Connect with us

ক্যাম্পাস

আমার এখন মনে হয় প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত: ইবি শিক্ষার্থী বোরহান

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটনে দীর্ঘসূত্রিতা, বিভিন্ন সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব ও তদন্তাধীন সাজিদের রুমের আলামত গায়েব সহ বিভিন্ন অভিযোগ তোলে প্রশাসনের একটা অংশ জড়িত বলে দাবি করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী বোরহান উদ্দিন। তিনি লিখেন, ‘আমার কাছে এখন মনে হয় এই প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত। এবং এতকিছুর জন্যই বিচার হইতেছেনা।’

আজ শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে তার ফেসবুক স্টাটাসে বিস্তারিত মন্তব্য তুলে ধরেন এবং শিগগিরই কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলেও জানান তিনি।

তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‎সাজিদ আব্দুল্লাহ কে তো আমরা ভুলে গেছি! আসেন কিছু রহস্য নিয়ে কথা বলি, আমরা কিছু বলতে গেলে তো একদল লোক বলে উঠেন আমরা নাকি সাজিদের বিচারের নামে রাজনীতি করতেছি। ‎আজকে সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার পরের কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলি—‎‎সাজিদ আব্দুল্লাহর লাশ পাওয়ার পর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশন একটা কমিটি গঠন করেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি (সম্ভবত ১৯ জুলাই)।‎‎ সেই কমিটি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করার পর সেইদিন বা পরেরদিন, সাজিদ আব্দুল্লাহর রুম পরিদর্শন করেন এবং তার ব্যবহৃত বেড থেকে কিছু আলামত পাওয়া যায় কিনা তা দেখার জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা বেডটি উলটপালট করে এবং ঐ অবস্থায় তালাবদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ উক্ত কক্ষটি সিলগালা করে দেন।‎‎

এরপর,‎ ২৩/০৭/২০২৫ তারিখে কমিটির সদস্যবৃন্দ ইবি থানায় কর্মরত দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ পুনরায় সাজিদ আব্দুল্লাহ’র রুম পরিদর্শন করেন। এবং সেইদিন পরিদর্শনকালে মৃত সাজিদ আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত বেডটি অত্যন্ত পরিপাটি অবস্থায় পাওয়া যায়। ‎‎তখন কমিটির সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের তৈরি হলে,‎ সাজিদের রুমের (সিলগালাকৃত তালার) চাবি হল কর্তৃপক্ষ কার হেফাজতে রেখেছেন সেটার খোঁজ করা হয়। তখন কমিটি জানতে পারে সেই তালার চাবি ৩ জনের নিকট ছিলো,‎ ১. হলের একজন কর্মচারীর নিকট। ‎২. জিয়া হলের মসজিদের ইমামের নিকট।‎ ৩. সাদ্দাম হোসেন হলে অবস্থানরত একজন ছাত্রের নিকট রয়েছে।‎‎

তিনি আরও লিখেন, ‎ঘটনার শুরু মাত্র, এইবার আসেন! ‎যখন কমিটির সদস্যরা দেখল, সাজিদ আব্দুল্লাহর বসবাসকৃত রুমে তার বেডের কিছুটা পরিবর্তন, তখন তাদের মধ্যে সন্দেহের তৈরি হয়, তখন উক্ত রুমে কেউ প্রবেশ করেছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য হলে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার জন্য কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ‎‎এখানে একটা কথা বলে রাখি, ❝১৯/০৭/২৫ তারিখে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিসিটিভি লাগানো হয়, এবং একটা ক্যামেরা এমনভাবে সেট করা আছে যেটা দিয়ে সাজিদের রুমে অবস্থান দেখা যাবে, কেউ যদি সেই রুমে প্রবেশ করে )❞‎‎

কমিটির সদস্যরা যখন সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে যায়, তখন টেকনিশিয়ানকে সেখানে ডাকা হয়, টেকনিশিয়ান কমিটিকে জানায় যে, ক্যামেরা স্থাপন করে তাতে নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে হল প্রভোস্টের ব্যবহৃত অ্যানড্রোয়েড ফোনে সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু ২০/০৭/২০২৫ তারিখে কেউ এই ক্যামেরার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ প্রভোস্টের মোবাইল নাম্বার হতে তার নিজের নাম্বারে পরিবর্তন করে দিয়েছে এবং সেই ফুটেজ ডিলিট করে দিয়েছে। ‎এবং নতুন যেই নাম্বার দিয়ে সিসিটিভি ফুটেজের ‎নিয়ন্ত্রণ করতেছিল, সেইটা চেক করে জানা যায় সেই ফোন নাম্বার হলের একজন কর্মচারীর (যিনি হলে ডে-লেবার হিসাবে কাজ করে)। ফাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি তাকে জিজ্ঞেস করলে সেই এসবের তেমন কোন উত্তর দিতে পারে নাই।

‎‎এবার আসেন, আরও কিছু কথা বলি-

★একটা রুমে তদন্ত চলতেছে হত্যার তদন্ত, সেই রুমের তালা সিলগালা করা হইলো অথচ, চাবি রাখা হইলো অবহেলায়, মসজিদের হজুরের কাছে, আবার অন্য হলের একজন ছাত্রের কাছে।

