Connect with us

top3

বেরোবির প্রধান ফটকে ছাত্রদলের দেয়াল লিখন, শিক্ষার্থীদের সমালোচনা

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি:
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকের দেয়ালে ছাত্রদল কর্তৃক রাজনৈতিক স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দেয়ালে লাল রঙে ‘শিবির মুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা দেখা যায়। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে রংপুর মহানগর ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সন্ধ্যার দিকে প্রধান ফটকের দেয়ালে ‘শিবির মুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা দেখতে পান শিক্ষার্থীরা।

দেয়াল লিখনের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নান্দনিকতা ও সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান।

সাবেক শিক্ষার্থী রিশাদ নুর এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “একটা গেট কত সংগ্রাম আর কষ্ট করে পেয়েছে, সেটা এই ক্যাম্পাসের সাবেকরা জানে। কয়েকজনের কারণে গেটের এমন অবস্থা হলো। ক্যাম্পাস সবার, কোনো একটি রাজনৈতিক দলের নয়।”

আরেক শিক্ষার্থী সোবুর খান লেখেন, “গেটের সৌন্দর্য নষ্ট করে রাজনীতি নয়, দ্রুত এসব লেখা মুছে ফেলা উচিত।”
শিক্ষার্থী মেহেরাজ হোসাইন প্রশ্ন তুলে লেখেন, “শিক্ষাঙ্গন কি নিরাপদ?”

এদিকে ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যেও অনেক শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়া আরও অনেক শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নান্দনিকতা অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: ফেরদৌস রহমান বলেন, আমাদের একটা তদন্ত কমিটি করে দেওয়া আছে তদন্ত কমিটির প্রধান ফটকের লিখনের বিষয় যারা জড়িত আছে তাদের বিষয়টি দেখবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে প্রধান ফটকের মেরামতের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

ভোলার বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এর আগে গত ২৬ জুলাই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মা মনসা গ্রামের দালাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।

ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের অভিযোগ, স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়ি ফেরার পথে জিহাদ নামে এক কিশোর কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে স্থানীয় একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরা হয়। এরপর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একই সময়ে অভিযুক্তদের একজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার কথা কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে শিশুটি দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখে। পরে অভিযুক্তরা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পুরো ঘটনা জানায়।

এরপর মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইরফান মাহমুদ জানান, বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগীর প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Continue Reading

top3

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ইবি ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ’–স্লোগানকে সামনে রেখে জুলাই বিপ্লবের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘অদম্য জুলাই মিছিল’ ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৫ আগষ্ট) বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে মিছিল শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে মিলিত সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি সহ শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অদম্য জুলাই মিছিলে নেতাকর্মীদের “দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিব রক্ত; রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়; কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ দাদার; বুকের ভেতর অনেক ঝর, বুক পেতেছি গুলি কর; আজকের এই দিনে, সাইদ তোমায় পরে মনে; আজকের এই দিনে, আনাস তোমায় পরে মনে; ওসমান হাদি মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ, লীগ ধর, জেলে ভর; জুলাইয়ের হাতিয়ার, গরজে ওঠো আরেকবার; ২৪ এর হাতিয়ার, গরজে ওঠো আরেকবার; এই দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ, মুজিব বাদ মুরদাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবদা”–ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশ শেষে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন,মানুষ পদে পদে বৈষম্যের ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ আইনের যে অধিকার, সে অধিকার পাচ্ছে না। যারা গত বছরে বলেছিল ‘আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’। তাদের বিচারের কতটুকু আইন-প্রশাসনের কাছে জানতে চাই। এ দেশের জনগণ জানতে চায়।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে ২০২৪ সালের ৩৬ এ জুলাই অর্থাৎ ৫ই আগস্ট আজকের এই দিনে খুনি হাসিনা এদেশ থেকে সবকিছু গুটিয়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। খুনি হাসিনা দীর্ঘদিন যাবত এদেশের মানুষের উপর জুলুম করেছে। তিনি একটি জুলুমতন্ত্র কায়েম করেছিল। কিন্তু এদেশের জনগণ সেই জুলুমতন্ত্রকে স্থায়ী হতে দেয় নাই। তারা খুনি হাসিনাকে এদেশ থেকে চিরতরে বিতাড়িত করেছে। আমাদের জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নতুন ইনসাফের বাংলাদেশের কিন্তু আমরা বাস্তবে এখন পর্যন্ত ইনসাফ কায়েম হতে দেখতে পারি নাই।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল জুলাই পরবর্তী নতুন নির্বাচিত সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে। এই সরকার দুর্নীতিকে আরও প্রশ্রয় দিচ্ছে ও দুর্নীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে । জুলাইয়ের পরে যত দিন গেছে, ইসলামবিরোধী শক্তি, জুলাইবিরোধী শক্তি, আধিপত্যবাদী শক্তি, র-এর এজেন্টরা আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে, জুলাইয়ের শক্তিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য তারা বিভিন্ন কুপরিকল্পনা করে যাচ্ছে।

Continue Reading

top3

শাবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জুলাই গণ দিবস উদযাপন, বিশেষ প্রীতিভোজের ব্যবস্থা

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার ( ৫ আগস্ট) সারা দিনব্যাপী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সকালে সামাজিক বিজ্ঞান ভবনে স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এরপর গোলচত্বরের পতাকা স্ট্যান্ডে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। আলোচনা সভা পরবর্তীতে প্রথম বারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ খায়রুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী শহীদ রুদ্র সেনসহ সকল শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। বিগত ১৭ বছরের প্রতিটি যৌক্তিক আন্দোলনে আমি সশরীরে যুক্ত ছিলাম। এই সিলেট অঞ্চল নিয়েও আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রুদ্র সেনের স্মৃতিকে ধরে রাখতে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। তার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ১৮ জুলাই ‘শহীদ রুদ্র সেন মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ দেওয়া হবে। এর প্রাথমিক তহবিল হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় বাজেট থেকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হবে। এছাড়া শহীদ রুদ্র সেনের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিফলক নির্মাণসহ অন্যান্য উদ্যোগ বাস্তবায়নে সিভিল ও আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধানদের সমন্বয়ে একটি ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা খুব শিগগিরই আরসিসি সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে আমাদের ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সড়ক উন্নয়নের জন্যও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এই প্রথম বিভাগভিত্তিক শিক্ষার্থীর জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করতে প্রতিটি বিভাগে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৫ জন করে শিক্ষার্থীকে টিএ-শিপ (টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ) প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।

এছাড়া আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. সালমা আখতার, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মুহ. মিজানুর রহমান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ফ ম জাকারিয়া, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুরাদ, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী, প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ মাহবুব ফেরদৌসী, অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মখলিছুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবির শাবিপ্রবি শাখার সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন, শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ মাহমুদ, জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার আহবায়ক রাশিদ আবরার, ইনকিলাব মঞ্চ শাবিপ্রবি শাখার আহবায়ক হাফিজুল ইসলাম, শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সৈয়দ ওসামা ইব্রাহিম, ইসলামী ছাত্রশিবির শাবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন শাবিপ্রবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আজাদ শিকদার, জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার সদস্যসচিব রিয়াজ হোসেন রিমন,শাখা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( পদ স্থগিত) জহিরুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ফয়সাল হোসেন ও মাহবুবুল ইসলাম পবন, সহায়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমেদ।

লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক আহমদ কবির চৌধুরী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির এবং ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার, শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ মাহির আসিফ।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. ফয়ছল আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম।

সবশেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং শহীদদের মাগফিরাত কামনায় এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা দোয়া করা হয়।

Continue Reading

Trending