Connect with us

ক্যাম্পাস

সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গোবিপ্রবি শিক্ষকের চাকরি বাতিল

Published

on

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সর্বসম্মত মতামত অনুযায়ী, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার  মো: এনামুজ্জামান  স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৩/০৬/২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফাতেমা খাতুন এর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট এবং শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডের সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে এই ঐকমত্যে পৌঁছান যে, তিনি সরকারি চাকুরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত (Moral Turpitude) অভিযোগে সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এমতাবস্থায় উক্ত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩/০৬/২০২৬ তারিখ (৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড অনুষ্ঠানের তারিখ) থেকে জনার ফাতেমা খাতুন (সহকারী অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, গোবিপ্রবি) কে বিশ্ববিদ্যাদয়ের শিক্ষক পদ হতে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করা হলো। অধিকন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হতে তাঁর দ্বারা গৃহিত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরাত দেওয়ার সিদ্ধান্তও গৃহিত হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

শহীদ আবরার ফাহাদ হল সংযুক্তির জন্য ছাত্র উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি প্রদান

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি ইউনিটভুক্ত (আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এবং আরবী ভাষা ও সাহিত্য) বিভাগের শিক্ষার্থীরা শহীদ আবরার ফাহাদ হলে সংযুক্তির জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের কাছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও আমাদেরকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলে সংযুক্ত দেওয়া হয়নি। অথচ পরবর্তী সময়ে অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থীকে উক্ত হলে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে আমাদের মধ্যে গভীর হতাশা ও বঞ্চনার অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। সকল শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব।

তারা আরও বলেন, একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও হল সংযুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের প্রতি যে ভিন্নতর আচরণ করা হয়েছে, তা ন্যায্যতা ও সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমাদের পরবর্তীতে ভর্তি হওয়া অন্যান্য ইউনিটের শিক্ষার্থীরা শহীদ আবরার ফাহাদ হলে সংযুক্তির সুযোগ পেলেও আমরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছি। ফলে আমাদের মধ্যে বৈষম্যের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, একটি যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন, শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোস্ট, উপ-রেজিস্ট্রার এবং প্রভোস্ট কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও যোগাযোগ করেছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও আলোচনার পরও এখন পর্যন্ত আমাদের হল সংযুক্তির বিষয়টির একটি সুস্পষ্ট ও কার্যকর সমাধান আমরা পাইনি। বিষয়টির চূড়ান্ত ও ন্যায়সংগত সমাধানে উপাচার্যের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করে।

তারা উল্লেখ করে, বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি ইউনিটভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ হলে ১০০টি আসন প্রদানের বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তাদের আবাসনসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা অনেকাংশে দূর হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে উল্লেখ করেন, ইনসাফ ও ন্যায্যতার দিক বিবেচনা করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি ইউনিটভুক্ত শিক্ষার্থীদের শহীদ আবরার ফাহাদ হলে সংযুক্তির (Attachment) ব্যবস্থা গ্রহণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আবেদন করেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন ববি শিক্ষার্থী হুসাইন 

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি 

দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়(ববি) বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হুসাইন ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১২টা ১৫মিনিটে  মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা বিভাগের সভাপতি ড. শারমিন আক্তার। গত ৯ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত। একই বিভাগে পর পর দুটি অকাল মৃত্যুর ঘটনায় বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। 

হুসাইনের মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে ভারতে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব ছিলো না। এতে এগিয়ে আসে হোসাইনের সহপাঠীরা। তার চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে হুসাইনের চিকিৎসা চালিয়েছেন তারা। অবশেষে সবকিছু হার মেনে পরপারে পাড়ি জমিয়েছে হুসাইন। 

জানা গেছে, হুসাইন কে দুটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় কেমোথেরাপিতে হুসাইন কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠে। চিকিৎসকরা হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে গিয়ে কিছুদিন বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন।

তবে হুসাইনের হঠাৎ করে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হওয়া তাকে আবার আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। 

বাংলা বিভাগের সভাপতি ড. শারমিন আক্তার বলেন, হুসাইনের মৃত্যুর খবরে শুনে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। তাকে এখন ভারতে থেকে নিয়ে আসতেছে। হুসাইন ছেলেটা খুব ভালো এবং লাজুক স্বভাবের ছিল। এভাবে চলে যাবে আমরা কল্পনা করি নাই। একটি শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আরো একটি শোক এতে বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনেকটা ভেঙে পড়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য তিন দিনব্যাপী বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সামনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। মেডিকেল সেন্টার, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ‘বাঁধন’ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সহযোগিতায় ১৭ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এই বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাঁধনের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাঁধন প্রতি বছরই শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার এই মানবিক আয়োজন করে থাকে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। রক্তের গ্রুপ জানা সবার জন্যই অত্যন্ত জরুরি। উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ ডাটাবেস তৈরি হচ্ছে, যা জরুরি প্রয়োজনে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরই নয়, সাধারণ ও দরিদ্র রোগীদের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ জাহিদ হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর মোঃ ফেরদৌস রহমান, মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. এ. এম. এম শাহরিয়ারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending