Connect with us

top3

মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করবে বাংলাদেশ

Published

on

জাতীয় ডেস্ক

মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে প্রায় ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জাপানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের চলমান অস্থিতিশীলতা এবং সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত হলে এটি হবে প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তে প্রথম কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রকল্প।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের নির্বাচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এ বেড়া নির্মাণ করা হবে। তবে কোন কোন স্থানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সংস্থাটির মতে, অবৈধ সীমান্ত পারাপার, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্তের ওপারে আগের মতো কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রশাসন না থাকায় নতুন ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যোদ্ধাদের যাতায়াত, মাদক ও অস্ত্র পাচার বেড়েছে। তার মতে, কাঁটাতারের বেড়ার পাশাপাশি টহল সড়ক নির্মাণ করলে সীমান্ত নজরদারি আরও কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আরাকান আর্মি সীমান্তবর্তী মংডু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর ফলে জেলেদের অপহরণ, নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং স্থলমাইনের ঝুঁকি বেড়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে ৪২৬ জনের বেশি বাংলাদেশি জেলেকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২৪ জন দেশে ফিরলেও বাকিরা এখনো অপহরণকারীদের কবলে রয়েছেন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

তরুণদের দক্ষ করে তুলতে না পারলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড হারাবে বাংলাদেশ: শিবির সভাপতি

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী। কিন্তু এই তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে না পারলে দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের (কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সুবিধা) সুযোগ নষ্ট হবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য মানুষ তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শাখার উদ্যোগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মানেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করা। প্রথম বর্ষেই নিজের লক্ষ্য ঠিক করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু স্বপ্ন দেখার জায়গা নয়, স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়ার জায়গাও।”

নিজেকে সময়ের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী ডাইনোসর টিকে থাকতে পারেনি, কিন্তু তেলাপোকা এখনো টিকে আছে। কারণ, তেলাপোকার অভিযোজন ক্ষমতা বেশি। “জীবনেও একই বিষয়। পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলাতে না পারলে কেউ টিকে থাকতে পারবে না,” বলেন তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করার পর চাকরি জন্য সবাইকে ছুটাছুটি করতে হয়। বিসিএসের জন্য ৫-৬ বছর প্রস্তুতি নিতে হয়। “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর কেন আবার পাঁচ-ছয় বছর বিসিএসের জন্য পড়তে হবে? বিশ্ববিদ্যালয় যদি দক্ষতা তৈরি করতে পারে, তাহলে শিক্ষার্থীরা সরাসরি কর্মক্ষেত্রে যেতে পারবে।”
এসময় তিনি বলেন, বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বিভাগ চালুর আগে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়, যাতে সেখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এমন ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানান তিনি।

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সময়কাল খুবই সীমিত। এই সময়কে কাজে লাগাতে না পারলে ভবিষ্যতে অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে। চীন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এসব দেশ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করেই অর্থনৈতিকভাবে এগিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ভালো সিজিপিএ অর্জন করলেই হবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), পাইথন, এক্সেল, গবেষণা, পরিসংখ্যান এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। তিনি বলেন, “থার্ড ইয়ার থেকেই পাইথন, এআই, স্ট্যাটিসটিকস ও গবেষণার টুল শেখা শুরু করুন। ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এগুলোই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।”

অর্থনীতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, অর্থনীতি আমাদের বলে পৃথিবীতে সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে। কিন্তু সম্পদের অভাবের চেয়ে বড় সমস্যা সম্পদের অসম বণ্টন। তিনি দাবি করেন, বিশ্বের ৫ভাগ মানুষের হাতে ৯০ভাগ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হওয়ায় বৈষম্য বাড়ছে। সুশাসন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিয়েও কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করিয়ে যদি থাকার ব্যবস্থা না করা যায়, তাহলে ভর্তি করেন কেন? আবাসন না দিতে পারা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। এসময় তিনি গণরুম-গেস্টরুমের সংস্কৃতি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ভালো বন্ধু নির্বাচন করতে হবে, শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। “যে শিক্ষকের ভালো গবেষণা আছে, তার কাছেই বেশি বেশি যান। গ্রুপ স্টাডি করুন, একে অপরকে সহযোগিতা করুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সহযোগিতার সংস্কৃতিও থাকতে হবে,” বলেন তিনি।

রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে, তবে নিজেদের মূল লক্ষ্য হতে হবে জ্ঞান অর্জন ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা। তিনি বলেন, “মেধাবীরা রাজনীতিতে এলে রাষ্ট্র আরও ভালোভাবে পরিচালিত হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ সমাজ ও রাষ্ট্রের একটি বড় বিনিয়োগ। তাই শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। “নিজের পরিবার, সমাজ ও দেশের কথা মাথায় রেখে নিজেকে দক্ষ, সৎ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন। সঞ্চালনা করেন শাখা সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ এবং উপহার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং ছাত্রশিবিরের বর্তমান ও সাবেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top3

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, তিন কোম্পানির জ্যাম ও কেক বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

Published

on

By

বাণিজ্য ডেস্ক

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি কোম্পানির নির্দিষ্ট জ্যাম ও কেকজাতীয় খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ জানায়, ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।

সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব পণ্যের বিপণনও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের এসব খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ জুলাই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ইস্ট বেকারিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

Continue Reading

top3

অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইতালিতে বসবাসরত কাগজবিহীন অভিবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রায় দিয়েছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশ বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে শেনজেন তথ্য ব্যবস্থা (এসআইএস)-এ প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকলেই ২০২০ সালের ইমার্সিওন (স্যানাটোরিয়া) কর্মসূচির আবেদন আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করা যাবে না।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, ইমিগ্রেশন আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানে থাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদন বাতিলের ব্যবস্থা ইতালির সংবিধানের সমতা ও ন্যায়সংগত আচরণের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এখন থেকে প্রতিটি আবেদনকারীর ফাইল পৃথকভাবে ও বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। শুধু এসআইএসে প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকার ভিত্তিতে আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।

এই রায়ে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অন্যান্য অভিবাসীরা, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন শুধু অবৈধ প্রবেশ বা ওভারস্টের কারণে এসআইএস সিগন্যাল দেখিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, কর্মসংস্থান, ইতালিতে অবস্থানের বাস্তবতা এবং জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

তবে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গুরুতর অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। এসব ক্ষেত্রে আগের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন এখনো ঝুলে আছে অথবা একই কারণে অতীতে প্রত্যাখ্যান হয়েছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সহায়তায় নিজেদের ফাইল পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

Continue Reading

Trending