Connect with us

সর্বশেষ

বগুড়ায় জমি নিয়ে বিরোধ, মামলার সাক্ষীকে কুপিয়ে হত্যা

Published

on

বগুড়ার গাবতলীতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৫) ওই গ্রামের মৃত ছাত্তার প্রামাণিকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দুই পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে সংঘর্ষ থামাতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, দৃষ্টি (১৫), সেফা (৩৫) ও জেমি আক্তার (৩৮)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের মেয়ে হিমা আক্তারের অভিযোগ, জমি-সংক্রান্ত একটি মামলায় তার বাবা সাক্ষী ছিলেন। ওই মামলার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।

গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রুমিন ফারহানার এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন, কী বলছেন নেতাকর্মীরা

Published

on

By

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদানের গুঞ্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে রুমিন ফারহানার দল পরিবর্তনের আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে তার অনুসারী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে।

রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত সরাইল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল বলেন, ‘এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য আমাদের কাছে নেই। কিছু আলোচনা শোনা যাচ্ছে, তবে বিষয়টি গুজব বলেই মনে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের আলোচিত ব্যক্তিকে নিয়ে গুজব ছড়ানো রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। এনসিপিতে যোগদানের মিথ্যা গুজবে আপনারা কান দেবেন না।’

তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত একাধিক নেতাকর্মীও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তারা জানান, রুমিন ফারহানা দল পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও কোনো ইঙ্গিত দেননি। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হতো বলেও তারা মনে করেন।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও এ নিয়ে বিস্ময় দেখা গেছে। তাদের ভাষ্য, গুঞ্জনটি সঠিক নয় বলেই ধারণা করছেন তারা। তবে যদি তা সত্যি হয়, তাহলে সেটি তার অনুসারীদের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, রাজনীতিতে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়। ইতিহাসে নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক দল-বদলের অনেক উদাহরণ রয়েছে। তবে রুমিন ফারহানা যেহেতু বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী, আমরা চাই যে অবস্থানে থাকুন না কেন, তিনি যেন মানুষের জন্য কাজ করে যান।

অন্যদিকে সরাইল উপজেলা এনসিপির একাধিক নেতা জানান, আমাদের দলে নতুন কেউ যোগ দিলে অবশ্যই স্বাগত জানাব। তবে রুমিন ফারহানার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্তের খবর আমাদের কাছে আসেনি। বিষয়টি গুজব বলেই মনে হচ্ছে।

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেন, এ ধরনের গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন নয়। রুমিন ফারহানা স্পষ্টভাষী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী ও জনগণের জন্য কাজ করতে চান। আমাদের এনসিপির মূলনীতিও জনগণের অধিকার জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়ার। আমরা তার সঙ্গে মিলেই কাজ করব।

তিনি বলেন, তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বাগতম জানাব। আমাদের দলে যোগ দিতে চাইলে দলের নীতিনির্ধারকরা নীতিমালার ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন; কীভাবে সম্মানের সঙ্গে রুমিন ফারহানাকে দলে যোগদান করানো যায়।

এ বিষয়ে জানতে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একটি ইংরেজি উদ্ধৃতি শেয়ার করেন, যার মর্মার্থ— গুজব রটায় নিন্দুকরা, ছড়ায় বোকারা, আর বিশ্বাস করে গাধারা।

যদিও তিনি সরাসরি কোনো দলের নাম উল্লেখ করেননি, তবে এটি চলমান গুঞ্জনের প্রতিক্রিয়াই হতে পারে।

বিভিন্ন সূত্রে খবর ছড়িয়েছে, জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তিগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা করছে এনসিপি। ফলে রুমিন ফারহানাসহ কয়েকজন পরিচিত মুখ এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন। দলটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগের খবরও গণমাধ্যমে উঠে আসে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলকে আক্রমণের হুমকি দিলেন এরদোয়ান

Published

on

By

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় ইসরাইল আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। স্থানীয় সময় শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এই হুমকি করেন।

সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের খবর অনুযায়ী, এরদোয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হলে তুরস্ক ‘ইসরাইলকে তার জায়গা দেখিয়ে দেবে’। তিনি আরও বলেন, ৪০ দিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও দখলদার ইসরাইল শত শত লেবানিজ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করছে।

এরদোয়ান বলেন, “আমরা যেভাবে লিবিয়া ও কারাবাখে প্রবেশ করেছি, সেভাবেই ইসরাইলেও প্রবেশ করতে পারি। এর জন্য শক্তি ও ঐক্যের প্রয়োজন।”

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নেতানিয়াহুর দাবি যে, এরদোয়ান কুর্দিদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন, সে বিষয়ে ইস্তাম্বুলের প্রতিক্রিয়া ছিল যে, নেতানিয়াহুর কোনো নৈতিক মূল্যবোধ নেই।

টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের যোগাযোগ প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান উল্লেখ করেছেন, নেতানিয়াহু গাজায় গণহত্যা চালিয়েছেন এবং তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য জবাবদিহি করতে বাধ্য হবেন।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইল গাজায় গণহত্যা শুরু করে, যাতে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

Continue Reading

top1

পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিলো। পরের শাসনামলে নানা কর্মকাণ্ড করে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টাও করা হয়েছিল।

রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব।

এসময় তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশকে কখনও কেউ পরাজিত করতে পারবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের যে অগ্নিশিখা সেনাবাহিনীর মধ্যে জ্বালিয়েছিলেন, তা যেন নিভে না যায়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিএনপি সরকারই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টর সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।

রাষ্ট্র মেরমতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল উল্লেখ করে তারে জুলাই সনদের প্রতিটি দফা ঠিক যেভাবে ছিল, সেভাবেই বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।

দরবারে তিন বাহিনীর প্রধান, তিন বাহিনীর শীর্ষ জেনারেল, সেনা-নৌ-বিমান বাহিনীর সেনানিবাস, ঘাঁটি ও ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও সারাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

Continue Reading

Trending