Connect with us

জাতীয়

মিথ্যা বলা মহাপাপ, মিথ্যা বলো না: মির্জা আব্বাস

Published

on

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার নির্বাচনী এলাকার প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীসহ এনসিপি নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না। একটি লোকের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা এটি আরও বড় পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।

শুক্রবার বিকালে রমনা থানা বিএনপির উদ্যাগ্যে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনার দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। থানা বিএনপির আহবায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের পরিচালনায় এসময় মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না। ঢাকা ৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দিবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে। আপনি কসম খেয়ে বলেন- এতগুলো ভোট আমি সিল মেরে নিয়েছেন! নাকি আকাশ থেকে এসেছে!

তিনি বলেন, আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির উপরে।

আব্বাস বলেন, আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই। আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কিভাবে পেলেন? সেটি আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারবো আপনারা কারচুপি করেছেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘দুই-একটা ককটেল ফুটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

দুই-একটা ককটেল ফুটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণকে কষ্ট দিয়ে সংকটে ফেলতে চায় না সরকার। ডিজেলে ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতো, সেই লোকসান কমানোর চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে কেন দাম বেড়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের বাজার এখন খুবই অস্থির। সামনে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় সরকার কতটা ভর্তুকি দিতে পারবে, সেটিও বিবেচনার বিষয়।

তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে এমন পরিস্থিতি হলে তিনি পদত্যাগ দাবি করতেন, কারণ সেটি নির্বাচিত সরকার ছিল না। তবে বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত। জনগণের ওপর চাপ তৈরি হবে—এ বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রাখছে এবং একই সঙ্গে পরিস্থিতির ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে সরকার রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা জানান, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সফরের কর্মসূচি শুরু হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা এবং কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, সানফ্রান্সিসকোতে দলীয় একটি অনুষ্ঠান হতে পারত। তবে ব্যয় সাশ্রয় এবং দেশের চলমান সংকট বিবেচনায় সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে—এমন তথ্যের বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি প্রকাশিত তথ্য। ফলে এ ধরনের চুক্তি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে যতটুকু জানা গেছে, তথ্য সেই পর্যায়েই রয়েছে।

সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোনো অনুষ্ঠান ছিল না বলেও জানান তিনি। সেখানে দলীয় বা অন্য কোনো কর্মসূচি থাকার কথা ছিল। পরবর্তী সময়ে কম সময়ের সফরকে ব্যয় সাশ্রয়ী বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশ বিভিন্ন ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে থেকে কাজ করাকে এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

Published

on

By

বাগেরহাট প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর আট দিন বন্ধ থাকার পর বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। ৬২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উৎপাদনে যায়। চালুর প্রথম দিনে ইউনিটটি থেকে ৩৬৮ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বয়লার অতিরিক্ত গরম হওয়া ও কারিগরি জটিলতার পর মেরামতের জন্য ভারত থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আনা হয়। তাঁদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে রোববার ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আনোয়ারুল আজিম বলেন, বর্তমানে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটেই বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডে আরও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রটিতে পর্যাপ্ত কয়লাও মজুদ রয়েছে।

রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চললে সাধারণত ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝেমধ্যে কেন্দ্রটির কোনো একটি ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। এ ধরনের ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসির মধ্যে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠন করা হয়।

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৩৪ একর জমিতে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর উৎপাদনে যায়। দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায় ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ।

দ্বিতীয় ইউনিটটি গত ১৩ সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রটির সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। এর আগে কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।

Continue Reading

top1

ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৫৯৩

Published

on

By

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৮৪ এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৯৭২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের রবিবারে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে দুইজন চট্টগ্রাম, দুইজন খুলনা, একজন ঢাকা এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে বরিশাল বিভাগে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে- ৬৮৭ জন।

এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭১ জন এবং দুই সিটি করপোরেশনের বাইরের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ৩৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৯২ জন, বরিশাল বিভাগে ১৫৪, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৭, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২, রংপুর বিভাগে ৬৫ এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী। চলতি বছরে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১০ জন।

Continue Reading

Trending