Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দুই দিনব্যাপী (৩ ও ৫ আগস্ট) নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ স্মরণে ফলক উন্মোচন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, র‍্যালি, ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, প্রীতি ভলিবল প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-সহ নানা আয়োজন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ‘জুলাই-আগস্ট ২০২৪, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শাহীদ মিয়া এবং সদস্য সচিব ড. মো. আসাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শহীদ আনাস হলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের মাকে লেখা চিঠির ফলক উন্মোচন করা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১১টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের ১১৬ নম্বর কক্ষে ‘জুলাই-৩৬’ গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ইবি ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিযোগিতায় প্লে থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বুলেটের সামনে আমাদের আবু সাঈদ’, পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির জন্য ‘পানি লাগবে, পানি…’ এবং অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির জন্য ‘জুলাই বিপ্লবে পুলিশের নৃশংসতা’।

চিঠির ফলক উন্মোচন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সমিতি ও সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। এদিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চিত্রাঙ্কন উপ-পরিচালক কমিটি ও শহীদ আনাস হল কর্তৃপক্ষকে।

৫ আগস্ট সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রশাসন ভবনের সামনে এবং আবাসিক হলগুলোতে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করবেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন।

এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসন ভবনের সামনে আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন উপাচার্য। উদ্বোধনের পর একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হবে। এ র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ, হল ও বিভিন্ন দপ্তরকে নির্ধারিত নকশা ও মাপের ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জুলাই শহীদদের স্মরণে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নির্ধারিত বক্তারা বক্তব্য রাখবেন।

এছাড়া সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলিবল মাঠে শিক্ষক বনাম কর্মকর্তা, সহায়ক কর্মচারী বনাম সাধারণ কর্মচারী, সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারীদের বিজয়ী দল বনাম টেকনিক্যাল সমিতি এবং ছাত্র হলসমূহের অংশগ্রহণে প্রীতি ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে ছাত্রী হলগুলোর প্রীতি ভলিবল প্রতিযোগিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি মহিলা শিক্ষক, কর্মকর্তা, সহায়ক কর্মচারী ও সাধারণ কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বালিশ বদল প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

স্টেশনে রাবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কারসহ ৫ দাবি  

Published

on

By

​রাবি প্রতিনিধি: 

স্টেশনে ​রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। ​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানান তারা। 

​তাদের অন্য চার দাবি হচ্ছে—অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ে স্টেশনটি চালু করা; চলন্ত ট্রেন থেকে পরপর দুইদিন রাবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার করা এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তা নিশ্চিত করা; রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চলমান বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা; ভবিষ্যতে রেলওয়ের কোন সদস্য কর্তৃক কোন শিক্ষার্থীকে হেনস্থার ঘটনা ঘটলে তার দ্রুত জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা করা। 

​সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ট্রেনের টিকিটের সীমাবদ্ধতা থাকায় কখনো কখনো শিক্ষার্থীরা টিকিট কাটতে পারে না। তখন তারা টিটিইদের টাকা দেয়ার সময় সেই টাকার ভাউচার চায়। ফলে তাদের দুর্নীতির রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকেই শিক্ষার্থীদের উপর রেলের দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের ক্ষোভ। 

​স্টেশন ভাঙচুরের বিষয়ে তারা বলেন, এ ঘটনার দায় রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের। তারা সময়মতো ব্যবস্থা নিলে এ ঘটনা ঘটতো না। দীর্ঘ সময় ধরে রেলওয়ে সদস্য দ্বারা শিক্ষার্থীদের বারবার হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটে। 

​তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি হলে তা আরও ভালো উপায়ে প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে। তবে একজন শিক্ষার্থীর জীবন গেলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। পরপর দুই দিন যেভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে এমন ঘটনা আবারও ঘটলে আমরা আরও কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করব। ​এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।  

এর আগে গত রোববার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার জেরে সেদিন রাতে রেলস্টেশন কার্যালয়ে গিয়ে জানালার কাঁচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার পরে জরিত সন্দেহে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িক বহিস্কারের আদেশ জারি করে করে রেল কতৃপক্ষ। এদিকে গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনবাজার সংলগ্ন রেলপথ দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনার অভিযোগ ওঠে৷ এতে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানা গেছে। এর আগেও একদিন ট্রেন থেকে এমন পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির আজিজুর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির প্রীতি বিতর্ক, নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাহ আজিজুর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র আন্তঃব্লক প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শাহ আজিজুর রহমান হলের টিভি রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীন বিতার্কিকদের বরণ ও প্রবীণদের বিদায় দেয়া হয়।

এসময় হল ডিবেটিং সোসাইটি’র সভাপতি সদ্য সাবেক সোলাইমান তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হলের হাউস টিউটর অধ্যাপক আনোয়ারুল ওয়াহাব।

এছাড়া অন্তবল প্রীতি বিতর্ক অনুষ্ঠানে বিতর্কের বিষয় ছিল “এই সংসদ মনে করে, অতিরিক্ত ইন্টারনেট, টেকনোলজি ও এআই নির্ভরশীলতার কারণে মানুষের কর্মক্ষমতা ও সৃজনশীলতা লোপ পাচ্ছে।”

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার স্পিকার হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সোয়াইব বিন আছাদ ও টাইমকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আসমাউল হক রুনা। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতিবৃন্দ।

সরকারি দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন আশরাফুল ইসলাম, মোসাব্বের ও সাইফুল্লাহ । অপরদিকে বিরোধী দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন রাশিদুল ইসলাম রাকিব, আহনাফ ও শরিফুল।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং দর্শক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন হল থেকে আগত নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সদ্য সাবেক সভাপতি সোলাইমান তালুকদার বলেন, “আমি দায়িত্বকে একটা বড় ধরনের আমানত মনে করেছিলাম। সেই জায়গা থেকে দায়িত্ব গ্রহনের শুরুর দিন থেকে থেকে আজ দায়িত্বের শেষদিন পর্যন্ত চেস্টা করেছি নিজের আমানত রক্ষা করার।”

তিনি আরও বলেন, “প্রোগ্রামকে সাফল্য মন্ডিত করার পিছনে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, মেহমানবৃন্দ ও বিচারক মন্ডলী সহ সকলের কাছে এবং হলের প্রভোস্ট থেকে শুরু করে হাউজ টিউটর সহ হলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের প্রতিও অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১২ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

Published

on

By


কুবি প্রতিনিধি

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ১২ দিনব্যাপী ‘মাইক্রোসফট অফিস স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসসোরেন্স সেল (আইকিওএসি)। উক্ত প্রশিক্ষণে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, গ্রাফিক ডিজাইন ও পাওয়ারপয়েন্টের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

‎রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আইকিওএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নিয়মিতভাবে নিজের দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে। কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান থাকলেও অফিসিয়াল কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়াতে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ও গ্রাফিক ডিজাইনের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন জরুরি। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।”

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “আধুনিক কর্মপরিবেশে প্রযুক্তিগত দক্ষতা দৈনন্দিন কাজের অপরিহার্য অংশ। ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ও গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।”

‎উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা জরুরি। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে কম সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ শেষে মূল্যায়নের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা যাচাই করে নির্ধারিত মান অর্জনকারীদের সনদ দেওয়া হবে।”


‎আইকিওএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এ ধরনের একটানা ১২ দিনব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এই প্রথম। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং, অফিসিয়াল কাজ এবং কম্পিউটারের সাধারণ কারিগরি সমস্যা সমাধানে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বাড়বে।”

Continue Reading

Trending