Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডয়েচ ভেলে একাডেমিয়া ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের তিন দিনব্যাপী বুটক্যাম্প

Published

on

রাবি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তরুণদের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে “Loud and Clear: Empowering Youth Voices 2.0” প্রকল্পের আওতায় রাজশাহীতে একটি বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়েভ ফাউন্ডেশন এবং ডয়চে ভেলে একাডেমির (DWA) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিনটি ক্লাবের ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

গত শনিবার রাজশাহীর হোটেল গ্র্যান্ড রিভার ভিউয়ে শুরু হওয়া “MIL, Digital Safety and Constructive Dialogue with University Students” শীর্ষক এই বুটক্যাম্পটি সোমবার বিকেলে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে রাবির তিনটি ক্লাবের মোট ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। ক্লাব তিনটি হলো, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস), ম্যাজিক লণ্ঠন ও সর্বজনের সংস্কৃতি।

ডয়েচে ভেলে একাডেমিয়ার প্রশিক্ষক নাইমুর রহমানের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ জন ফেলো কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণদের সামনে তথ্য বিভ্রান্তি (misinformation), বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, অনলাইন হয়রানি, গুজব এবং নারীদের বিরুদ্ধে ডক্সিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা (MIL), ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং গঠনমূলক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এই প্রশিক্ষণে। অংশগ্রহণকারীরা তথ্য যাচাই, দায়িত্বশীল মতামত প্রকাশ এবং গঠনমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পান।

প্রকল্পটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং জার্মান ফেডারাল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BMZ)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডয়েচে ভেলের প্রকল্প পরিচালক প্রিয়া অ্যাসেলবর্ন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক জোনায়েদ ইকবাল, ডয়েচে ভেলে একাডেমির ইন্সট্রাক্টর নাইমুর রহমান, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা (যোগাযোগ) সাইফুর রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি, উপ-পরিচালক নাজমা সুলতানা লিলি, অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল।

উল্লেখ্য, “Loud and Clear: Empowering Youth Voices 2.0” প্রকল্পটি ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট অঞ্চলে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো তরুণ ও নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

ওয়েভ ফাউন্ডেশন আশা করছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণরা তথ্যভিত্তিক মতামত গঠন, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ভূমিকা পালন এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

‘ভালো রাস্তা’ ভেঙে চলছে সংস্কার

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চলাচলযোগ্য তুলনামূলক ভালো থাকা রাস্তা ভেঙে আবারও সংস্কারের কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও পরিবহন মার্কেট সংলগ্ন রাস্তায় এ সংস্কারকাজ চলছে। সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রন্থাগার ও পরিবহন মার্কেটের পাশের সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। রাস্তাটিতে কোনো যানবহন চলাচল করে না। পথচারীরা হেটে ও সাইকেলে চলাচল করে। রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী রয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

oplus_2097154

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অনেক রাস্তা ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। এসব রাস্তার প্রকৃত সংস্কার প্রয়োজন হলেও সেগুলোর দিকে কতৃপক্ষের নজর নেই। অথচ তুলনামূলক ভালো রাস্তা ভেঙে আবার সংস্কার করা হচ্ছে। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

oplus_2097154

রাসেল হুসাইন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘যেসব রাস্তা সংস্কার করা জরুরি, সেগুলো পড়ে আছে। অথচ ভালো রাস্তা ভেঙে আবার কাজ করা হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থের অপচয় হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত আগে বেশি জরুরি রাস্তাগুলো চিহ্নিত করে সংস্কার করা।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, রাস্তাটিতে সংস্কারকাজ চলছে। ভালো রাস্তা নষ্ট করছি না। ওই রাস্তাই থাকবে। এ কাজে আহামরি কোনো অর্থ ব্যয় হচ্ছে না।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

শাবিতে ছাত্রদল কর্মীর প্রেমিকাকে প্রেমের প্রস্তাব, সমাধানে গিয়ে ছাত্রদল নেতার সাথে হাতাহাতি

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক ছাত্রদল কর্মীর প্রেমিকাকে এক শিক্ষার্থী প্রেমের চিঠি ও বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাবের অভিযোগে শাখা দুই নেতা-কর্মীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলের সামনে হলের প্রভোস্ট ও ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাধানকালে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্রদলের ওইকর্মী তার প্রেমিকাকে স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন।

