Connect with us

রাজনীতি

হাজী সেলিমের বাসায় যৌথবাহিনীর অভিযান, গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার ৬ টি গাড়ী

Published

on

ডেস্ক নিউজ

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ওই বাসাটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রোববার দুপুর থেকে সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের বাসায় যৌথবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমাদের কাছে নেই।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ভবনটির আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবনের ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, গুলশানারা মাসুদা টাওয়ার নামে পরিচিত ওই ভবনটিতে পাওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে একটি সংসদ সদস্যের লোগো সংবলিত গাড়িও রয়েছে। তবে বাড়িটির ম্যানেজার গাড়িগুলো সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেননি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

জামায়াত-এনসিপির মব সৃষ্টির সুযোগ নিতে পারে আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা সচিবালয়ের সামনে মব সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, জামায়াত-এনসিপির মব সৃষ্টির সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফেরার অপচেষ্টা করতে পারে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘তারা বিদেশি অতিথিদের সামনে সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে মব সৃষ্টি করছে। জামায়াত-এনসিপির মব সৃষ্টির সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফেরার অপচেষ্টা করতে পারে।’

সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময়ও সচিবালয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু বৃহস্পতিবার ‘সচিবালয় ঘেরাও’-এর নামে সেখানে মব তৈরি করা হয়েছে।

জামায়াতকে ‘হঠকারী দল’ আখ্যা দিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, সুযোগ পেলে তারা ১০ মিনিটের মধ্যে সচিবালয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দেবে।

গত ৫ আগস্টের জাতীয় কর্মসূচির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বেও আরেকটি মব সৃষ্টি করা হয়েছে। বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তবে তা জামায়াত ও এনসিপির মাধ্যমে ফিরে আসবে। আর আওয়ামী লীগ ফিরে এলে আমাদেরও মারবে, তাদেরও মারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের পতন ঘটাতে চায়। জামায়াত ভুলে গেছে, তারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। কাজেই তারা কখনোই দেশের ক্ষমতায় যেতে পারবে না। ক্ষমতায় যেতে হলে জামায়াত-এনসিপিকে অন্তত ১০ বছর বিরোধী দলে থাকতে হবে।’

এদিকে রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এ বিষয়ে জানাবেন।

Continue Reading

top1

ঢাকায় মহাসমাবেশসহ লং মার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

Published

on

By

অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সকল গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় মহাসমাবেশ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লং মার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর গুলিস্তান মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

কর্মসূচি ঘোষণা করে শফিকুর রহমান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ২ অক্টোবর খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া হয়ে এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেটে রেলপথে যাত্রার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সড়কপথের দুরবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতেই রেলপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।’

এছাড়া আগামী ১৪ নভেম্বর রাজধানীতে সারা দেশ থেকে মানুষকে নিয়ে একটি মহাসমাবেশেরও ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এদিন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।

জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঘোষিত এসব কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে ১১ দলীয় ঐক্য।

Continue Reading

top1

তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

Published

on

By

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা উত্তেজনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা কলেজের বাইরে চাষাঢ়া ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে কলেজে আয়োজিত আলোচনা সভায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে ঘটনার জন্য উভয় সংগঠনই একে অপরকে দায়ী করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও বাঁশ দেখা যায়। কয়েকজন স্থানীয় দোকানদার দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও দেখা গেছে। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি ইমদাদুল হক শুভ, সেক্রেটারি তামিম, অর্থ সম্পাদক জুহাস, মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান ও অর্থ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নাম জানা গেছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের কর্মী ফয়সাল, রবিন ও তুহিন আহমেদ আহত হয়েছেন। আহতদের অধিকাংশ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কলেজে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান শেষে গেটের বাইরে একজন আহত হওয়ার খবর পান। পরে জানতে পারেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান অভিযোগ করেন, কলেজের ভেতরে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। এতে তিনি নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

অন্যদিকে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের হামলায় ছাত্রদলের তুহিন আহমেদ, রবিন ও ফয়সালসহ কয়েকজন আহত হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার ভাষ্য, সভায় উস্কানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ করায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান বলেন, আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয়।

তিনি জানান, খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending