Connect with us

top1

লটারি সম্পন্ন, আজ বদল হচ্ছে ৬৪ জেলার এসপি

Published

on

ডেস্ক নিউজ 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা কেমন হবে তা নিয়ে সব মহলেই চলছে আলোচনা। দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকেও আয়োজনের কমতি নেই। সম্প্রতি সারা দেশে পুলিশ বাহিনীকে নতুনভাবে সাজাতে একাধিক বৈঠকের খবরও চাউর ছিল। সারা দেশে কীভাবে বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পোস্টিং দেওয়া হবে সেটাও গুরুত্ব পেয়েছে অনুষ্ঠিত ওইসব বৈঠকে। এমন পরিস্থিতিতে গত শনিবার সন্ধ্যায় ৩৫ হেয়ার রোডের একটি বাসায় জরুরি বৈঠকে বসে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি কমিটি। সেখানে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছতে পেরে আবারও বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

ওই বৈঠকে সারা দেশে লটারির মাধ্যমে পুলিশ সুপার (এসপি) পোস্টিং বা পদায়নে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে নিশ্চিত করেছিল একাধিক সূত্র। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার ৬৪ জেলায় লটারির মাধ্যমে পুলিশ সুপার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় লটারি অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমা গনিসহ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যখন ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে মরক্কোতে অবস্থান করছেন আইজিপি বাহারুল আলম। এ নিয়ে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে  ‍পুলিশ বাহিনীর মধ্যে। 

সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে পুলিশ সুপার পদায়নের ক্ষেত্রে বিসিএসের ২৫, ২৭ ও ২৮ এই তিনটি ব্যাচকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। 

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার প্রদানের জন্য ৬৪ জন পুলিশ সুপারকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাছাই করা হয়। বড় জেলা, উন্নত জেলা এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় এ, বি, সি ক্যাটাগরিতে ৬৪ জন পুলিশ সুপারকে বাছাই করা হয়। পাশাপাশি পুলিশ সুপারদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততা বিবেচনায় কেউ কেউ তিন ক্যাটাগরির লটারিতে বাদ পড়ে যান।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বেলা ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র সচিব পুলিশ সুপারদের পদায়নের ফাইল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যান। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের পদায়নের জন্য প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুসারে সেখানেই লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের কাছে ফাইল এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র থেকে জানা যায়, ৬৪ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার প্রদানের জন্য সারসংক্ষেপ তৈরি করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, নতুন যে ৬৪ জন এসপির তালিকা করা হয়েছে তাদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত ৫০ জেলার পুলিশ সুপারকে বহাল রেখে অন্য জেলায় বদলি করা হয়েছে। ১৪ জন নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ জন পুলিশ সুপারের মধ্যে ৪ জন বিসিএস ২৫ ব্যাচের এবং ১০ জন ২৭ ব্যাচের ।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ২৭ জনকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলা, ৮ জনকে ‘বি’ ক্যাটাগরি এবং ৯ জনকে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত করে আলাদা আলাদা লটারি করা হয়। 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, লটারিতে ঢাকার পুলিশ সুপার হিসেবে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মুন্সী মিজানুর রহমানের নাম উঠেছে। আর ঢাকার পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান কুমিল্লায় এবং গাজীপুরের পুলিশ সুপার ড. সাদেক জামালপুরে যাচ্ছেন। আজ মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সূত্র আরও জানায়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে ৬৪ জেলায় পুলিশ সুপার নিয়োগের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হলো।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম শুরু

Published

on

দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল থেকে এই সেবাটি আবারও সচল করা হয়। মূলত পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন ও প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এতোদিন এই সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

এনআইডি মহাপরিচালক বলেন, আমাদের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ হয়েছে। স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এনআইডি সংশোধন সেবাটি আজ থেকে পুনরায় চালু করা হয়েছে।

কেন এতদিন এই কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল— এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, আমাদের ওসিভি (আউট অব কান্ট্রি ভোটিং) ও আইপিসিভি (ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং) সিস্টেম নিয়ে বড় কাজ চলছিল। এই সময়ে এসব নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এখন কাজ শেষ হওয়ায় আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছি। এ ছাড়া, ভোটের মাঠে প্রার্থীদের চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টিও এনআইডি কার্যক্রম বন্ধ থাকার অন্যতম কারণ।

উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এনআইডি সংক্রান্ত যেকোনো ভুল তথ্য প্রদান বা পরিবর্তন ঠেকাতে গত বছরের ২৪ নভেম্বর থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রেখেছিল ইসি। আজ নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এটি আবারও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হলো।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ, ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

Published

on

By

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গভীর ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ-সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি জনসমাবেশে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া হয়। যেখানে তিনি বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভন্ডুল করতে তার দলীয় সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং নিজ ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।

বাংলাদেশ সরকারের মতে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে’র অনুমতি দেওয়া রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা—সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ না করা। এ ছাড়া সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ‘চক্রান্ত’ নস্যাৎ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় সরকার।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের পর এই প্রথম ২৩ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে আসেন শেখ হাসিনা।

Continue Reading

top1

নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতায় দায়ী হবে আ.লীগ : অন্তবর্তী সরকারের বিবৃতি

Published

on

By

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ‘নির্বাচন বানচালে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি’ রয়েছে উল্লেখ করে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি’ বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকার বলছে, দিল্লিতে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন।

এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।

‘এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’—উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরকার বলছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

Continue Reading

Trending