Connect with us

top3

মাদক ব্যবসা না ছাড়লে তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হবে: এমপি জাহিদুর রহমান

Published

on

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান বলেছেন, “মাদক ব্যবসায়ীরা যদি মাদক ব্যবসা না ছাড়ে, তাহলে তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন করা হয়েছিল। দেশের জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে গেলে মাদক ব্যবসায়ীদের দেশ থেকেই তাড়িয়ে দেবে।”

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার ফুটানী টাউন বাজারে আয়োজিত এক জনসচেতনতামূলক সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাদক, অনলাইন জুয়া, সাইবার অপরাধ, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ এই সভার আয়োজন করে।

মাদক ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়ে এমপি জাহিদুর রহমান বলেন, “এখনো সুযোগ আছে, মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন। সমাজের অন্য দশজন মানুষের মতো সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করুন। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থেকে সমাজ ও দেশের ক্ষতি করবেন না।”

অনলাইন জুয়া ও সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এসব অপরাধ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।” একই সঙ্গে তিনি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

সভায় বক্তারা মাদক, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন, অনলাইন জুয়া এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, সামাজিক অপরাধ নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

৬ নম্বর পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপস) আলমগীর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (পীরগঞ্জ সার্কেল) মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল ইসলাম জিয়া এবং পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন প্রামাণিক।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম, পীরগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি সমির উদ্দিন, শিক্ষক ওমর ফারুক, হাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব আলম, কাজী ওবায়দুর রহমান এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতা রফিকুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন

j

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

পারিবারিক কলহের জেরে সাত মাসের শিশুকে আছাড় দিয়ে মারলেন বাবা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীর তুরাগে পারিবারিক কলহের এক ঘটনায় সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, ঝগড়ার একপর্যায়ে বাবা মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ফেলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হলে অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় তুরাগের কামারপাড়া এলাকার ফুলবাড়িয়া বস্তিতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার সময় রিকশাচালক কবির হোসেন তার স্ত্রী লিমা আক্তারের কোল থেকে সাত মাস বয়সী ছেলে রাফাকে ছিনিয়ে নেন। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি শিশুটিকে মাটিতে আছড়ে ফেলেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত রাফা দম্পতির একমাত্র সন্তান। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সোনাইডাঙ্গা গ্রামে হলেও বর্তমানে তারা তুরাগের ফুলবাড়িয়া বস্তিতে বসবাস করতেন।

শিশুটির মা লিমা আক্তার দাবি করেন, পারিবারিক কলহের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তার অভিযোগ, ঝগড়ার একপর্যায়ে স্বামী সন্তানকে তার কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে আঘাত করেন।

স্বজনদের ভাষ্য, কবির হোসেন নিয়মিত কাজ করতেন না এবং মাঝেমধ্যে মাদক সেবন করতেন। এসব বিষয় নিয়েই তাদের সংসারে প্রায়ই বিরোধ সৃষ্টি হতো।

তুরাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ফয়সাল জানান, ঘটনার রাতে কবির হোসেনকে আটক করা হয়। পরে শিশুটির মৃত্যুর পর দায়ের করা হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

Continue Reading

top3

সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইবি শাখা ছাত্রশিবির।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত সোয়া ৯টায় এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একত্রিত হয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীদের “বিচার বিচার চাই সাজিদ হত্যার বিচার চাই; সাজিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না; তুমি কে আমি কে সাজিদ সাজিদ; সাজিদ আব্দুল্লাহ কবরে খুনি কেন বাহিরে; প্রশাসনের টালবাহানা চলবে না, চলবে না; খুনি ধর জেলে ভর; সাজিদ হত্যার তদন্ত, আর নয় বিলম্ব” ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, গত বছর ১৭ জুলাই সাজিদ হত্যাকাণ্ড ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো রহস্য উন্মোচন করতে দেখিনি। এই হত্যাকাণ্ডের পরে খুনিদের ধরতে এবং তদন্তে বিলম্ব হওয়ায় একজন ম্যামকেও বলি হতে হয়েছে। ম্যামের খুনিকে গ্রেপ্তার করা হলেও আমরা বিচারের মধ্যে এখনও ধীরগতি দেখতে পাচ্ছি। অতি দ্রুত বিচার করে খুনিদেরকে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে দিতে হবে।

