Connect with us

top2

ব্রাজিলকে ২৮ বছর আগের স্মৃতি মনে করিয়ে সতর্কবার্তা নরওয়ে কোচের

Published

on

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ ওঠার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পরের রাউন্ডে খেলবে ব্রাজিলের বিপক্ষে। জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতোমধ্যেই নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।

বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে নরওয়ে-আইভরি কোস্ট ম্যাচ। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের কোচ স্টেল সোলবাকেনকে সম্ভাব্য ব্রাজিল-নরওয়ে লড়াই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আপাতত তাদের পুরো মনোযোগ আইভরি কোস্টকে হারানোর দিকেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনই পরবর্তী প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবছি না। ওটা নিয়ে ভাবার সময় এখনও আসেনি। আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ কালকের ম্যাচটি জিতে মাঠ ছাড়ার ওপর।’

তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যের স্মৃতি এড়িয়ে যাননি সোলবাকেন। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নরওয়ে। সেই ম্যাচে ৮৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোল করেছিলেন তোরে আন্দ্রে ফ্লো।

সেই প্রসঙ্গে নরওয়ে কোচ বলেন, ‘স্মৃতির পাতা ওল্টালে, ফুটবলারদের জন্য এবং কোচের জন্য ওই ম্যাচটি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই আমারও সেই ম্যাচের কথা মনে আছে, কিন্তু আমরা এখানে এসেছি ওই ইতিহাসটাকে কিছুটা পেছনে ফেলে নতুন কিছু করে দেখানোর জন্যই।’

বর্তমান নরওয়ে দলে থাকা ২৬ ফুটবলারের মধ্যে মাত্র ৯ জনের জন্ম হয়েছিল ১৯৯৮ সালের সেই ম্যাচের সময়। অনেকের কাছেই তাই ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই জয় কেবল ইতিহাসের অংশ।

দলের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ার বলেন, বর্তমান নরওয়ে দল মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী।

তার ভাষায়, আমরা ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এসেছি, যা আমার মনে হয় বাস্তব জীবন এবং ফুটবল—উভয় জায়গাতেই দারুণ কাজে দেয়। তাই আমরা একটি সুসংগঠিত দল, যারা আগামীকালের ম্যাচে প্রতিটি ইঞ্চির জন্য লড়াই করবে এবং আশা করি জয় তুলে নেওয়ার জন্য সেটাই যথেষ্ট হবে।’

এদিকে ব্রাজিল এখন অপেক্ষা করছে নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট ম্যাচের বিজয়ীর জন্য। কার্লো আনচেলত্তির দল আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

হার্ডিঞ্জ ব্রিজে ট্রলারের ধাক্কা, পিকনিক শেষে নিখোঁজ ১

Published

on

By

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী এলাকায় পদ্মা নদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের ধাক্কায় তিনজন নদীতে পড়ে গেছেন। এ ঘটনায় দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও মো. রকি (২২) নামে এক যুবক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৫ নম্বর পিলারে ট্রলারটির ধাক্কা লাগলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে একটি দল ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে রাজশাহীতে পিকনিকে যায়। পিকনিক শেষে একই ট্রলারে করে শৈলকুপায় ফেরার পথে পাকশী পদ্মা নদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রলারে থাকা তিনজন নদীতে পড়ে যান।

খবর পেয়ে লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে মো. লিটন (৩৮) ও মো. ওয়াহাব (৪৫) নামে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে রকির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ রকি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর এলাকার মৃত হাসান আলীর ছেলে। উদ্ধার হওয়া লিটন একই এলাকার বিদ্যুতের ছেলে। আর ওয়াহাব কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আরুয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলার থেকে পড়ে তিনজন নদীতে নিখোঁজ হয়েছিলেন। নৌ পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading

top2

ছয় মাসে সরকারি খাদ্য মজুত বেড়েছে প্রায় দেড় লাখ টন

Published

on

By

সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ টন। একই সঙ্গে খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ টন। ৯ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ টনে।

