Connect with us

top3

বুধবার বরিশালে যাচ্ছেন তারেক রহমান

Published

on


বরিশালে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বহুল প্রতীক্ষিত এই সফরের আর মাত্র একদিন বাকি।

আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের বেলস পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

সমাবেশকে সফল করতে মাঠজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যাপক প্রস্তুতি। বেলস পার্কের মঞ্চ নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে; মাঠের সামনের অংশ বাঁশ দিয়ে ঘিরে মঞ্চের কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে মাঠ পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, শ্রমিকরা একটানা কাজ করছেন, একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে। মাঠে অবস্থান করছেন পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর বরিশালে তারেক রহমানের সরাসরি রাজনৈতিক উপস্থিতি তাদের কাছে অত্যন্ত আবেগময় একটি মুহূর্ত।

অনেকের ভাষায়, এটি শুধুই একটি জনসমাবেশ নয়- বরং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি এবং দলের জন্য নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টির উপলক্ষ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে এই সমাবেশকে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ নির্বাচনি জনসমাবেশ হিসেবে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রায় ১০ লাখ মানুষের উপস্থিতি ধরে প্রস্তুতি চলছে। মহানগর, জেলা এবং অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করেও প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন জানান, জনসভা শুরু হবে সকাল ১১টায়। সমাবেশ শুরুর প্রায় ২০ মিনিট পর হেলিকপ্টারযোগে সভাস্থলে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। তিনি মূল কর্মসূচি শেষ করেই একই মাধ্যমে বরিশাল ত্যাগ করবেন। সফরের সময় কোনো পথসভা করার সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্টেজ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সব লজিস্টিক কাজ প্রায় শেষের পথে। নেতাকর্মীদের মাঝে এখন চূড়ান্ত উত্তেজনা ও উৎসাহ কাজ করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নতুন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করবেন বুধবার

Published

on

By

বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। শপথ নিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ত সময় পার করবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বুধবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন নতুন সরকার।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কার্যদিবস অতিবাহিত করবেন তারেক রহমান। এদিন তিনি মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক এবং সরকারের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ করা দপ্তরে তিনি প্রথম অফিস করবেন। সচিবালয়ে প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরুতেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

বুধবার সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বেলা ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন তিনি। যদিও এই বৈঠকের কোনো সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা রাখা হয়নি, তবে এটি হবে নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা।

অপরদিকে বিকেল ৪টায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। আমলাতন্ত্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই সভায় তিনি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফল গেজেট আকারে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থিরা জয় পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।

Continue Reading

top3

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে অবজ্ঞা করেছে সরকারি দল

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে আমাদের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি।তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না।’

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক বক্তব্যে তিনি নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং শপথ গ্রহণ নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

শপথের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদেরকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সেখানে দুটি শপথের কথা বলা হয়েছিল। সংসদ সদস্যের পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গণভোটের শপথ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রুমে প্রবেশ করার পর সচিব জানালেন সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আমরা দুটো নিলাম।’

২০২৬ সালের এই নির্বাচনের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের কারণে এই নির্বাচন হয়েছে। শপথের বিষয়ে আমরা হয়তো ভিন্ন চিন্তা করতে পারতাম। কারণ জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে আমরা দায়িত্ব বলে গণ্য করেছি। আমরা গণভোটের রায় ও জুলাই এর আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করেছি।’

সরকারি দলের অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ”সরকারি দল ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। এটা জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে তাদের অবস্থান। সংস্কারের বিপরীতে তাদের এই অবস্থান স্পষ্ট। যদিও তারা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। যদি তারা জুলাইকে সম্মান করেন, সংষ্কারকে ধারণ করেন তাহলে তারা সেই শপথ নেবেন। যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনিও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চেয়েছেন।”

শপথের বৈধতা ও জুলাই বিপ্লবের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘কার কাছে শপথ নেবে সেটা তারা তাদের পছন্দমতো ব্যক্তির কাছে নিতে পারেন। কিন্তু আমরা দেখতে চাই জুলাই সম্মানিত হয়েছে, স্বীকৃতি পেয়েছে। জুলাইকে অসম্মান, অশ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি না দিয়ে ২৬ এর এই পার্লামেন্ট গৌরবের আসনে বসতে পারবে না।’

কেন জামায়াত মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি, তার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না। যার কারণে শত ইচ্ছা থাকলেও আমরা শপথে যেতে পারলাম না। এজন্য আফসোস থাকল।’

Continue Reading

top3

বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন শফিকুর রহমান, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে এমন তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এছাড়া, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হচ্ছেন ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিরোধীদলীয় হুইপের দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

বিরোধী দলের সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। শিগগিরই ১১-দলীয় জোটের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

১১ দলীয় জোটের একাধিক সংসদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংসদের বিরোধী দলের উপনেতা হচ্ছেন জামায়াত নেতা ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। আর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান হুইপের দায়িত্ব পালন করবেন।

Continue Reading

Trending