Connect with us

top3

স্যামসাং গ্যালাক্সি S24 আল্ট্রা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির নতুন দিগন্ত!

Published

on

​স্যামসাংয়ের S24 আল্ট্রা বাজারে আসার পর থেকেই প্রযুক্তি বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছে। এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI)integration-এর মাধ্যমে ফটোগ্রাফির অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুনS24 আল্ট্রা-এর ক্যামেরা শুধু মেগাপিক্সেল আর অপটিক্যাল জুমেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি AI ব্যবহার করে ছবি তোলার প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি স্মার্ট এবং সহজ করে তুলেছে।
​নাইটোগ্রাফি জুম: রাতের অন্ধকারে ছবি তোলার ক্ষেত্রে S24 আল্ট্রা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে। এর “নাইটোগ্রাফি জুম” ফিচারটি AI-এর সাহায্যে কম আলোতেও উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট ছবি তুলতে সাহায্য করে। এখন আর রাতের পার্টি বা তারার ছবি তোলার জন্য আলাদা করে পেশাদার ক্যামেরার প্রয়োজন হবে না।
​এডিট সাজেশন্স: ছবি তোলার পর তা এডিট করা নিয়ে চিন্তা? S24 আল্ট্রা-এর AI আপনার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে এডিট সাজেশন্স দেবে। ছবির ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তা ঠিক করার জন্য এটি বিভিন্ন অপশন দেখাবে, যা আপনার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
​জেনারেটিভ এডিট: এটি S24 আল্ট্রা-এর সবচেয়ে যুগান্তকারী ফিচারগুলোর মধ্যে একটি। যদি আপনার ছবিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তু থাকে বা ছবির ফ্রেম ঠিক না থাকে, তবে জেনারেটিভ এডিট ফিচারের মাধ্যমে AI স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই অংশটি পূরণ করে দেবে। এটি অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে, যেখানে আপনি ছবির বিষয়বস্তু পরিবর্তন করতে পারবেন বা নতুন কিছু যোগ করতে পারবেন।
​রিয়েল-টাইম অবজেক্ট ডিটেকশন:S24 আল্ট্রা-এর ক্যামেরা AI ব্যবহার করে রিয়েল-টাইমে ছবির বিভিন্ন বস্তুকে চিনতে পারে এবং সে অনুযায়ী ক্যামেরা সেটিংস অ্যাডজাস্ট করে। ফলে প্রতিটি ছবি হয় নিখুঁত এবং প্রাণবন্ত।
​স্যামসাং গ্যালাক্সি S24 আল্ট্রা শুধুমাত্র একটি ফোন নয়, এটি ফটোগ্রাফি এবং প্রযুক্তির এক নতুন মেলবন্ধন। যারা স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিতে নতুন কিছু খুঁজছেন, তাদের জন্য S24 আল্ট্রা হতে পারে সেরা পছন্দ।

Mustafa Wasif Allvi
MSc in Data Science, University of Postdam, Germany

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে লালন শাহ হল আন্তঃব্লক ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) লালন শাহ হল স্পোর্টস সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃব্লক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দল ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ এবং রানার্সআপ হয়েছে দল ‘অভ্যুত্থান’।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় লালন শাহ হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক, হলের হাউস টিউটরগণ এবং হল স্পোর্টস সোসাইটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আটটি ব্লকের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে ফাইনালে ওঠে ‘অভ্যুত্থান’ ও ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ দল। এদিন নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় খেলা গোলশূন্য ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে ‘অভ্যুত্থান’কে ৩-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’। ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন দল ‘অভ্যুত্থান’-এর জুনায়েদ এবং টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন দল ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’-এর মিজান।

লালন শাহ হল স্পোর্টস সোসাইটির সভাপতি রফিক বলেন, “শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতাই আমাদের লক্ষ্য নয়; হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় ভ্রাতৃত্ববোধ, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা আমাদের মানসিক বিকাশ ও শারীরিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “ফুটবল খেলার মাধ্যমে আমরা শরীরচর্চার পাশাপাশি দলগতভাবে কাজ করা এবং নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি অর্জন করি। ফুটবল খেলে আমরা সবাই মেসি বা নেইমার হব না, তবে ঐক্যবদ্ধভাবে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে কাজ করতে শিখব। এসব দক্ষতা আমাদের পরবর্তী কর্মজীবনে অনেক কাজে লাগবে। পাশাপাশি হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অন্যতম মাধ্যম এই টুর্নামেন্ট।”

