Connect with us

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবিতে সুনামগঞ্জ স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নবীনদের বরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অধ্যয়নরত সুনামগঞ্জ জেলার ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ প্রোগ্রাম করেছে সুনামগঞ্জ স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশন অব সাস্ট। নবীনবরণ শেষে একটি জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের লোকসংগীত ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরে গীতিকবি হাসন রাজা, রাধারমণ দত্ত ও বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের গান পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি সুনামগঞ্জের লোক ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ ধামাইল গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বিল্ডিংয়ের ১২৯ নং (গ্যালারি রুম) কক্ষে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুল দিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোস্তাক আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাগর মিয়ার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক ও সুনামগঞ্জ স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জলিল, অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুখলেছুর রহমান পারভেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট শামীম, শাবিপ্রবির অ্যাডিশনাল লাইব্রেরিয়ান মতিউর রহমান খান, ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান সেবিকা সুলতানা, ইবনে সিনা রিকাবীবাজার শাখার ইনচার্জ রেজাউল করিম, শাবিপ্রবির ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর শরীফ সোহাগ, জনসংযোগ কর্মকর্তা জুনেদ আহমেদ এবং অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি সাদিকুর রহমান সাদিকসহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বক্তব্যের শুরুতেই সুনামগঞ্জ স্টুডেন্ট’স অ্যাসোসিয়েশনের সকল সদস্যকে সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। পরে নবীনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘তোমরা নিজেরা ভালো মানুষ হবে। নিজেদের সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলবে এবং জীবনে যে অবস্থানেই যাও না কেন, সততা, মানবিকতা ও নৈতিকতাকে সবসময় ধারণ করবে। নিজেদের জন্য ও পরিবারের জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলবে। তবেই সমাজ ও দেশ উপকৃত হবে।’’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে ‘ফেরা’য় বাকৃবি মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের নতুন যাত্রা 

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি

দীর্ঘ বিরতির পর নতুন কমিটির হাত ধরে আবারও সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট’। নতুন কমিটির প্রথম আয়োজন হিসেবে ‘ফেরা’ শিরোনামে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন যাত্রা শুরু করেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ‘পুরনো পথে নতুন পথ চলা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মোট ১৮টি গান পরিবেশিত হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিভু কুমার সাহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের আয়োজনে মিউজিশিয়ানদের নিয়মিত অংশগ্রহণ ও গান পরিবেশনের সুযোগ সীমিত থাকায় ক্যাম্পাসের সংগীতপ্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়োজন থেকেই মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য সংগীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।

তিনি জানান, প্রথম কমিটির অধীনে সংগঠনটি সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দ্বিতীয় কমিটির সময়ে বিভিন্ন কারণে কার্যক্রম থেমে যায়। একই সময়ে ক্যাম্পাসের অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রমও অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক চাঁদ রাত উপলক্ষে ‘মুনলিট নাইট’ আয়োজন করা হলেও নতুন কমিটি না থাকায় পরবর্তী সময়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।

রিভু কুমার সাহা আরও বলেন, ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নতুন করে সক্রিয় হতে শুরু করলে মিউজিক্যাল রেজিমেন্টকেও পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। শিক্ষক প্রতীক, ফরহাদ কাদির ও শহিদুলের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় ‘ফেরা’ আয়োজন সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাকৃবির পুরোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর অন্যতম মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের সঙ্গে বর্তমানে গান ও বাদ্যযন্ত্রচর্চায় আগ্রহী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। নতুন কমিটি তাদের প্রতিভা ও উদ্যমকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

দীর্ঘ বিরতি ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নতুন কমিটি গঠন এবং ‘ফেরা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাকৃবির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আবারও যাত্রা শুরু করল মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবির রিআর্থ ক্লাবের নেতৃত্বে আল শাহারিয়া ও হাফিজ আল হিমু

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন রিআর্থ ক্লাব, বেরোবি-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

২ অক্টোবর ঘোষিত ৩৮ সদস্যের নতুন কমিটিতে আল শাহারিয়া সভাপতি, হাফিজ আল হিমু সম্পাদক এবং প্রতীক গোলদার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ডকুমেন্টেশন, যোগাযোগ ও প্রচার, অর্থ ও প্রশাসন, স্টাডি সার্কেল এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত ছয় মাস।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, পূর্বের সক্রিয়তা, অংশগ্রহণ, অবদান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বিবেচনার পাশাপাশি প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি আল শাহারিয়া বলেন, “আমরা শুরু থেকেই পরিবেশ ও সমাজের নানা প্রশ্নকে তরুণদের চিন্তা, আলোচনা ও অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে আসছি। নতুন কমিটির মাধ্যমে আমরা এই কাজকে আরও সংগঠিত ও বিস্তৃত করতে চাই। পরিবেশ, জলবায়ু ও সামাজিক ইস্যুতে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের বোঝাপড়া, চিন্তাশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”

সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল হিমু বলেন, “সাধারন সম্পাদক হিসেবে আমার লক্ষ্য থাকবে এই যাত্রাকে আরও কার্যকর ও অংশগ্রহণমূলক করা এবং আমাদের কাজের মাধ্যমে সমাজ ও পরিবেশবিষয়ক চিন্তার জগৎকে আরও শানিত করা।”

