Connect with us

ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচ বড় পর্দায় দেখাতে শাবিপ্রবিতে ৩৬ সদস্যের কমিটি গঠন 

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

ফুটবল বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো বড় পর্দায় দেখানোর জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৩৬ সদস্যের একটি  কমিটি গঠন করা হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথকভাবে আরও ১০ সদস্যের একটি কমিটিও করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচগুলোকে ঘিরে দর্শকসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সদস্যরা বড় পর্দায় খেলা দেখার পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, “আমরা এর আগেও কয়েকটি ম্যাচ বড় পর্দায় দেখিয়েছি। সবার সহযোগিতায় সেগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে সামনে তিনটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ রয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই মিলে আনন্দঘন পরিবেশে খেলা উপভোগ করুক।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী ম্যাচগুলোতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি বেশি হবে। তাই নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব ছাত্রসংগঠন এবং বিভিন্ন দলের সমর্থকদের নিয়ে ৩৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথক ১০ সদস্যের একটি কমিটিও করা হয়েছে। সবার সহযোগিতায় আমরা সুন্দরভাবে খেলা উপভোগ করতে পারব বলে আশা করছি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

প্রায় অকেজো অবস্থায় ইবির প্রধান ফটক সংলগ্ন টিউবওয়েল, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী-দোকানি-পথচারী

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক সংলগ্ন একমাত্র টিউবওয়েলটি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। প্রায় তিন মাস ধরে বারবার বিকল হওয়ায় নিরাপদ পানির সংকটে পড়েছেন শিক্ষার্থী, পথচারী, প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্য এবং আশপাশের দোকানিরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা মেরামত করা হলেও তা স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দুই-এক দিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রধান ফটকের পাশে স্থাপিত টিউবওয়েলটি থেকে স্বাভাবিকভাবে পানি ওঠে না। কখনো একেবারেই পানি পাওয়া যায় না, আবার কখনো অল্প সময়ের জন্য সচল থাকলেও দ্রুত বিকল হয়ে পড়ে। ফলে তীব্র গরমে কিংবা দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করা শিক্ষার্থী ও পথচারীদের বিশুদ্ধ পানির জন্য চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রধান ফটক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এখানে একমাত্র পানির উৎস এই টিউবওয়েল। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এটি নষ্ট থাকে। কয়েক দিন পরপর মেরামত করা হলেও আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান না হলে ভোগান্তি থেকেই যাবে।”

প্রধান ফটকের সামনে ফল বিক্রেতা এক দোকানি বলেন, “আমরা দোকানের কাজে এবং খাওয়ার জন্য এই টিউবওয়েলের পানির ওপর নির্ভর করি। নষ্ট থাকলে অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। এতে সময় যেমন নষ্ট হয়, তেমনি ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী এক আনসার সদস্য বলেন, “আমরা সারাদিন এখানেই দায়িত্ব পালন করি। পানি না থাকলে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারা লোক পাঠিয়ে মেরামতও করেছে। কিন্তু দুই দিন যেতে না যেতেই আবার নষ্ট হয়ে যায়। এতে একই সমস্যা বারবার তৈরি হচ্ছে।”

আরেক পথচারী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথে এমন একটি মৌলিক সেবার অবস্থা খুবই হতাশাজনক। বাইরে থেকে কেউ এলে বিশুদ্ধ পানির জন্য সমস্যায় পড়েন। দ্রুত স্থায়ী সমাধান করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস প্রধান মোহা. আলাউদ্দিন বলেন, “আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ামাত্র প্রকৌশল অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি। বাকিটা প্রকৌশল অফিস জানে। প্রায় এক সপ্তাহ আগেই পাঠানো হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম শরীফ উদ্দীন বলেন, “কিছুদিন আগে আমরা এস্টেট অফিস থেকে একটি ফাইল পেয়েছি। যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে ঠিক করার জন্য চূড়ান্ত ও যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Continue Reading

top3

ইবিতে ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধ’ নীতিমালা উন্মোচন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত— ধর্ম, বর্ণ, বয়স, পেশা ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান সুযোগ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ সহ ব্যক্তিগত সুরক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধ নীতিমালা-২০২৬’ প্রণয়ন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান এই নীতিমালার পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। এটি হাইকোর্টের নীতিমালার আলোকে গত ৩০ জানুয়ারি (২০২৬) অনুষ্ঠিত ২৭২তম সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

নীতিমালার লক্ষ উদ্দেশ্য:

আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীদের প্রতিকারের ব্যবস্থা সহ অভিযোগ প্রদানের নিরাপদ ও সহজিকরণ, অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা, বিচারপ্রার্থী বা তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি বা নিগৃহীত করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে সুনির্দিষ্ট করা এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যক্তি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

যা যা যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন:

শ্রেণি কক্ষের ভিতরে বাহিরে অবাঞ্ছিত মন্তব্য বা অঙ্গভঙ্গি দ্বারা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি, কটূক্তি, টিটকারি, চলাফেরার সময় পিছু নেওয়ার মাধ্যমে উত্যক্ত করা, চিঠিপত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে হেয় করা বা উত্যক্ত করার চেষ্টা, যৌন উস্কানিমূলক, বিদ্বেষমূলক কুৎসা রটানো, শ্রেণি কক্ষে অপ্রাসঙ্গিক যৌন বিষয় উত্থাপন করে হয়রানিমূলক আচরণ, যৌন হয়রানির উদ্দেশ্যে চরিত্র হননের চেষ্টা, বলপূর্বক প্রেমের সম্মতির জন্য উত্যক্ত করা এবং প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কারণে চাপ সৃষ্টি ও হুমকি প্রদান, যৌন কামনা চরিতার্থে কারো শরীরে স্পর্শ করা, ভয় বা প্রলোভন দেখিয়ে বা ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা ও ধর্ষণের চেষ্টা বা ধর্ষণ করা ইত্যাদি যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন বুঝাবে।

শাস্তি নির্ধারণ:

যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে সকল পর্যায় শেষ করবে এবং অপরাধীর শাস্তি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবে। উক্ত কমিটি কর্তৃক কোন অভিযোগের তদন্ত চলাকালে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে সাময়িকভাবে সকল দায়িত্ব থেকে এবং শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে শিক্ষাকার্যক্রম থেকে বিরত রাখবে।

এছাড়া অপরাধী শিক্ষার্থী হলে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী লিখিত সতর্কীকরণ, সেমিস্টার বা ইয়ার বা চিরতরে বহিষ্কার সহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে। অপরাধী যদি শিক্ষক হয় তাহলে ইনক্রিমেন্ট বন্ধ এবং অভিযোগকারীকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান, অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকুরিচ্যুত সহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর।

যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলি বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বিল বোর্ড আকারে স্থাপনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন হল ও বিভাগে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচনের সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “হাইকোর্ট প্রদত্ত নীতিমালার আলোকে আমাদের এখানে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটি আছে এবং সেই কমিটি এই পুস্তিকাটি প্রকাশ করেছেন। আগামী ১ আগস্ট ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন; আমরা তাদের দিয়েই এই পুস্তিকা প্রচারের যাত্রাটা শুরু করব ইনশাআল্লাহ।

এছাড়াও তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে সতর্ক করার জন্য বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। যিনি কমিটির আহ্বায়ক তাকে ইতোমধ্যেই আমি অনুরোধ করেছি যে, বিভিন্ন বিভাগে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাতে এটি প্রচার করা হয়। প্রথম পর্যায়ে এতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে তবে এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং আগামীতে আমরা এই ভুল ত্রুটিগুলোকে ওভারকাম করে শিক্ষার্থীদের মাঝে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো। আমি সংশ্লিষ্টদেরকে বলেছি শিক্ষার্থীরা যাতে সহজে রিচ করতে পারে ইমেইল অথবা নাম্বার দেওয়া হবে যাতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জমা দিতে পারে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদের প্রাণ

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইলে মামাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলিম মিয়া। তিনি জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে জাহিদ সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জানা গেছে, জাহিদের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলায়। তার বাবা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএসই বিভাগসহ পুরো ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠী ইরান মিয়া বলেন, “জাহিদ হাসান আমাদের সবার থেকে আলাদা ছিল। চার বছরের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার সঙ্গে কারও কোনো মনোমালিন্য হয়নি। সে ছিল অত্যন্ত ভদ্র, শান্ত-স্বভাবের এবং সবার প্রিয় একজন।”

শেষ দেখার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “বুধবারই ছিল জাহিদের সঙ্গে আমাদের শেষ দেখা। এরপর সে মামাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায়। কে জানত, সেটিই হবে আমাদের শেষ দেখা।”

সহপাঠীদের ভাষ্য, জাহিদের বিনয়ী ও আন্তরিক আচরণের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবার কাছেই তিনি ছিলেন প্রিয়। তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

Continue Reading

Trending