Continue Reading

top3

ট্যুরিজম বিভাগে জিপিএস ভিত্তিক ভূ-স্থানিক প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মশালা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের
পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পর্যটন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় জিপিএস ভিত্তিক ভূ-স্থানিক (জিওস্পেশাল) প্রযুক্তি বিষয়ক সক্ষমতা উন্নয়নের এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ষষ্ঠ তলায় টিএইচএম বিভাগের ৬২৪ নং কক্ষে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় টিএইচএম বিভাগের প্রভাষক মোছা. খাদিজাতুল কোবরার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ মিয়া ও রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইনজামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা সহ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

রিসোর্স পার্সন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইনজামুল হক কর্মশালায় জিপিএস (GPS)-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে একটি পর্যটন স্থান নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিদর্শন করা যায় এই বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন।

তিনি আরও বলেন, জিপিএস ব্যবহার করে পর্যটন স্থানের সঠিক অবস্থান ও রুট সহজে নির্ধারণ করা যায়। অপরিচিত এলাকায় পথ হারানোর ঝুঁকি কমে। পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জিপিএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জরুরি পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান দ্রুত উদ্ধারকারী দলের কাছে পাঠানো সম্ভব। পর্যটন পরিকল্পনা, রুট ব্যবস্থাপনা এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহে জিপিএস প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর।

এ কর্মশালার কোর্স ফ্যাসিলিটেটর (ট্যুরিজম জিওগ্রাফি ও প্রভাষক মোছা. খাদিজাতুল কোবরা বলেন, আজকের কর্মশালায় একটা ট্যুরিজমের ডেস্টিনেশন কিভাবে ট্র্যাক করবে এবং সেই ট্যুরিজমের এট্রাকশনগুলো হাইলাইট করবে তা দেখানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে– একটা ট্যুরিজম স্পটের সেইফ জোন, রেস্ট্রিকটেড এরিয়া; একটা পাহাড়ে উঠতে গেলে কোন পাশটা নিরাপদ, ট্যুরিস্ট কোথায় কতজন আসছে-যাচ্ছে ইত্যাদি এগুলো ট্র্যাকিং করে প্ল্যান করা। এর মাধ্যমে ট্যুরিজম আরও নিরাপদ করা। এগুলো মানুষ দিয়ে না বলে জিপিএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে ট্র্যাক করে আমরা বলতে পারব। মূলত শিক্ষার্থীদের একটা ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন ম্যানেজ করা এবং প্রপার প্ল্যান করা শেখানো হয়েছে ।

Continue Reading

top3

ববিতে পালিত হলো ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

​বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে (ববি) ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত করার ঐতিহাসিক দিনটি স্মরণে ক্যাম্পাসে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত স্বাধীন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। সেই গৌরবময় দিনটিকে স্মরণ করে আজ রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই স্মৃতিফলক ও জুলাই-২৪ স্মরণিকা প্রস্তুতকরণ কমিটির আহবায়ক এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ।

ববির রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফ্যাসিস্ট মুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিতি পেলেও মূলত এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।”

ববি ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন তার বক্তব্যে, “আওয়ামী লীগ ও ছাত্র লীগের দোসরদের বিচারের দাবি জানান।”

ববি প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ তাঁর বক্তব্যে জানান, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিকামী শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের রাষ্ট্রয়ন্ত প্রতিহত করে এই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করেন। তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা থাকবে । “

জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জানান ,​”বাংলাদেশ তার নিজস্ব গতিতে চলবে, অন্য কারো ইচ্ছায় এদেশ পরিচালিত হবে না। জুলাই আমাদেরকে এ শিক্ষাই দেয়।দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ও আর্থিক খাত। শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জাতিকে মেধা শূন্য করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ হারুন-অর-রশিদ, শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট ড. আবদুল আলিম বছির এবং কর্মকর্তাদের পক্ষে প্রকৌশল শাখার উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশীদ আবেদীন এবং কর্মচারীদের পক্ষে হাসানুজ্জামান ও ইব্রাহিম বক্তব্য প্রদান করেন।

Continue Reading

Trending