★তারপর, সিসিটিভির ফুটেজ ডিলিট হয়, সিসিটিভির নিয়ন্ত্রন হ্যাক হয়ে গেলো। ‎কার নাম্বার দিয়ে হ্যাক করলো হলের এক কর্মচারী যে ডে লেবার হিসাবে কাজ করে, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও কেউ না।

‎‎এইসব ঘটনার পর আপনার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সাধু হইতে পারে এবং এই হত্যার বিচারের জন্য আন্তরিক হইতে পারে।‎আমার কাছে এখন মনে হয় এই প্রশাসনের একটা অংশ এই হত্যার সাথে জড়িত। এবং এতকিছুর জন্যই বিচার হইতেছেনা।‎‎

সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষক সবাইকে আমার আবেদন, এই হত্যার বিচার নিয়ে আমরা যদি একত্রিত না হয়ে আন্দোলন করি কোনভাবেই এই হত্যার বিচার পাবো না।‎‎ আজকের পর থেকে সাজিদের হত্যার বিচার চাইতে গেলে, যেই খনিকের ছেলে বলবে, লাশ নিয়ে রাজনীতি করতেছি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করতেছি, সেই খনিকের ছেলেদের গুষ্টি দু*চে দিবো, সোজা কথা! ‎‎দেখা হবে প্রশাসন ভবনের সামনে (খুবই দ্রুত)

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাকসুর উদ্যোগে মাসব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প শুরু ৩০ জানুয়ারি 

Published

on

By

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে ৩০ জানুয়ারি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর উদ্যোগে এবং মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি (MHCRU)-এর সহযোগিতায় মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা হাফছা। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর উদ্যোগে এবং মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি (গঐঈজট)-এর সহযোগিতায় হলভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্পেইন শুরু হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেহেতু আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই কোনো না কোনো হলের সাথে সংযুক্ত, অই ক্যাম্পেইনটি হলভিত্তিক পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যেভাবে পরিচালিত হবে ক্যাম্পেইনটি 

মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হবে দুইটি সেগমেন্টে। প্রথম সেগমেন্টে নির্ধারিত বুথে শিক্ষার্থীদের জন্য দুই ধাপে বিনামূল্যে মেন্টাল হেলথ চেক-আপ (যেমন ডিপ্রেশন লেভেল, এংজাইটি, স্ট্রেস, হোপলেসনেস, ইন্টারনেট এডিকশন, আত্মহত্যা ঝুঁকি ইত্যাদি) পরিচালিত হবে। এই চেক-আপ কার্যক্রম চলবে সকাল ৯.৩০টা থেকে বিকাল ৪.০০টা পর্যন্ত। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন তারা কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছেন কিনা অথবা মানসিক ঝুঁকিতে আছেন কিনা

দ্বিতীয় সেগমেন্টে সংশ্লিষ্ট হলের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হবে। ওয়ার্কশপটি চলবে বিকাল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত। এই সেশনে মানসিক স্বাস্থ্য কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সহায়তা কোথায় পাওয়া যায়, কীভাবে আশেপাশের বস্তু বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের মানসিকভাবে সহায়তা করা যায়, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা ও ট্যাবু দুরীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাইকো-এডুকেশন প্রদান করা হবে। আবাসিক ও অনাবাসিক র্শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলে ক্যাম্পেইন শুরু হবার আগে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। ক্যাম্পেইনটি ১৭টি হল ও ১টি ডরমেটরি সহ মোট ১৮টি পয়েন্ট কে ৬ টি ক্লাস্টারে ভাগ করে পরিচালিত হবে।

ক্যাম্পেইনে যেসকল সুবিধাসমূহ পাবে শিক্ষার্থীরা 

নির্ধারিত বুথে দুই ধাপে বিনামূল্যে মেন্টাল হেলথ চেক-আপের সুবিধা; নিজের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক মূল্যায়নের সুযোগ; মানসিক ঝুঁকি বা সমস্যার ক্ষেত্রে প্রফেশনাল স্ক্রিনিং ও দিকনির্দেশনা; মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি; ইন্টারঅ্যাকটিভ মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণের সুযোগ; মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সাপোর্ট সার্ভিস ও রেফারাল সংক্রান্ত তথ্য; বন্ধু ও সহপাঠীদের মানসিকভাবে সহায়তা করার প্রয়োজনীয় স্কিল অর্জনের সুযোগ; মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারণা ও ট্যাবু দূরীকরণে সহায়তা; একটি নিরাপদ, গোপনীয় ও জাজমেন্ট-ফ্রি পরিবেশে নিজের কথা প্রকাশের সুযোগ

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরোও বলেন, গত বছরের শেষ দিকে, মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। গত বছরের ১২ নভেম্বরে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সোনিয়া সুলতানা এবং ৩১ ডিসেম্বরে  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নামিস নওরীন পুষ্পিতা আত্মহত্যা করে। এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নাজুক মানসিক অবস্থার চরম বহিঃপ্রকাশ।

