Connect with us

ক্যাম্পাস

আমার এখন মনে হয় প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত: ইবি শিক্ষার্থী বোরহান

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটনে দীর্ঘসূত্রিতা, বিভিন্ন সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব ও তদন্তাধীন সাজিদের রুমের আলামত গায়েব সহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলে প্রশাসনের একটা অংশ জড়িত বলে দাবি করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী বোরহান উদ্দিন। তিনি লিখেন, ‘আমার কাছে এখন মনে হয় এই প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত। এবং এতকিছুর জন্যই বিচার হইতেছেনা।’

আজ শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে তার ফেসবুক স্টাটাসে বিস্তারিত মন্তব্য তুলে ধরেন এবং শিগগিরই কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলেও জানান তিনি।

তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‎সাজিদ আব্দুল্লাহ কে তো আমরা ভুলে গেছি! আসেন কিছু রহস্য নিয়ে কথা বলি, আমরা কিছু বলতে গেলে তো একদল লোক বলে উঠেন আমরা নাকি সাজিদের বিচারের নামে রাজনীতি করতেছি। ‎আজকে সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার পরের কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি—‎‎সাজিদ আব্দুল্লাহর লাশ পাওয়ার পর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশন একটা কমিটি গঠন করেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি (সম্ভবত ১৯ জুলাই)।‎‎ সেই কমিটি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করার পর সেইদিন বা পরেরদিন, সাজিদ আব্দুল্লাহর রুম পরিদর্শন করেন এবং তার ব্যবহৃত বেড থেকে কিছু আলামত পাওয়া যায় কিনা তা দেখার জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা বেডটি উলটপালট করে এবং ঐ অবস্থায় তালাবদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ উক্ত কক্ষটি সিলগালা করে দেন।‎‎

এরপর,‎ ২৩/০৭/২০২৫ তারিখে কমিটির সদস্যবৃন্দ ইবি থানায় কর্মরত দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ পুনরায় সাজিদ আব্দুল্লাহ’র রুম পরিদর্শন করেন। এবং সেইদিন পরিদর্শনকালে মৃত সাজিদ আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত বেডটি অত্যন্ত পরিপাটি অবস্থায় পাওয়া যায়। ‎‎তখন কমিটির সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের তৈরি হলে,‎ সাজিদের রুমের (সিলগালাকৃত তালার) চাবি হল কর্তৃপক্ষ কার হেফাজতে রেখেছেন সেটার খোঁজ করা হয়। তখন কমিটি জানতে পারে সেই তালার চাবি ৩ জনের নিকট ছিলো,‎ ১. হলের একজন কর্মচারীর নিকট। ‎২. জিয়া হলের মসজিদের ইমামের নিকট।‎ ৩. সাদ্দাম হোসেন হলে অবস্থানরত একজন ছাত্রের নিকট রয়েছে।‎‎

তিনি আরও লিখেন, ‎ঘটনার শুরু মাত্র, এইবার আসেন! ‎যখন কমিটির সদস্যরা দেখল, সাজিদ আব্দুল্লাহর বসবাসকৃত রুমে তার বেডের কিছুটা পরিবর্তন, তখন তাদের মধ্যে সন্দেহের তৈরি হয়, তখন উক্ত রুমে কেউ প্রবেশ করেছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য হলে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার জন্য কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ‎‎এখানে একটা কথা বলে রাখি, ❝১৯/০৭/২৫ তারিখে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিসিটিভি লাগানো হয়, এবং একটা ক্যামেরা এমনভাবে সেট করা আছে যেটা দিয়ে সাজিদের রুমে অবস্থান দেখা যাবে, কেউ যদি সেই রুমে প্রবেশ করে )❞‎‎

কমিটির সদস্যরা যখন সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে যায়, তখন টেকনিশিয়ানকে সেখানে ডাকা হয়, টেকনিশিয়ান কমিটিকে জানায় যে, ক্যামেরা স্থাপন করে তাতে নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে হল প্রভোস্টের ব্যবহৃত অ্যানড্রোয়েড ফোনে সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু ২০/০৭/২০২৫ তারিখে কেউ এই ক্যামেরার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ প্রভোস্টের মোবাইল নাম্বার হতে তার নিজের নাম্বারে পরিবর্তন করে দিয়েছে এবং সেই ফুটেজ ডিলিট করে দিয়েছে। ‎এবং নতুন যেই নাম্বার দিয়ে সিসিটিভি ফুটেজের ‎নিয়ন্ত্রণ করতেছিল, সেইটা চেক করে জানা যায় সেই ফোন নাম্বার হলের একজন কর্মচারীর (যিনি হলে ডে-লেবার হিসাবে কাজ করে)। ফাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি তাকে জিজ্ঞেস করলে সেই এসবের তেমন কোন উত্তর দিতে পারে নাই।