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেখেছি, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা কর্মীর গায়ে হাত তোলা হয়, প্রশাসন এখনও আঙুল চুষছে। কিসের ভয়ে এটা করছে আমরা জানি না। তবে, আপনারা যদি জুলুমতন্ত্রকে সায় দেন এবং স্বৈরাচার হয়ে ওঠেন, তাহলে খুনি হাসিনা থেকে শিক্ষা নেবেন। খুনি হাসিনাকে যেভাবে ভারত পালাতে বাধ্য করা হয়েছে, আপনাদেরকেও ভারত পালাতে বাধ্য করা হবে যদি আপনারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে না পারেন।

দাবিদাওয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সহ অন্যান্য সংগঠন মিলে সাজিদ আব্দুল্লাহ’র নামে হল বা স্থাপনা নির্মাণের দাবি জানিয়েছি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেন নাই। এছাড়া সাজিদের বাবাকে কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি। এ দেশের মাটিতে ইনসাফ কায়েম করতে, অন্যায় এবং জুলুমতন্ত্রকে উচ্ছেদ করতে আমরা এসেছি।

Continue Reading

top3

ইবি আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের নেতৃত্বে সাজ্জাদ-সাকিফ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইইইই (ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স) স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের ২০২৬-২৭ মেয়াদের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করা হয়েছে। এতে চেয়ারপারসন হিসেবে এস এম সাজ্জাদ হোসাইন সৈকত এবং সাধারণ সম্পাদক সাকিফ মাহমুদ ফয়সালকে নির্বাচিত করা হয়।

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সংগঠনের আওতায় আইইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ, আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টার এবং আইইইই ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবিএস) ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টার রয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে মো. শাহজাদা সাজিদ ভাইস-চেয়ার, মো. তৌহিদ হাসান নিরব ভাইস-চেয়ার (টেকনিক্যাল), মো. নাঈমুল ইসলাম মজুমদার ভাইস-চেয়ার (অ্যাক্টিভিটি), মো. আসিফ সিদ্দিক জিম জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং মো. নাসির উদ্দিন এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া মো. ফজলে রাব্বি রওনক ট্রেজারার, মুবাশশির আমিন পাবলিকেশন কো-অরডিনেটর, আবু উবায়দা ওয়েব মাস্টার, জাকিয়া তাবাসসুম ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোঅরডিনেটর, সামিয়া সুলতানা উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোঅরডিনেটর, মো. আব্দুল মুহাইমিন মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট কো-অরডিনেটর, মো. রাফিউল রেজা পাবলিসিটি কো-অরডিনেটর এবং হুমায়ুন রশিদ হিমু লজিস্টিকস কোঅরডিনেটর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। একই সাথে সুনভির নিশান ও ঐশী রায় কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টারের চেয়ারপারসন হিসেবে মো. জুলফিকার আলী দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে সরকার তুহাসসিনুল আরনব ভাইস-চেয়ার, রাফি আয়ান সেক্রেটারি এবং সামিউল কুরেশি সৌরভ ট্রেজারার,শরিফুল ইসলাম শিহাব স্টুডেন্ট এক্টিভিটি কো-অরডিনেটর, আদিল মোহাম্মদ তাসিফ পাবলিসিটি কো-অরডিনেটর, নুর ফারহান শাহরিয়ার প্রান্ত মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট কো-অরডিনেটর এবং নুসরাত জাহান নিতু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কো-অরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও আইইইই (ইএমবিএস) ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ চ্যাপ্টারের চেয়ারপারসন হয়েছেন মো. ইয়াকুব আলী। মোস্তাফিজুর রহমান মহিম সম্পাদক এবং মো. মবিনুল হক কোষাধ্যক্ষ, সাকিব আল হাসান স্টুডেন্ট এক্টিভিটি কোঅরডিনেটর, মোছা. আফরিন মুস্তারি পাবলিসিটি কোঅরডিনেটর এবং নিশাদ আল হাসান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোঅরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নবগঠিত আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর হিসেবে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং উপদেষ্টা হিসেবে ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মমতাজুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি চ্যাপ্টারের এবং অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান আইইইই ইএমবিএস চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নবনির্বাচিত চেয়ারপার্সন সাজ্জাদ হোসেন সৈকত বলেন, “আমাদের শাখার হাত ধরে ইতো:পূর্বে ইবিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্স হয়েছে। আমরা গতবছর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সফলভাবে আয়োজন করেছিলাম। আমরা সামনে আরও ভালো কিছু দেশীয়-আন্তর্জাতিক কোলাবরেশনের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চাই। এজন্য আমি আমাদের নবগঠিত কমিটির জন্য সকলের সর্বাত্বক সহযোগিতা কামনা করছি।”

উল্লেখ্য, কমিটিগুলো ইবি’র ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত।

Continue Reading

Trending