কমিটিতে তীর্থাঙ্কর রায় সহসভাপতি, আদিয়াত খান সাংগঠনিক সম্পাদক, পায়েল আহমেদ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, নীলাদ্র মোহাইমিন ডকুমেন্টেশন লিড, আল তাবাসসুম শুভা এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনস সম্পাদক, জান্নাতুল মাওয়া ফাইজা প্রচার সম্পাদক, নাফসে জাকিয়া নাবিলা কোষাধ্যক্ষ এবং নিলয় দাস প্রশাসনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

নতুন কমিটির সদস্যদের সহযোগিতায় রিআর্থ ক্লাব, বেরোবি-এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি পরিবেশ, জলবায়ু, দুর্যোগ ঝুঁকি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির উপদেষ্টারা।

রিআর্থ ক্লাব, বেরোবি তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করা একটি যুব সংগঠন। সংগঠনটির স্লোগান— “ন্যায়, সহনশীলতা ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন।”

Continue Reading

top3

নাম পরিবর্তন ও অনুষদ বদলের দাবি, বিপক্ষে আরেক পক্ষের স্মারকলিপি

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নাম ও অনুষদ পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘কমিউনিকেশন, মিডিয়া অ্যান্ড ফিল্ম স্টাডিজ’ করার পাশাপাশি বিভাগটিকে কলা অনুষদ থেকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে, আরেক পক্ষ বর্তমান নাম ও অনুষদ বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নামের পরিবর্তন চাওয়া শিক্ষার্থীরা দাবি বাস্তবায়নে বিভাগের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’, ‘মিডিয়ার সঙ্গে কমিউনিকেশন যুক্ত চাই’, ‘কারিকুলাম গ্লোবাল, ফ্যাকাল্টি কেন লোকাল’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শিক্ষার্থীরা বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি জমা দেন। পরে বিভাগের একাডেমিক কমিটির সুপারিশ ও একাডেমিক কাউন্সিলে উত্থাপনের পর সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি বিভাগের নাম পরিবর্তন এবং বিভাগটিকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্থানান্তরের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিভাগের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইনজামুল হক অভি ফকির বলেন, আমরা প্রায় ১৪ মাস ধরে বিভাগের নাম পরিবর্তন ও অনুষদ পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করছি। কিন্তু এখনো বিভাগের নাম পরিবর্তন করা হয়নি। আমরা এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি বিভাগের নাম পরিবর্তন না হয়, তাহলে তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলব।

বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহসিন হক শাহ বলেন, আমরা কমিউনিকেশনের একাধিক কোর্স করছি এবং পড়াশোনার একটি বড় অংশ কমিউনিকেশনভিত্তিক। কিন্তু বিভাগের নামের সঙ্গে কমিউনিকেশন না থাকায় চাকরির ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। এছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগটি কলা অনুষদের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের একাডেমিক কাঠামো ও পড়াশোনার ধরন বিবেচনায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে নেয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে এদিন নাম পরিবর্তনের বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির যৌক্তিকতা জানিয়ে উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা ফিল্মিং ক্যারিয়ারে অনেক ভালো করছে। বিভাগটি শুরু থেকে ফিল্মকে প্রাধান্য দিয়েই কাজ করে আসছে। এ মুহূর্তে বিভাগের নাম পরিবর্তন হলে বিভাগটি তার স্বকীয়তা হারাবে। পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীরাও পরিচয়হীনতায় ভুগবে।

সেখানে আরও বলা হয়, বিভাগে ইতোমধ্যে ফিল্ম ও মিডিয়া সম্পর্কিত কোর্স কমিয়ে নতুনভাবে সাংবাদিকতার কোর্স যুক্ত করা হয়েছে, যা অনুচিত। বিভাগটি পারফর্মিং আর্টসের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কলা অনুষদে এর অবস্থান। একে জোরপূর্বক নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন অনুষদের অধীনে নেয়া হলে যেসব শিক্ষার্থী ফিল্ম পড়তে আগ্রহী, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হবে।

বিভাগটির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর রানা বলেন, ফিল্ম ও গণযোগাযোগ দুটি আলাদা বিষয়। বিভাগে আমরা ভর্তি হয়েছি ফিল্ম নিয়ে বিশদ জ্ঞান অর্জনের জন্য। কিন্তু এখন যদি নাম পরিবর্তন করে ফিল্মকেই সবথেকে দুর্বল করে দেয়া হয়, তাহলে আমাদের পড়াশোনার উদ্দেশ্য সফল হবে না। বহুমুখী চাপে অনেক শিক্ষার্থী ফিল্মের পক্ষে থাকলেও বাধ্য হয়ে এই আন্দোলনে গিয়েছে।

এ বিষয়ে বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক মনোজ কুমার প্রামাণিক বলেন, শিক্ষার্থীরা বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবি না তুলে সাংবাদিকতা বিষয়ে নতুন বিভাগ খোলার দাবি তুললে তা যৌক্তিক হতো। ফিল্ম বিষয়ে পড়ার জন্য সব জেনেই তারা ভর্তি হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের কাজের মাধ্যমে সুনাম কুড়াচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের। কিন্তু এখন এসব পরিবর্তন করে বিভাগকে ভিন্ন দিকে নেয়ার দাবিটি যৌক্তিক না।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দাবি যৌক্তিক প্রমাণিত হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী ৩ অক্টোবর সিন্ডিকেটের সব সদস্য এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার সুযোগ নেই। সিন্ডিকেটের ১৪ সদস্যের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারি না। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর দাবিকে গুরুত্ব দেয়া হবে।

Continue Reading

Trending