Connect with us

top1

শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পরবর্তী শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

Published

on

জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযোগ গঠন পিছিয়ে আগামী মাসের ৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছেন আদালত। 

ঢাকার বিশেষ জজ ৯ এর বিচারক আব্দুস সালামের আদালতে বুধবার এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য ধার্য ছিল।

এই মামলায় কারাগারে থাকা ৩০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজন নারী ও ২৫ জন পুরুষ আসামি ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবীরা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে সকল আসামির পক্ষে অব্যাহতির শুনানি শেষ না হওয়ায় আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১১ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জেনিফার জেরিন মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দেন। পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

এ মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দেখানো উল্লেখযোগ্য অপর আসামিরা হলেন-মো. ইব্রাহীম খলিল বিপুল, মো. আব্দুস সবুর, মোছা.ছানোয়ারা খাতুন, মেহেদী হাসান আকাশ, এ কে এম আকতারুজ্জামান, কে এম রাশেদ, মোছা. মেরিনা খাতুন মেরি, সুশান্ত ভৌমিক, নিজাম বারী, জাহাঙ্গীর আলম, শেখ আনিচুজ্জামান আনিচ, মো. আকরামুল আলম, মো. নুর উন নবী মন্ডল দুলাল মাস্টার্স,  মো. সাইফুল ইসলাম সর্দার, কাজী আবুল কালাম, মোছা.ফেন্সী, কে এম শাহ নেওয়াজ ওরফে শিবলু, রফিকুল ইসলাম, জিন্নাত সুলতানা ঝুমা, মেহেদী হাসান ঈশান ও জনি চন্দ্র সূত্রধর।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মিটিংয়ে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গঠন করে একটি গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পলাতক শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বুঝিয়ে দেয়া এবং তা নিশ্চিতকরণের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত যুদ্ধ করে যাবেন বলে অনেকেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মোট ৫৭৭ জন অংশগ্রহণকারী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উক্ত জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে এবং শেখ হাসিনার সমস্ত নির্দেশ পালন করার ব্যাপারে একাগ্রচিত্তে মত প্রকাশ করেন। ড. রাব্বি আলমের (যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি) হোস্টিং এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হোস্ট, কো-হোস্ট ও অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীদের কথোপকথনে ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামক প্লাটফর্মে দেশ-বিদেশ থেকে অংশগ্রহণকারীগণ বৈধ সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে দিবে না মর্মে আলোচনা হয়।

সেই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মিটিং এ বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার জন্য গৃহযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের সুস্পষ্ট উপাদান রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। এরপর সিআরপিসির ১৯৬ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সিআইডির এই কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

মামলাটি তদন্ত শেষে গত বছরের ১৪ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে সকল আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম, জয়বাংলা বিগ্রেডের সদস্য কবিরুল ইসলাম, এডভোকেট কামরুল ইসলাম, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, জাকির হোসেন জিকু, প্রফেসর তাহেরুজ্জামান, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা সাবিনা ইয়াসমিন, আজিদা পারভীন পাখি, শাহীন, এডভোকেট এএফএম দিদারুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাবেক এমপি পংকজ নাখ, লায়লা বানু, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রিতু আক্তার, নুরুন্নবী নিবির, সাবিনা বেগম ও শরিফুল ইসলাম রমজান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যার দাবি নেতানিয়াহুর

Published

on

By

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে পরোক্ষভাবে হত্যার হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন।

নেতানিয়াহু বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের ফলে ইরান এখন আর আগের অবস্থানে নেই। তার দাবি, তেহরানের এলিট ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান যাতে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক কর্মসূচি ভূগর্ভে সরিয়ে নিতে না পারে, সে লক্ষ্যেই ইসরায়েল কাজ করছে। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলের কয়েকটি হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় পরমাণু বিজ্ঞানীরা নিহত হয়েছেন।

এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটির ওপর হামলা অব্যাহত রাখারও অঙ্গীকার করেন নেতানিয়াহু।

সংবাদ সম্মেলনে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের বিরুদ্ধে ইসরায়েল কী ব্যবস্থা নিতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতাদের কারও জন্যই আমি জীবন বিমা ইস্যু করতাম না।” তবে ইসরায়েল কী পরিকল্পনা করছে বা পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাননি তিনি।

নেতানিয়াহুর দাবি, তেহরান এবং হিজবুল্লাহ এখন আর আগের মতো হুমকি তৈরির অবস্থানে নেই।

তিনি আরও বলেন, ইরানে সরকার পরিবর্তনের (রেজিম চেঞ্জ) মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে সে সিদ্ধান্ত ইরানের জনগণকেই নিতে হবে। “দিন শেষে এটি আপনাদের ওপর নির্ভর করছে। এটি আপনাদের হাতেই,”—বলেন তিনি।

এ সময় নেতানিয়াহু জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি প্রতিদিনই ‘অকপটে’ কথা বলছেন।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top1

মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে: মোজতবা খামেনি

Published

on

By

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তার রেকর্ড করা ভাষণটি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচার করা হয়। এর আগে গত রোববার তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন।

ভাষণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘ইরান তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাস করে এবং তাদের লক্ষ্যবস্তু কেবল মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। এসব হামলা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।’

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়ে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি এখনই বন্ধ করতে হবে; অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।’

বর্তমান সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের শহীদদের রক্তের বদলা নেব।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে অঞ্চলের বেশ কিছু দেশ। তবে তেহরানের দাবি তারা কেবল মার্কিন সামরিক সম্পদকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালিয়েছে।

সামরিক বাহিনীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘আমি সেই সাহসী যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা এই কঠিন সময়ে দুর্দান্ত কাজ করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা (হুতি) এবং ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও ইরানকে সাহায্য করতে চায়। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে।’

দেশবাসীর জন্য কিছু জনকল্যাণমূলক ঘোষণাও দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তিনি জানান—যুদ্ধে আহতদের সরকারিভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তাদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে।

Continue Reading

top1

ঝিনাইদহে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

Published

on

By

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে উপজেলার জালিয়া পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জালিয়া পাড়া জামে মসজিদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদশা মিয়া এবং আশরাফুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে কমিটি গঠন নিয়ে পুনরায় উভয়পক্ষ বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে শৈলকূপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, আহতরা কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Continue Reading

Trending