বর্তমান মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ টন এবং ধান ৩৪ হাজার ৭০ টন। ফ্লোটিং মজুত হিসেবে রয়েছে ৬৮ হাজার ৭২৩ টন গম।

সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। আগে দেশে প্রায় ২৪ লাখ টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। বর্তমানে এ সক্ষমতা ২৭ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে তা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বলেন, সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রাখার পাশাপাশি সংরক্ষণ ও খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নিরাপদ খাদ্য মজুতের প্রচলিত সীমা ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন থেকে বাড়িয়ে ১৬ লাখ টন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিস্তৃতি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২১ লাখ ৩১ হাজার টন। সে তুলনায় বর্তমানে মজুত বেড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ টন। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একই সময়ে মজুত ছিল ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩০ টন। সে হিসাবে দুই বছরের ব্যবধানে বর্তমান মজুত বেড়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টন।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমেও অগ্রগতি হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ধান ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ টন এবং আতপ চাল ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৩ টন। এছাড়া ৫২৩ টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে।

খাদ্যশস্যের মজুত শক্তিশালী রাখতে আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ টন এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ শাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরকারি গুদামে চাল ও গমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির খাদ্য বিতরণ অব্যাহত রাখতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে চলতি আমন মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করা হচ্ছে। বোরোর মতো আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে। তবে প্রয়োজন হলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে গমের পরিবর্তে চাল ব্যবহারের বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে খাদ্য নিয়ে সরকারের সংকট বা দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

top2

সন্ত্রাসী কায়দায় দুই নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে ববি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল 

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

 সন্ত্রাসী কায়দায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল মোল্লাকে মারধর করার প্রতিবাদে  সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল। বিক্ষোভ মিছিলে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে বিচারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল সাথে সাথে এলাকাবাসীকে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেট  থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড হয়ে তালুকদার মার্কেটে গিয়ে শেষ হয়। 

বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বর্তমান নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। “সন্ত্রাসীদের ঠিকানা বরিশালে হবে না, হই হই রই রই সন্ত্রাসীরা সব গেলি কই, মাদকব্যাবসায়ীদের ঠিকানা বরিশালে হবে না।”

মারধরের শিকার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত বলেন, “অনৈতিক কাজে বাঁধা দিতে গিয়ে  আমাদের উপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে এবং জোরপূর্বক জবানবন্দি নিয়ে এতে আমার যে সামাজিক অবক্ষয় করেছে তার বিচার চাই। আমার উপর যে অন্যায় হয়েছে তার সত্যতা প্রমাণিত হোক এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।”

এর আগে গত  সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল মোল্লাকে রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি সদস্য শিল্পী বেগমের বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাঁধা দেয়ায় সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করে শিল্পি বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা। মারধরে অংশ নেয় শিল্পির স্বামী রহিম, জামাতা রিয়াজসহ পরিবারের আরও চার থেকে পাঁচজন। ছাত্রদলের দুই নেতাকে দঁড়ি দিয়ে বেঁধে সন্ত্রাসী কায়দায় মারপিট করে। এতে ঐ দুই নেতা অসুস্থ হয়ে শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নেয়।

 পরবর্তীতে তাদের উদ্ধারে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অন্য নেতাকর্মীরা শিল্পি ও তার জামাতা রিয়াজকে মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

 এই ঘটনায় বরিশাল বন্দর থানায় যুগ্মসম্পাদক আশরাফুল মোল্লা বাদি হয়ে একটি মামলা করেছে। ঐ মামলায় হামলাকারী রহিম ও তার পরিবার অগ্রীম জামিনে রয়েছে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই টুটুল।

 বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদল সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “জুলাই আন্দোলনে এলাকাবাসী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো আমরাও তাদের পাশে ছিলাম। এই এলাকাকে যারা ব্যবহার করে মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও দেহ ব্যবসা শুরু করেছে তাদেরকে প্রতিহত করুন। প্রয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আপনাদের সাথে তাদের প্রতিহত করবে। আমি আশা রাখি, এই এলাকার মানুষ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।”

Continue Reading

Trending