‎‎এবার আসেন, আরও কিছু কথা বলি-

★একটা রুমে তদন্ত চলতেছে হত্যার তদন্ত, সেই রুমের তালা সিলগালা করা হইলো অথচ, চাবি রাখা হইলো অবহেলায়, মসজিদের হজুরের কাছে, আবার অন্য হলের একজন ছাত্রের কাছে।

★তারপর, সিসিটিভির ফুটেজ ডিলিট হয়, সিসিটিভির নিয়ন্ত্রন হ্যাক হয়ে গেলো। ‎কার নাম্বার দিয়ে হ্যাক করলো হলের এক কর্মচারী যে ডে লেবার হিসাবে কাজ করে, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও কেউ না।

‎‎এইসব ঘটনার পর আপনার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সাধু হইতে পারে এবং এই হত্যার বিচারের জন্য আন্তরিক হইতে পারে।‎আমার কাছে এখন মনে হয় এই প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত। এবং এতকিছুর জন্যই বিচার হইতেছেনা।‎‎

সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষক সবাইকে আমার আবেদন, এই হত্যার বিচার নিয়ে আমরা যদি একত্রিত না হয়ে আন্দোলন করি কোনভাবেই এই হত্যার বিচার পাবো না।‎‎ আজকের পর থেকে সাজিদের হত্যার বিচার চাইতে গেলে, যেই খনিকের ছেলে বলবে, লাশ নিয়ে রাজনীতি করতেছি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করতেছি, সেই খনিকের ছেলেদের গুষ্টি দু*চে দিবো, সোজা কথা! ‎‎দেখা হবে প্রশাসন ভবনের সামনে (খুবই দ্রুত)

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দেওয়া এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। এছাড়াও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬-এর ১১(ক)(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকাকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, উপ-উপাচার্য হিসেবে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। উপ-উপাচার্য হিসেবে তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।

Continue Reading

top3

ইবিতে ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তি, তদন্তে কমিটি গঠন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে প্রতারণামূলকভাবে ভর্তিকৃত ছাত্রী শামীমা আকতারের ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা এবং এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান এ কমিটি গঠন করেন।

অফিস আদেশে বলা হয়, প্রতারণামূলকভাবে ভর্তিকৃত ছাত্রী শামীমা আকতারের ভর্তি-সংক্রান্ত সকল তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. বদিউজ্জামান।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ” আমি শুনেছি। আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। আনুষ্ঠানিক চিঠি পেলে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কাজ শুরু করে দিব।”

উল্লেখ্য, গত দুই সপ্তাহ আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রতারণার মাধ্যমে এক সেমিস্টার ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শামীমা আক্তার নামে এক ভুয়া শিক্ষার্থী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে এ কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Continue Reading

top3

পাবিপ্রবি’র নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অংশগ্রহণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপপরিচালক মো. রাজিবুল ইসলামের বরাতে জানানো হয় দুপুর আড়াইটায় পাবিপ্রবি’র মিলনায়তনে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপাচার্য।

পাবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম-এর সভাপতিত্বে প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান, সাংসদ মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এ. কে. এম সেলিম রেজা হাবিব, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাছানাত আলী।

অতিথির বক্তব্যে ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের সুস্বাগত। তোমরা সৌভাগ্যবান, একটা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তোমরা এখানে জায়গা করে নিতে পেরেছো। আমাদের সমাজ, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট সবকিছু বিবেচনায় আমরা অনেক পশ্চাৎপদ অবস্থানে ছিলাম। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষাবিস্তারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নারীদেরকে এইচএসসি পর্যন্ত বিনাবেতনে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যার ফল এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর পুরোটা জীবন এই দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন।”

শিক্ষার্থীদের নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ, যাদের ট্যাক্স-এর টাকায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়, তাদের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তোমরা নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান করছি।”

Continue Reading

Trending