Connect with us

top3

বেরোবির ১৮তম ব্যাচের নবীনদের বরণে শিবিরের বিশেষ আয়োজন

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে (১৮তম ব্যাচ) নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম-২০২৬ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখা।

আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ৮টায় রংপুরের রূপকথা থিম পার্ক ও কনভেনশনে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান বেরোবি শাখা শিবির সভাপতি।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণের পাশাপাশি তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যারিয়ার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে যার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা ও ইতিবাচক চিন্তা যা ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়টি উৎসাহিত করবে।

এছাড়াও নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আল-কুরআন, ব্যাগ, বই, কলম ,চাবির রিং ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী নবীন শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসের পরিবর্তে বাইরে অনুষ্ঠান আয়োজনের কারণ জানতে চাইলে বেরোবি শিবির সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যেই ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গার সংকট রয়েছে এবং নিজস্ব কোনো অডিটোরিয়ামও নেই।

তিনি আরও বলেন, বাইরে অনুষ্ঠান আয়োজন করলে আবহাওয়াজনিত ঝুঁকিও থাকে। বড় আয়োজনের মধ্যে বৃষ্টি হলে অনুষ্ঠান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই রূপকথা থিম পার্কে অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের ক্যারিয়ার গাইডলাইন সেশনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম উপস্থিত থাকবেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নাম পরিবর্তন ও অনুষদ বদলের দাবি, বিপক্ষে আরেক পক্ষের স্মারকলিপি

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নাম ও অনুষদ পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘কমিউনিকেশন, মিডিয়া অ্যান্ড ফিল্ম স্টাডিজ’ করার পাশাপাশি বিভাগটিকে কলা অনুষদ থেকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে, আরেক পক্ষ বর্তমান নাম ও অনুষদ বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নামের পরিবর্তন চাওয়া শিক্ষার্থীরা দাবি বাস্তবায়নে বিভাগের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’, ‘মিডিয়ার সঙ্গে কমিউনিকেশন যুক্ত চাই’, ‘কারিকুলাম গ্লোবাল, ফ্যাকাল্টি কেন লোকাল’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শিক্ষার্থীরা বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি জমা দেন। পরে বিভাগের একাডেমিক কমিটির সুপারিশ ও একাডেমিক কাউন্সিলে উত্থাপনের পর সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি বিভাগের নাম পরিবর্তন এবং বিভাগটিকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্থানান্তরের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিভাগের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইনজামুল হক অভি ফকির বলেন, আমরা প্রায় ১৪ মাস ধরে বিভাগের নাম পরিবর্তন ও অনুষদ পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করছি। কিন্তু এখনো বিভাগের নাম পরিবর্তন করা হয়নি। আমরা এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি বিভাগের নাম পরিবর্তন না হয়, তাহলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলব।

বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহসিন হক শাহ বলেন, আমরা কমিউনিকেশনের একাধিক কোর্স করছি এবং পড়াশোনার একটি বড় অংশ কমিউনিকেশনভিত্তিক। কিন্তু বিভাগের নামের সঙ্গে কমিউনিকেশন না থাকায় চাকরির ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। এছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগটি কলা অনুষদের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের একাডেমিক কাঠামো ও পড়াশোনার ধরন বিবেচনায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে নেয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে এদিন নাম পরিবর্তনের বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির যৌক্তিকতা জানিয়ে উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা ফিল্মিং ক্যারিয়ারে অনেক ভালো করছে। বিভাগটি শুরু থেকে ফিল্মকে প্রাধান্য দিয়েই কাজ করে আসছে। এ মুহূর্তে বিভাগের নাম পরিবর্তন হলে বিভাগটি তার স্বকীয়তা হারাবে। পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীরাও পরিচয়হীনতায় ভুগবে।

সেখানে আরও বলা হয়, বিভাগে ইতোমধ্যে ফিল্ম ও মিডিয়া সম্পর্কিত কোর্স কমিয়ে নতুনভাবে সাংবাদিকতার কোর্স যুক্ত করা হয়েছে, যা অনুচিত। বিভাগটি পারফর্মিং আর্টসের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কলা অনুষদে এর অবস্থান। একে জোরপূর্বক নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন অনুষদের অধীনে নেয়া হলে যেসব শিক্ষার্থী ফিল্ম পড়তে আগ্রহী, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হবে।

বিভাগটির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর রানা বলেন, ফিল্ম ও গণযোগাযোগ দুটি আলাদা বিষয়। বিভাগে আমরা ভর্তি হয়েছি ফিল্ম নিয়ে বিশদ জ্ঞান অর্জনের জন্য। কিন্তু এখন যদি নাম পরিবর্তন করে ফিল্মকেই সবথেকে দুর্বল করে দেয়া হয়, তাহলে আমাদের পড়াশোনার উদ্দেশ্য সফল হবে না। বহুমুখী চাপে অনেক শিক্ষার্থী ফিল্মের পক্ষে থাকলেও বাধ্য হয়ে এই আন্দোলনে গিয়েছে।

এ বিষয়ে বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক মনোজ কুমার প্রামাণিক বলেন, শিক্ষার্থীরা বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবি না তুলে সাংবাদিকতা বিষয়ে নতুন বিভাগ খোলার দাবি তুললে তা যৌক্তিক হতো। ফিল্ম বিষয়ে পড়ার জন্য সব জেনেই তারা ভর্তি হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের কাজের মাধ্যমে সুনাম কুড়াচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের। কিন্তু এখন এসব পরিবর্তন করে বিভাগকে ভিন্ন দিকে নেয়ার দাবিটি যৌক্তিক না।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দাবি যৌক্তিক প্রমাণিত হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী ৩ অক্টোবর সিন্ডিকেটের সব সদস্য এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার সুযোগ নেই। সিন্ডিকেটের ১৪ সদস্যের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারি না। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর দাবিকে গুরুত্ব দেয়া হবে।

