Connect with us

top2

আফগানিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, বহু হতাহতের শঙ্কা

Published

on

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের অন্যতম সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত শাহর-ই-নাও অঞ্চলে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই এলাকাটিতে সাধারণত অনেক বিদেশি নাগরিক বসবাস করেন এবং এটিকে শহরের অন্যতম নিরাপদ জোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ব্যস্ততম এই এলাকায় হঠাৎ ঘটা বিস্ফোরণে হতাহতের সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালেবান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল মতিন কানি রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বেশ কয়েকজন মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের ধরন এবং এর পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধানের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ বা হামলার ঘটনা কিছুটা কমেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-এর (আইএসআইএল) অনুসারীদের তৎপরতা নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিস্ফোরণের পরপরই শাহর-ই-নাও এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

গত কয়েক মাস ধরে আফগানিস্তানে বিচ্ছিন্নভাবে আইএস-এর পক্ষ থেকে কিছু হামলা চালানো হলেও কাবুলের প্রাণকেন্দ্রে এবং সুরক্ষিত এলাকায় এমন হামলা তালেবান প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে আশপাশের ভবনের কাঁচ ভেঙে গেছে এবং এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আফগান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বর্তমানে ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন এবং কোনো আত্মঘাতী হামলাকারী বা পেতে রাখা বোমা থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত নিরসনে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে মার্কিন প্রশাসন যখন আফগানিস্তান ইস্যুতে নতুন ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করছে, তখন এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও সুসংহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলমান ইরান অবরোধ কার্যকর করার লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই নজিরবিহীন সামরিক তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে কৌশলগত অবস্থান থেকে যুদ্ধজাহাজগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত মহাসাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ পর্যন্ত অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে মার্কিন সেনারা, যার মধ্যে দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয় পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে।

সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিল।

বর্তমানে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ১৯টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এই বিশাল নৌবহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুটি বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। তাদের সাথে পাহারায় রয়েছে ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান নামক ১২টি ডেস্ট্রয়ার। এছাড়া এই বহরে যুক্ত রয়েছে ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা নামক দুটি কমব্যাট শিপ এবং ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর নিয়ে গঠিত অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ।

মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আলাদাভাবে টহল দিচ্ছে আরও সাতটি যুদ্ধজাহাজ। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর এই বিপুল উপস্থিতি ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং ওই এলাকায় নিজেদের কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।

Continue Reading

top2

চুক্তি না হলে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে: ট্রাম্প

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমা হামলা শুরু করতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে তিনি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত নন।

ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াব না, তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় থাকবে। তখন পরিস্থিতি এমন হবে যে, দুঃখজনকভাবে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে।’

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা এবং একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো। তবে সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশাসন এখনও আশাবাদী।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top2

দেশে এপ্রিল-মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

দেশে এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের আমদানিকৃত সকল জ্বালানি এসেছে। মার্চ ও এপ্রিলে কিছুটা বিঘ্নিত হলেও এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা আছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।

Continue Reading

Trending