Connect with us

ক্যাম্পাস

হিট প্রকল্পের আওতায় রাবিতে উপকূলীয় দুর্যোগের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

Published

on

প্রতিনিধি, রাবি

উপকূলীয় দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভৌগোলিক পরিবর্তন ও দুর্যোগ-পরবর্তী রোগের গতিশীলতা বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহের কৌশল নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের উদ্যোগে হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রজেক্ট, এটিএফ ডব্লিউ৩(এ), পিন: ১৩১৮৬-এর আওতায় ‘ট্রেনিং ওয়ার্কশপ অন ডাটা কালেকশন টেকনিকস ফর কোস্টাল হ্যাজার্ডস অ্যান্ড পোস্ট-ডিজাস্টার ডিজিজ ডায়নামিকস’ শীর্ষক এ কর্মশালা ৪ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণ দেন।

প্রশিক্ষণে রাজশাহীসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পিএইচডি ফেলো, গবেষক, মাস্টার্স ও তৃতীয়-চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এতে রুয়েট, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাবির জুওলজি ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

বহুবিষয়ক এ প্রশিক্ষণে গণিত, পরিসংখ্যান, নৃবিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান, আবহাওয়াবিজ্ঞান, নৌ-সার্ভে, কৃষি ও কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে রোগ ও স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, প্রশ্নমালা প্রণয়ন, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, এনজিওর সহযোগিতা, উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা, পানি ও জোয়ার-ভাটা, স্টর্ম সার্জ সিমুলেশন, ইনানডেশন, ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ পূর্বাভাস, রিমোট সেন্সিং ও ডিপ লার্নিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

রোগ ও স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা করেন রাবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. গোলাম হোসাইন। প্রশ্নমালা প্রণয়ন বিষয়ে রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. এম. আশাবুল হক আলোচনা করেন।

পানি, জোয়ার-ভাটা ও স্টর্ম সার্জ-সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সার্ভে বিভাগের উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রশিক্ষণ দেন। স্টর্ম সার্জ সিমুলেশন, ইনানডেশন ও ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ পূর্বাভাস নিয়ে আলোচনা করেন রাবির গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. গৌর চন্দ্র পাল।

এ ছাড়া আবহাওয়াভিত্তিক তথ্য ও পূর্বাভাস বিষয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) মেটিওরোলজিস্ট খ. হাফিজুর রহমান, তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আবদুল আল মোহিত এবং ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন নিয়ে রাবির ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. মো. মাসিদুল হক আলোচনা করেন।

রিমোট সেন্সিংয়ের ব্যবহার নিয়ে রাবির ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রেজাউর রহমান এবং ডিপ লার্নিং ও আধুনিক কম্পিউটেশনাল পদ্ধতি নিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. অনুপ কুমার পাল প্রশিক্ষণ দেন।

আয়োজকদের মতে, উপকূলীয় দুর্যোগ ও দুর্যোগ-পরবর্তী রোগের গতিশীলতা নিয়ে কার্যকর গবেষণার জন্য নির্ভরযোগ্য মাঠপর্যায়ের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ উপকূলীয় ঝুঁকি মূল্যায়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পূর্বাভাস ও প্রমাণভিত্তিক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বিশ্বের শীর্ষে ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ইবির ৬ শিক্ষক

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় স্থান পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৬ জন শিক্ষক গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার যৌথভাবে সম্প্রতি এ তালিকা প্রকাশ করে।

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকা তৈরিতে গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার মান ও প্রভাব মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এ তালিকাটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০২৬ সালের তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া ৬ গবেষক হলেন— মিজানুর রহমান (৮৪,৪৪৭), রুহুল আমিন ভূঁইয়া (১,৪৫,২৮৫), হাবিবুর রহমান (১,৭২,৩৮৯), শাহিন আলি (১,৯৮,২২৫), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (২,৮৪,৭২৭) ও নজরুল ইসলাম (৪,২০,২৪৫)।

এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে ৬ জন স্থান পেয়েছেন, তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটা নিশ্চয়ই আনন্দের খবর। আশা রাখছি, আগামীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইবি থেকে গবেষকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

শিক্ষকদের এই স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চায় ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন ও এইচ-ইনডেক্সের ভিত্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

Continue Reading

top3

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও তথ্য প্রকাশে অনুমোদনের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশক্তির উদ্বেগ

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জুলাই স্মৃতি স্তম্ভস্থলে বৈঠকখানা নির্মাণ এবং তথ্য প্রকাশে অনুমোদন নেয়ার বিষয়ে জারিকৃত নোটিশে বিষয়ে উদ্বেগ  জানিয়েছে ববি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাথে দেখা করে  বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল স্বাক্ষরিত লিখিত আবেদনে উদ্বেগের বিষয়টি জানান তারা। 

ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ  উদ্বেগ জানিয়ে লিখিত আবেদনে জানিয়েছেন, বিগত উপাচার্যের সময়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের লক্ষ্যে ছাত্র ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং সেখানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে নির্ধারিত সেই স্থানটিতে বসার জন্য বৈঠকখানা নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। জুলাইয়ের চেতনা ও জুলাইকে ধারণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হতাশাজনক।

আরও একটি বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ জানান,  গত ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম বক্তব্য প্রদান সংক্রান্ত যে নোটিশ জারি করা হয়েছে, তা আমাদের বিবেচনায় বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও বাক্‌স্বাধীনতার যে অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কোনো নির্দেশনা যেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়-এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জারিকৃত নোটিশে ব্যবহৃত কিছু শব্দ ও ভাষার প্রয়োগ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং মত প্রকাশের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ছাত্রশক্তি মনে করে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এবিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি দুটি দাবির কথা জানিয়েছে দাবি দুটি হলো- 

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রকাশা করতে হবে।

২. রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা গণমাধ্যম-সংক্রান্ত নোটিশটি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে , যাতে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রচলিত সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

সুবিদবাজার শাখায় আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে সিলেটের সুবিদবাজার শাখায় আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ব্যাংকের সুবিদবাজার শাখা ও এর আওতাধীন চারটি উপশাখার উদ্যোগে গ্রাহকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শাখা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

দিনের শুরুতে শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি পরবর্তীতে ব্যাংকের ৫০ বছরের পথচলা ও অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

এসময় সুবিদবাজার শাখায় গ্রাহকদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। এছাড়া ব্যাংকের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পঞ্চাশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে ব্যাংকের প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর উৎসবমুখর হয়ে উঠে। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের আন্তরিক অংশগ্রহণে দিনটি আনন্দ ও সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এ সময় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ ৫০ বছরের পথচলায় গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। একই সাথে ভবিষ্যতেও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

Continue Reading

Trending