Continue Reading

top3

ববিতে ফৌজদারি মামলার বিচারিক পূর্ব কার্যক্রম নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘Talk on Pre-trial Proceedings of Criminal Cases in Context of Bangladesh’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে আইন বিভাগের আয়োজনে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ। আইন ও বিচারব্যবস্থাকে রাষ্ট্রের দর্পণ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, ঐক্য ও স্থিতিশীলতার প্রধান ভিত্তি। সামাজিক সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ আদালতের দ্বারস্থ হয়, তাই তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।” তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি ভবিষ্যৎ পেশাজীবনে সত্য, ন্যায়বিচার এবং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়ায় প্রি-ট্রায়াল বা বিচারিক পূর্ব কার্যক্রমের গুরুত্ব, আইনি পদ্ধতি, বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ এবং বিচার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও ন্যায়সংগত করার বিভিন্ন প্রয়োগিক দিক তুলে ধরেন।

আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ও আইন অনুষদের ডিন ড. সারদার কায়সার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের প্রভাষক মোঃ ছোটন আলী। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক আলমগীর হোসাইন।

বক্তারা উল্লেখ করেন, এ ধরনের একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি দেশের বিচারব্যবস্থার বাস্তব প্রেক্ষাপট ও প্রয়োগ বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে আইন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top3

সেশনজটের বলির পাঠা ইবি শিক্ষার্থী মামুন, আটকে গেল ‘ইউজিসি বৃত্তি’

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ব্যাচভিত্তিক ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফলাফল এবং ইউজিসি বৃত্তির মনোনীত তালিকা ঘিরে দেখা দিয়েছে চরম জটলা ও অসন্তোষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় সেশনজট ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার বলি হয়েছে এক মেধাবী শিক্ষার্থী। যার ফলে মেধার স্বীকৃতি হিসেবে আসন্ন ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় পড়েছেন ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি অনুষদের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ইউজিসি বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। উক্ত তালিকায় জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে সর্বোচ্চ ৩.৯০ সিজিপিএ পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করে মনোনীত হন ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে বিপত্তি বাধে পরীক্ষার সময়সীমা ও ফলাফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অনুষদ নির্ধারিত সময়সীমা (২০২৫ সালের মধ্যে) পরীক্ষা সম্পন্ন ও ফল প্রকাশ করতে পারলেও, জীববিজ্ঞান অনুষদের বিভাগীয় সেশনজট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে পরীক্ষা শুরু হয় ২০২৫ সালের নভেম্বরে এবং চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে। এর আগে ইউজিসি কর্তৃক ঘোষিত নোটিশে ২০২৫ সালের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার শর্ত জুড়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ও অনুষদের প্রশাসনিক গাফিলতি এবং দীর্ঘ সেশনজটের কারণে ফলাফল বিলম্বে প্রকাশ হওয়ায়, এখন নিয়ম বা নীতিমালার অজুহাত দেখিয়ে প্রথম স্থান অধিকারী আবদুল্লাহ আল মামুনকে বৃত্তির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনুষদের এই সিদ্ধান্তে চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী। নিজের মেধা ও যোগ্যতাবলে অর্জিত প্রথম স্থান এবং প্রাপ্য অধিকার ফিরে পেতে ইতিমধ্যে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন বরাবর লিখিত অভিযোগ ও প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অভিযোগপত্রে মামুন উল্লেখ করেন,
বিভাগের সেশনজট ও প্রশাসনিক বিলম্বের পেঁছনে শিক্ষার্থীর কোনো ব্যক্তিগত ত্রুটি বা অবহেলা ছিল না। সম্পূর্ণ প্রশাসনিক কারণে সৃষ্ট এই বিলম্বের খেসারত একজন শিক্ষার্থী কেন দেবে? সেশনজটের দায় পুরোপুরি অনুষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

তিনি আরও জানান, নীতিমালার অজুহাতে তাকে বাদ দিয়ে পরবর্তী অবস্থানের কাউকে সুবিধা দেওয়া হলে তা হবে স্পষ্ট মেধার অবমূল্যায়ন ও চরম অন্যায়।

শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন এই বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে উপাচার্যের (ভিসি) নিকট উপস্থাপন এবং দ্রুত প্রশাসনিক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, অনুষদের নিজস্ব জটিলতার দায় শিক্ষার্থীর ওপর না চাপিয়ে দ্রুত আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার বলেন, ইউজিসি প্রদত্ত নোটিশে ২০২৫ সালের মধ্যে অনার্স শেষ হওয়ার কথা বলা হয়েছে, এখানে শুধুমাত্র শিক্ষাবর্ষের কথা বলা হয়নি। সুতরাং একইভাবে আগামীতে ইউজিসি বৃত্তি দিলে তার হয়তো সুযোগ থাকতে পারে৷ তাছাড়া এটা ইউজিসির নীতিমালা। তারা যেভাবে নোটিশ করেছে ঐভাবেই আমাদের করতে হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, আমি ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগেই এসব প্রক্রিয়া হয়েছে। এবিষয়ে উচ্চতর সিদ্ধান্তের জন্য আগামী শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসে বিষয়টি নোটিশ আকারে পাঠাবো। উনারা যে সিদ্ধান্ত দিবেন ঐটাই চূড়ান্ত হবে।

Continue Reading

Trending