জানা যায়, হাতাহাতিতে জড়ানো শিক্ষার্থীরা যথাক্রমে ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মিঠু সরকার ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক এবং বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদুজ্জামান নুরী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাহির আসিফের কর্মী। অপরদিকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া শিক্ষার্থী গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের কাউসার আহমেদ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদল কর্মী খালিদুজ্জামান নুরীর বউকে (পরে জানা যায় প্রেমিকা) কাউসার আহমেদ কয়েকবার প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কাউসারের সঙ্গে কথা বলতে মুজতবা আলী হলের টং দোকানের সামনে যান নুরী। এ সময় দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদল নেতা মিঠু সেখানে এসে নুরীর পরিচয় জানতে চান। নুরী তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহ না দেখালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মিঠু নুরীর পরিচয় জানার জন্য উত্তপ্ত হলে নুরী মিঠুকে গালাগাল দেন। এতে মিঠু রাগান্বিত হয়ে তার শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে নিচে নামান । এরপর দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় নুরীর আরো দুই বন্ধু খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে মারধর করা হচ্ছে দেখে করে পাল্টা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।

তখন ছাত্রদলের কয়েকজন ও মুজতবা আলী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। একইসাথে বিষয়টি হলের প্রভোস্টকে জানান। পরে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড মো আসরাফ সিদ্দিকী ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের মুজতবা আলী হলের কার্যালয়ে নিয়ে যান।

সেখানে প্রভোস্ট এবং ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করা হয়।

এ বিষয়ে খালিদুজ্জামান নুরী বলেন, কাউসার আহমেদ আমার প্রমিকাকে (পরিবার আমাদের বিষয় জানে) চিঠি ও সুবিদ বাজার রাস্তায় দাড়িয়ে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে। এজন্য এ বিষয়ে কথা বলে সমাধান করতে আমি তাকে কল দেই। প্রথমে একাডেমিক ভবন ই এর টংয়ে দেখা করার কথা ছিল। পরে তিনি হলে এসে কথা বলার জন্য বলেন। তাই আমি হলে গিয়ে তার সাথে কথা বলি। তখন মিঠু সরকার ভাই এসে আমার পরিচয় জানতে চান। তাকে পরিচয় না দেওয়ায় তিনি আমার সাথে উগ্র আচরণ শুরু করেন। আমিও তখন তাকে একটা গালি দেই। তাই সে আমার শার্টের কলার ধরে আমাকে নিচে নিয়ে আসেন। এতে করে আমাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এসময় আমার বন্ধুরাও আমার সাথে আসে। পরবর্তীতে হলের প্রভোস্ট ও ছাত্রদলের সিনিয়র ভাইয়েরা বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। তিনি ছাত্রদল করেন কি না জানতে চাইলে বলেন তিনি সহ-সভাপতি মাহির আসিফের কর্মী।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কাউসার আহমেদ বলেন, নুরী আমাকে কল দিয়ে বলেছে কথা বলার জন্য। তাই তাকে মুজতবা আলি হলে আসতে বলি। সে (নুরী) আমার উপর যে অভিযোগ এনেছে সব মিথ্যে। আমি এসবের কিছুই করিনি। মেয়েটাকেও আমি চিনি না। একদিন শুধু আমি তাকে তার নাম টা জিজ্ঞেস করেছিলাম। এজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি। আর গতকাল আমার সাথে কথা কাটাকাটির সময় মিঠু এসে আমায় বলে বন্ধু কি হয়েছে। তখন আমি তাকে বলি ছোট একটি বিষয় সমাধান হয়ে যাবে। তখন নুরী ছেলেটা তার সাথেও জামেলা শুরু করে। তখন যারাই আসছিল সবার সাথে সে ও তার বন্ধুরা খারাপ ব্যবহার করে। পরবর্তীতে প্রভোস্ট স্যার ও অন্যান্যরা মিলে আমাদের এই জামেলার সমাধান করে দেন। তবে নুরীর সাথে আমার হাতাহাতি কিংবা মারামারির ঘটনা ঘটে নি।

ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মিঠু সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান বলেন, এটি বাইরের ঘটনা। ছাত্রদলের কোন ঘটনা নয়। একজন (কাউসার) তার (নুরীর) প্রমিকাকে বিরক্ত করছে তাই তাদের মধ্যে জামেলা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রদলের মিঠু তার বন্ধুর সাথে জামেলা হচ্ছে দেখে এগিয়ে গিয়েছে। সে ছাত্রদলের হয়ে সেখানে যায় নি। এ বিষয়টি হলের প্রভোস্ট তার মতো করে মিমাংসা করেছেন।

