Connect with us

বিনোদন

সংসার ভাঙার কারিগর তিথি; আলভীর নারী আসক্তি ফাঁস করলেন রিমু

Published

on

অভিনেতা যাহের আলভীর দেওয়া বিস্ফোরক স্ট্যাটাসের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন তারই প্রতিবেশী রিমু রোজা খন্দকার। শনিবার সকাল ১১টা ৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আলভীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে তিনি আলভী ও অভিযুক্ত অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসিন্দা রিমু তার দীর্ঘ পোস্টে দাবি করেন যে তিনি আলভী ও ইকরার পারিবারিক অনেক কিছুই খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আলভী অসুস্থ থাকার সময় ইকরা কীভাবে তার সেবা করেছেন, সেটি তিনি নিজের চোখে দেখেছেন। আলভীর অতীত টেনে রিমু প্রশ্ন তুলেছেন যে ইকরা যদি অন্য কাউকে বিয়ে করেই থাকেন, তবে আলভী কেন তাকে পুনরায় গ্রহণ করেছিলেন। ইকরার বিরুদ্ধে ওঠা মদ্যপান ও নেশার অভিযোগের জবাবে রিমু আলভীকে উদ্দেশ্য করে জানতে চান তিনি নিজে কখনো এসব করেছেন কি না। উল্টো তিনি আলভীর বিরুদ্ধে জুয়া ও নারীতে আসক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এই পোস্টে রিমু দাবি করেছেন যে তিনি নিজে আলভী ও তিথিকে পুবাইল, তিনশ ফিট, মাওয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে দেখেছেন। তার দাবি অনুযায়ী এই বিষয়ে তিথিকে সতর্ক করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন যে এসব তার ভালো লাগে। রিমু তার পোস্টে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য দিয়ে জানান যে সাহিল রনি নামের এক ক্যামেরাম্যান এই তিথির প্রেমে পড়ে নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তিথিকে বিয়ে করে তাকেও ডিভোর্স দেন।

শুধু তিথি নন, তার পরিবারের বিরুদ্ধেও গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এনেছেন রিমু। তিথির বাবার বিরুদ্ধে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তোলার পাশাপাশি তার মায়ের অন্য সম্পর্ক থাকার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি। রিমু জানান গত বছর আলভীর জন্মদিনে ইকরা বাধ্য হয়ে তিথিকে দাওয়াত দিয়েছিলেন, কারণ ইকরার ভয় ছিল তিথিকে দাওয়াত না দিলে তাঁর সংসার ভেঙে যেতে পারে।

নিজের স্ট্যাটাসে রিমু আরও উল্লেখ করেন যে আলভী ইকরাকে সময় দিতেন না বলেই হয়তো তার ছেলে বন্ধু থাকতে পারে। ইকরার মৃত্যুর পর আলভী ও তিথির ভাইরাল হওয়া এবং ফলোয়ার বাড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে রিমু আক্ষেপ করে বলেন ভাইরাল হওয়া মানেই সব মিথ্যা সত্য হয়ে যায় না। পোস্টের শেষ অংশে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে তিথির পরিবার এখন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বা অন্য কারও ক্ষতি করতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিনোদন

স্ত্রীর জানাজায়ও আসলেন না আলভী, শায়িত হলেন ইকরা

Published

on

By

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) বাদ আসর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের রান্দিয়া গ্রামে নানা বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা থেকে ইকরার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে এলাকার আকাশ-বাতাস।

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় ইকরার বাবা তার মেয়ের মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত হত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, অভিনেতা যাহের আলভী এবং তার মায়ের ক্রমাগত মানসিক প্ররোচনা ও নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্বজনদের দাবি, দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইকরাকে চরম বঞ্চনা ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হতে হয়েছে। তাদের অভিযোগ, আলভীর অনৈতিক জীবনযাপন ও অবহেলাই এই করুণ পরিণতির মূল কারণ।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় অভিনেতা যাহের আলভী ঈদুল ফিতরের নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছিলেন।

ইকরার মৃত্যুর পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে আলভীর বিরুদ্ধে এক সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন ইকরা। ওই কথোপকথনে তার চরম মানসিক বিপর্যস্ত হওয়ার চিত্রও ফুটে ওঠে।

জনপ্রিয় অভিনেতার স্ত্রীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে ভালুকার ওই গ্রামসহ সারা দেশে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ও ভক্তদের দাবি, এই মৃত্যুর পেছনে যদি কারো প্ররোচনা থাকে, তবে তাকে যেন অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হয়।

Continue Reading

বিনোদন

বয়স বাড়ার সঙ্গে আরও ‘অ্যাডভেঞ্চারাস’ হচ্ছেন জয়া আহসান

Published

on

By

পশ্চিমবঙ্গে ৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ওসিডি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। সিনেমাটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিনয়, দুই বাংলার সিনেমা এবং ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

দুই বাংলার সিনেমা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জয়া বলেন, তিনি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ—দুই ইন্ডাস্ট্রির কাজ নিয়েই সমানভাবে আশাবাদী। ‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য বড় পরিসর ছিল। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’-র মতো ভিন্ন ঘরানার ছবিতে কাজ করেছেন। তার ভাষায়, তিনটি সিনেমাই আলাদা মাত্রার—একটি পারিবারিক, একটি ক্ল্যাসিক ধারার এবং ‘ওসিডি’-তে রয়েছে শক্তিশালী সামাজিক বার্তা।

বাংলাদেশের সিনেমা প্রসঙ্গে জয়া বলেন, নানা পরিস্থিতির মধ্যেও গত বছর তার অভিনীত ‘উৎসব’ ও ‘তান্ডব’ ব্লকবাস্টার সাফল্য পেয়েছে। সামনে আরও কয়েকটি ভালো কাজ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে যা নিয়ে তিনি আশাবাদী।

দুই বাংলার সিনেমা পারস্পরিকভাবে মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ করেন জয়া। তার আশা অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত জায়গা নয় বরং এটি তার পেশাদার ইমেজের একটি আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম। যদিও মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন।

সাক্ষাৎকারের শেষ অংশে ‘র‍্যাপিড ফায়ার’ পর্বে বয়স বাড়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে জয়া জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের মধ্যে বাবার ছাপ খুঁজে পাচ্ছেন—এ বিষয়টি তিনি উপভোগ করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে তিনি আরও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন। কোনো কিছু করতে নিজেকে ‘না’ বলেন না তিনি

Continue Reading

top1

গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

Published

on

By

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরগরম এখন দেশের প্রতিটি অঙ্গন। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি- সবার মুখে মুখে এখন চলছে ভোটের আলোচনা। এদিকে বাংলাদেশের লোকসংগীত, গ্রামীণ ও বাউল গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতিও সরব হয়েছেন নির্বাচনে। এবার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেছেন লোকসংগীতের মহাতারকা খ্যাত এ শিল্পী।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি ভোটবিষয়ক একটি পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ করেননি।

আর তার এ মন্তব্যের পর কমেন্ট সেকশনে তার সমর্থনে আসছে নানা মন্তব্য। প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকেই।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব থাকেন কুদ্দুস বয়াতি।

আবদুল কুদ্দুস বয়াতি ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক নির্মিত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গাওয়া ‘এই দিন, দিন না আরও দিন আছে’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন।

তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার অন্তর্গত রাজীবপুর গ্রামে।

Continue Reading

Trending