নি।

উল্লেখ্য, ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনাজুড়ে লিওনেল মেসিদের সমর্থনে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে কিছু এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

Continue Reading

top1

কাসেমিরোকে দলে টানায় তদন্তের মুখে মেসির ইন্টার মায়ামি

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর পর বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি। দলবদল ও চুক্তি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে এমএলএস জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, কাসেমিরোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের আগে প্রয়োজনীয় ‘ডিসকভারি প্রায়োরিটি’ না নেওয়ার অভিযোগে ইন্টার মায়ামির বিরুদ্ধে এমএলএসে অভিযোগ করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি।

তবে ইন্টার মায়ামির দাবি, কাসেমিরোকে দলে নেওয়ার আগে ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছিল তারা। এরপরও পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এমএলএস।

লিগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাসেমিরোকে চুক্তিবদ্ধ করার ডিসকভারি প্রায়োরিটি নিয়ে ইন্টার মায়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার পরই সেই সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজন খেলোয়াড়কে তাদের ডিসকভারি লিস্টে রাখতে পারে। তালিকাভুক্ত কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে ওই ক্লাবই প্রথম অগ্রাধিকার পায়। অন্য কোনো ক্লাব তাকে দলে নিতে চাইলে আগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের কাছ থেকে সেই অধিকার নিতে হয়।

কাসেমিরোর ক্ষেত্রে ডিসকভারি প্রায়োরিটি ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির হাতে। তাই ইন্টার মায়ামিকে তার সঙ্গে চুক্তি করার আগে গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতা করতে হয়েছে।

লিগের নীতিমালা অনুযায়ী, অন্য কোনো ক্লাবের ডিসকভারি লিস্টে থাকা খেলোয়াড়কে দলে নিতে চাইলে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার জেনারেল অ্যালোকেশন মানি (জিএএম) দিয়ে চুক্তির অধিকার নেওয়া যায়। এরপর সংশ্লিষ্ট ক্লাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিকার ছেড়ে দিতে বা খেলোয়াড়কে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারে।

শেষ পর্যন্ত গ্যালাক্সির সঙ্গে সমঝোতার পর কাসেমিরোকে দলে ভেড়ায় ইন্টার মায়ামি। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২০২৭ সালের এমএলএস মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেছে ক্লাবটি। পাশাপাশি ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।

এদিকে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন কাসেমিরো। বুধবার তিনি বলেন, “আমি আগে গ্যালাক্সির সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তখনই তাদের জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি ইন্টার মায়ামিতেই যেতে চাই। কারণ মায়ামি এমন একটি শহর, যেটিকে আমি ভালোবাসি। আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানরা প্রায়ই এখানে ছুটি কাটাতে আসি। শহরটির সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।”

Continue Reading

Trending