জাতীয় পর্যায়ের পরিসংখ্যানও আমাদের শল্পিত করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেশে প্রতি বছর ১০ থেকে ১১ হাজার মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নেন। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী দেশের ৯২% প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৯৪% কিশোর-কিশোরী মানসিক সমস্যার চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। পর্যাপ্ত সচেতনতা এবং ‘ট্রিটমেন্ট গ্যাপ’-এর কারণে অনেকেই জানেন না তাদের মানসিক সহায়তা প্রয়োজন।

ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য হলো-কাম্পাসে একটি জাজমেন্ট-ফ্রি বা বিচারহীন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের মানসিক কষ্টের। কথা বলতে পারবে। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক সময়ে সঠিক সচেতনতা এবং ইন্টারভেনশন সোনিয়া বা লামিসার মতো আর কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া রোধ করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে রাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম সালমান সাব্বির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা হাফছা, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সামিয়া জাহান, সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাসুমা ইসরাত মুমু সহ মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবি ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিনেও সিওয়াইবি’র খাদ্য মনিটরিং কার্যক্রম

Published

on

By

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিনেও ক্যাম্পাসে সক্রিয় ছিল ভোক্তা অধিকার সচেতনতামূলক সংগঠন কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে দিনব্যাপী বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সংগঠনটির রাবি শাখা।

সিওয়াইবি রাবি শাখার সভাপতি সাদমান প্যারিসের নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যেমন— টুকিটাকি চত্বর ও আমতলা সংলগ্ন অস্থায়ী ও স্থায়ী খাবারের দোকানগুলোতে এই মনিটরিং পরিচালনা করেন।

মনিটরিং চলাকালে বেশ কিছু দোকানে নানা ধরনের অনিয়ম ও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল: খাবারের নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকা বা সঠিকভাবে প্রদর্শন না করা।

তালিকার চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য গ্রহণ। অস্বাস্থ্যকর তেলের ব্যবহার। অপরিচ্ছন্ন ও অনিরাপদ পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা।

অভিযান প্রসঙ্গে সংগঠনের সভাপতি সাদমান প্যারিস বলেন, “আজকের মনিটরিং কার্যক্রমে আমরা বেশ কিছু অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করেছি। বিশেষ করে যেসব দোকানে মূল্য তালিকা ছিল না, সেখানে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তালিকা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। একই সাথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তালিকা অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করার পরামর্শ দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সিওয়াইবি কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য তালিকার নিচে দেওয়া হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তদারকি দল দোকানদারদের মৌখিকভাবে সচেতন করার পাশাপাশি সতর্ক করেছেন যে, পুনরাবৃত্তি ঘটলে তথ্যগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আগত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বার্থ রক্ষায় সিওয়াইবি তাদের এই তৎপরতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ক্যাম্পাসে ন্যায্যমূল্য ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে আগামীতেও তাদের এই তদারকি চলমান থাকবে বলে জানানো হয়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবির লতিফ হল বিতর্ক সংসদ ‘নবোদয়’ এর নেতৃত্বে হুরায়রা-নাবাইদ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অন্যতম আবাসিক হল নবাব আব্দুল লতিফ হল বিতর্ক সংসদ (নবোদয়)-এর ২০২৬ বর্ষের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবু হুরায়রা এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ নাবাইদ ইসলাম।

গত ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় হল অডিটোরিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনের নিজস্ব ‘সংবিধান উন্মোচন’ করেন নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রাধ্যক্ষ ও নবোদয়ের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রফেসর ড. আতাউল্লাহ।

ঘোষিত ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির শীর্ষ ৮ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন— ভাইস-প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন) হিসেবে ফাহিম ফেরদৌস এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট (বিতর্ক) হিসেবে মো: শাকিবুল হাসান। নেতৃত্বের এই নতুন প্যানেল আগামী এক বছর হলের বিতর্ক অঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।

‘যুক্তির শক্তিতে উন্মোচন করো সত্যের পথ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. আতাউল্লাহ নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদকে বরণ করে নেন। নবোদয়ের আহবায়ক ও হল সংসদের বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আবু হুরায়রা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবোদয়ের যুগ্ন-আহবায়ক ফাহিম ফেরদৌস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিতার্কিকদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক বিতার্কিক জনাব মাহমুদ সাকি, রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক জনাব ইমরান লস্কর এবং সহ-বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক জনাব নয়ন মুরসালিন। এছাড়াও লতিফ হল সংসদের ভিপি নেয়ামত উল্লাহ, মাদারবক্স হল তর্কতীর্থের উপ-তর্কপতি সৈমিত্র কুমার দাস এবং এসএস হলের বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান স্বাধীন অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করেন।

বক্তারা বলেন, নিজস্ব সংবিধান প্রণয়ন এবং নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার মাধ্যমে নবোদয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক সংস্কৃতিতে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। বিতার্কিকদের এই মিলনমেলা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Continue Reading

Trending