নুরীর বিষয়ে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাহির আসিফ বলেন, সে ছাত্রদলের পোস্টেড কোন নেতা নয়। সে আমার সাথে থাকে। সে আমার জুনিয়র।

এ বিষয়ে সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আসরাফ সিদ্দিকী বলেন, এই বিষয়ে শোনার পর আমি ঘটনাস্থলে দ্রুত আসি। এসে হলের শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে উভয় পক্ষের কথা শোনে একটি সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা করি। একই সাথে সকল পক্ষকেই সতর্ক করে দেই এরকম ঘটনা পরবর্তীতে যেন কেউ আর না ঘটায়।

Continue Reading

top3

ইবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন, হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার মারামারির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার না হলে আমরণ অনশনে বসবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের নিচতলায় ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সংবাদ সম্মেলন করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় কথা বলেন আইসিটি বিভাগের ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, সিয়াম ও শামিম।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাসের বিষয়ে উভয় বিভাগের সভাপতি সহ কয়েক শিক্ষার্থী নিয়ে প্রক্টর অফিসে মীমাংসা করা হয়।আমরা যখন বের হচ্ছিলাম সেই মুহূর্তে আমাদের উপর এক অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায় (অটাকিং টু মার্ডার)। ওদের (বাংলা) ইন্টেনশন ছিল পুরোপুরি মার্ডার করার যেভাবে আমার উপর বা আমার সহপাঠী আমরা সেখানে ছিলাম মাত্র আটজন শিক্ষক তিনজন এই মোট ১১ জন। তাছাড়া আরেকজন শিক্ষক আহত হয়েছে গুরুতরভাবে বারি স্যার নামে। ওখানে আমাদের একজন শিক্ষককে বুকে লাথি মেরেছে তারপর উনি হাসপাতালে গিয়েছেন। আমাদের উপর একটা মব কালচার সৃষ্টি করে আমাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করার চেষ্টা করা ছিল প্রধান উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজকের এই অতর্কিত হামলার তদন্ত কমিটি গঠন করে অতি অল্প সময়ের মধ্যে উনারা একটা প্রতিবেদন দেন। সেখানে তিনজন সন্ত্রাসী শিক্ষার্থীদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দৃঢ় আস্থা রাখতে চাই। আইসিটি বিভাগ বিভাগের সকল শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক সবাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আছে।

তারা আরও বলেন, প্রশাসন উক্ত ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে যারা দোষী তাদেরকেই শুধু বিচারের আওতায় নিয়ে আসুক। আমরা চাই না— এখানে বাহিরের তৃতীয় পক্ষের কোন একজন ব্যক্তির নাম ঢুকিয়ে ওকে আবার বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলা বিভাগের সকল শিক্ষকদের প্রতি, বিশেষ করে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান স্যার সহ আরো যারা অন্যান্য স্যার ছিলেন উনারা যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। উনারা সবার প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ কারণে উনারা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম আজকের যে ঘটনাটা ঘটেছে তিন ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে তিনজনকে দোষী সাভ্যস্ত করে তাদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থী ছাড়াও আরও কিছু কিছু শিক্ষার্থীকে সনাক্ত করেছেন দাবি তাদের। তারা বলেন, বাংলা বিভাগে ২১-২২ বর্ষের আকো, ২২-২৩ বর্ষের চয়েজ কুমার ও রনি নামের শিক্ষার্থীদের সনাক্ত করেছে বলে দাবি। এছাড়া অজ্ঞাত ১০/১৫ জন শিক্ষার্থী সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করেন বলে দাবি আইসিটি বিভাগের।

তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাদেরকে আমরা আইডেন্টিফাই করতে পেরেছি এবং যারা এখনো আইডেন্টিফাই হয়নি তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয় তাহলে পুরো আইসিটি বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নেব এবং আমরা অনুসরণ অনশনে যাব।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করে। পরদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বুর) দুপুরে দুই বিভাগের মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদের ওপর অতর্কিত হামলা করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে দুই শিক্ষকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনার পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ফটক আটকে রাখেন।

Continue Reading

Trending