Connect with us

top1

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্লাস্টার ব্যালাস্টিক মিসাইল

Published

on

By

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় ক্লাস্টার বোমার সাব-মিউনিশন (ছোট বিস্ফোরক) আকাশ থেকে পড়ে আসার সম্ভাব্য দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান তাদের দিকে ছোড়া কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করেছে।

টাইসস অব ইসরায়েলের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে আকাশ থেকে একাধিক ছোট বিস্ফোরক মাটির দিকে পড়ে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ক্লাস্টার বোমার সাব-মিউনিশন।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড মাটির দিকে নামার সময় মাঝ আকাশে খুলে যায়। এরপর এর ভেতর থেকে প্রায় ২০টি ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রতিটি সাব-মিউনিশনে প্রায় ২.৫ কেজি বিস্ফোরক থাকে এবং সেগুলো প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লাস্টার বোমা অত্যন্ত বিপজ্জনক অস্ত্র। কারণ এর অনেক সাব-মিউনিশন বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে পারে, যা পরে সাধারণ মানুষের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

বিশ্বের অনেক দেশ এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করলেও এখনো সব দেশ সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইতোমধ্যে অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

Continue Reading

top1

চলমান সংঘাতে ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত!

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলায় সংঘাত তীব্র হয়েছে। এ সংঘাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। কর্মকর্তা আলি লারিজানি এ দাবি করেছেন।

পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে ‘অন্যায় যুদ্ধ’ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে চারজন কুয়েতে নিহত হয়েছেন।

বুধবার (৪মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘ভাঁড়ামিপূর্ণ আচরণে’ প্রভাবিত হয়েছেন। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি অন্যায় যুদ্ধে জড়িয়ে দিয়েছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

পোস্টে তিনি লেখেন, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এখন ট্রাম্পকে হিসাব করতে হবে-যুক্তরাষ্ট্র কি এখনও সবার আগে, নাকি ইসরায়েল? বর্তমানে লারিজানি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর প্রধান। এর আগে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘গল্প এখানেই শেষ নয়।’তিনি আরও বলেন, ‘ইমাম খামেনির শাহাদাতের জন্য আপনাদের বড় মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ। সরকারি হিসাবে, চার দিনের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০ জন ইরানি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে ১৬৫ জন স্কুলশিশুর মৃত্যুর খবর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে নিজের বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থানকালে হামলার লক্ষ্যবস্তু হন খামেনি। নিহতদের মধ্যে তার স্ত্রী, মেয়ে, পুত্রবধূ, জামাতা ও নাতি-নাতনিও ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, ইরান ‘দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার যে প্রস্তাব ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি দিয়েছিলেন, তা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা মধ্যস্থতা করছিল ওমান

Continue Reading

top1

ইরানে মার্কিন এফ-১৫ই ভূপাতিতের দাবি আইআরজিসির

Published

on

By

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে একটি মার্কিন F-15E স্ট্রাইক ঈগল (Strike Eagle) মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গতকাল (বুধবার) সকালে তাদের উন্নত মহাকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Aerospace Defense System) একটি “আক্রমণাত্মক” মার্কিন ফাইটার জেটকে লক্ষ্যবস্তু করে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিমানটি আকাশসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে সেটি সফলভাবে শনাক্ত ও আঘাত করা হয়, যার ফলে এটি সীমান্তের কাছেই বিধ্বস্ত হয়।

যদিও আইআরজিসি এই সফলতার দাবি করছে, মার্কিন সামরিক সূত্রগুলো এখন পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেনি। 

উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিন ধরেই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে (অপারেশন এপিক ফিউরি)। গত সোমবার কুয়েত সীমান্তেও তিনটি মার্কিন F-15E বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল, যেটিকে যুক্তরাষ্ট্র “ফ্রেন্ডলি ফায়ার” বা ভুলবশত নিজেদের গোলায় বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে। তবে ইরান দাবি করে আসছে যে, ঐ বিমানগুলোও তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই ভূপাতিত হয়েছে।

Continue Reading

Trending