Connect with us

top3

বেরোবির ওয়েবসাইটে মিলছে না শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য, বাড়ছে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

Published

on

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি;

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্ব বাড়লেও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এখনো রয়ে গেছে নানা সীমাবদ্ধতা। শিক্ষকদের অসম্পূর্ণ প্রোফাইল, প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব, দীর্ঘদিন ধরে তথ্য হালনাগাদ না হওয়া এবং প্রায়ই ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যার কারণে শিক্ষার্থী, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বর্তমানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট শুধু প্রশাসনিক তথ্যের মাধ্যম নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণার ডিজিটাল পরিচয়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী, গবেষক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কিংবা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকেরা প্রথমেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। কিন্তু বেরোবির ওয়েবসাইটে অনেক ক্ষেত্রেই সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক প্রোফাইলে শিক্ষাগত যোগ্যতা, গবেষণার ক্ষেত্র, প্রকাশনা, ই-মেইল, যোগাযোগের তথ্য কিংবা চলমান গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনুপস্থিত। এমনকি কয়েকটি বিভাগের কিছু শিক্ষকের প্রোফাইলে ব্যক্তিগত ছবিও সংযুক্ত নেই। অনেক প্রোফাইল দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ করা হয়নি বলেও দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাডেমিক বা গবেষণার প্রয়োজনে কোনো শিক্ষকের বিষয়ে তথ্য জানতে গিয়ে তারা প্রায়ই সমস্যায় পড়েন। অনেক সময় গবেষণার আগ্রহ, প্রকাশনা কিংবা যোগাযোগের মাধ্যম সম্পর্কে কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল মালেক বলেন, “বর্তমানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটই তার ডিজিটাল পরিচয় বহন করে। কিন্তু বেরোবির ওয়েবসাইটে অনেক শিক্ষক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য নেই। গবেষণার কাজে কিংবা উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করতে গিয়ে শিক্ষকদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে।”

আরেক শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল, গবেষণা, প্রকাশনা, গুগল স্কলার, ORCID কিংবা যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু বেরোবির ওয়েবসাইটে অনেক ক্ষেত্রেই এসব তথ্য অনুপস্থিত।”

শুধু তথ্যের ঘাটতিই নয়, ওয়েবসাইটের কার্যকারিতা নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের দাবি, অনেক সময় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার কখনো সার্ভার সমস্যার কারণে ওয়েবসাইট খুলতেই চায় না। এতে ভর্তি, ফলাফল, নোটিশ, টেন্ডার, একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও বিভিন্ন প্রশাসনিক তথ্য জানতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষক প্রোফাইল, গবেষণা, প্রকাশনা, চলমান প্রকল্প, একাডেমিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি যেমন উন্নত হয়, তেমনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও গবেষণার সুযোগও বৃদ্ধি পায়।

শিক্ষার্থীরা উদাহরণ হিসেবে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে শিক্ষক প্রোফাইলগুলো তুলনামূলকভাবে বিস্তারিত ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। বেরোবিতেও একই ধরনের আধুনিক, তথ্যসমৃদ্ধ ও ব্যবহারবান্ধব ওয়েবসাইট গড়ে তোলার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার (শাখা প্রধান) মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ওয়েবসাইট রয়েছে সেটি টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে মাঝে মাঝে প্রবেশ করতে সমস্যা হয়। আর শিক্ষকদের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা তাদের পাবলিকেশন, ইনফরমেশন এবং অন্যান্য তথ্য নিজেরাই আপডেট করে নিতে পারবে। তাদের ইনফরমেশন গুলো খুবই সেনসিটিভ সে জন্যই তাদের অ্যাকাউন্ট করে দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ-সমাবেশ

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুর নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল। এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে।

তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দল-মতনির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।

Continue Reading

top3

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পানচাষি

Published

on

By

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় নদীতীরবর্তী প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে। এতে ফসলি জমি, পানবরজ, কলাবাগান ও স্থানীয়দের একমাত্র শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত বছর থেকে এ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৯৫০ বিঘা ফসলি জমি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশানঘাট বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত পানচাষির প্রায় ৫ হাজার পিলি পানবরজ এবং ১০০ বিঘা কলাবাগান নদীতে ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় গত চার-পাঁচ দিন ধরে পদ্মার তীরে ব্যাপক ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে খাড়া ভাঙন। এতে নতুন করে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুদ্র কৃষক গিরি দাস বলেন, এলাকায় তাদের প্রাচীন শ্মশানঘাট ছিল। সেটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। ফলে শ্মশানঘাটটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই স্থানে প্রায় ৫০ ফুট গভীর পানি রয়েছে।

পানচাষি ও ব্যবসায়ী নেতা আসলাম উদ্দিন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয় এ অঞ্চলে। দেশের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পান বাজারও মূলত এ এলাকার পানের ওপর নির্ভরশীল। নদীভাঙনে কয়েক শত পানচাষি প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে থাকা অন্তত ৫ হাজার পিলি পানবরজ হারিয়েছেন।

কৃষক আমিরুল বলেন, গত বছর তার ভাই ও ভাতিজারা মিলে ৭-৮ বিঘা জমিতে পান চাষ করেছিলেন। নদীভাঙনে তাদের ৮০০ পিলি বরজ বিলীন হয়েছে। একইভাবে রায়টার অনেক কৃষক ৫০ থেকে ১০০ পিলি পর্যন্ত পানবরজ হারিয়েছেন।

পানচাষি সুমন হোসেন বলেন, দুই বছর আগে এ অঞ্চলের হাজার বিঘা পানবরজ আগুনে পুড়ে যায়। এখন আবার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের জীবিকা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ন্যূনতম ব্যবস্থা নিলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না বলে দাবি করেন তিনি।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ভাঙন দুই মাস আগে শুরু হয়েছে। তবে পানি বাড়ায় গত কয়েক দিনে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদন হয়ে বাজেট না আসা পর্যন্ত কাজ করা সম্ভব নয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

Continue Reading

top3

চুয়েটে পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত দেব (২৩) এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অর্ণব দত্ত (২২)। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের দুজনের বাড়ি সিলেটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে দুই শিক্ষার্থী হলের পাশের পুকুরে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে পুকুরের মাঝামাঝি অংশে সাঁতার কাটতে গিয়ে তারা পানিতে ডুবে যান।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। প্রায় ২০ মিনিট পর অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে এবং তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending