Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটে ভর্তির সাক্ষাৎকারের সময় প্রকাশ, মানতে হবে যে নির্দেশনা

Published

on

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদভুক্ত স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারের সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (২১ জুন) ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন ও ‘ডি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. আ.ব.ম সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘ডি’ ইউনিটের ৩২০টি আসনের জন্য ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার আগামী ২৯ ও ৩০ জুন এবং ১ জুলাই অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বিকাল ৩টা) অনুষদ ভবনের ৪র্থ তলায় ইউনিট সমন্বয়কারীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎকারে উপস্থিতির ভিত্তিতে চূড়ান্ত ভর্তির অনুমতিপত্র প্রদান করা হবে এবং প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী সাক্ষাৎকারের দিন থেকে ০৬ জুলাইয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ভর্তি ফি প্রদান করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ১ম মেধা তালিকার ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর কোন পরীক্ষার্থী বিভাগ পরিবর্তন করতে চাইলে আগামী ০৭ জুলাই থেকে ০৯ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

এছাড়াও আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ২য় মেধা তালিকার প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার আগামী ১৪ ও ১৫ জুলাই অফিস চলাকালীন সময়ে ইউনিট সমন্বয়কারীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ৩য় মেধা তালিকার প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের তারিখ ও সময় পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেয়া হবে।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারের সময় ভর্তি পরীক্ষার হলের পরিদর্শক কর্তৃক স্বাক্ষরিত ভর্তি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মার্কশীট এবং সার্টিফিকেট অথবা সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র এবং সদ্য তোলা আট কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি আনতে হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

মেয়াদ শেষ, প্রভোস্ট ছাড়াই চলছে ইবির লালন শাহ হল কার্যক্রম

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হল প্রভোস্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পাচঁদিন অতিবাহিত হলেও প্রভোস্ট নিয়োগ দেননি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে হলের কার্যক্রম ব্যাহত এবং হাউস টিউটরের স্বাক্ষর নিয়েই চলছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, চলতি মাসের গত ১৪ মে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খানের মেয়াদ শেষ হয়। নতুন প্রশাসনের রদবদলে সিদ্ধান্তহীনতায় আটকে আছে ওই পদটি।

সূত্র বলছে, চলতি মাসে মেয়াদ শেষ হওয়া প্রভোস্ট জামায়াতপন্থি হওয়ায় বর্ধিত মেয়াদে পুনরায় দায়িত্ব অর্পণ এবং নতুন করে যে কাউকে প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে সিদ্ধান্তহীনতায় আটকে আছে ওই হলের প্রভোস্ট পদটি। তবে আজকালের মধ্যে বিকল্প চিন্তা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একজন হলের হাউস টিউটরকে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রুটিন দায়িত্ব দিতে পারে প্রশাসন।

জানতে চাইলে সদ্য মেয়াদ শেষ হওয়া প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খান বলেন, “আমার মেয়াদ শেষ ১৪ তারিখ। প্রশাসন এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। পদটি আপাতত খালি আছে। কেন দেননি জানি না। প্রশাসন যেটা ভালো মনে করে সেটা মেনে নিব।”

এবিষয়ে জানতে চাইলে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “প্রশাসন যেটা ভালো মনে করেন সেভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন। প্রক্রিয়া চলমান, দ্রুত ব্যবস্থা করা হবে।”

Continue Reading

top1

বাসে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারির ঘটনায় ইবি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, আহত ৪

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী বাসে (মধুমতি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীকে লোকপ্রশাসন বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর মারধরের ঘটনায় দুই বিভাগের মধ্যকার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার বাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় প্রধান ফটকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে বাসে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সায়মন আহমেদ হৃদয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাস।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মধুমতি বাস নিয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। এসময় হৃদয়সহ তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও হইচই করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে অন্তরের পাশের সিটে বসা এক শিক্ষার্থী তাঁদের থামতে বলেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে হৃদয় তেড়ে এসে অন্তরের গায়ে হাত তোলেন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। বাসের এই ঘটনার জের ধরে অন্তর ও হৃদয়ের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় এবং রাত আটটার বাসে অভিযুক্ত হৃদয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানের উপস্থিতিতেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মোতায়েন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি, ট্রেজারার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এদিকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল করিম, বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসু প্রধান ফটকের সামনে সংঘটিত সংঘর্ষে আহত হন। পরে ইবি মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল চিকিৎসক তাদের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, “একজনের নাকে, আরেক শিক্ষার্থীর পায়ের আঙুলে, অন্যজনের ঘাড়ে সামান্য আঘাত ছিল। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। বড় ধরনের সমস্যা নেই।”

এবিষয়ে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পর রাত আড়াই পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষমা করে দেওয়ায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে ইবিতে ‘ছাত্রশক্তি’র কমিটি গঠনের গুঞ্জন!

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র কমিটি গঠন নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এতদিন ক্যাম্পাসে সক্রিয় রাজনীতি করে গেছে জুলাই বিপ্লবী প্ল্যাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ছাত্রশক্তির কমিটির প্রয়োজনবোধ ছিল না বলে মনে করছিলেন জুলাই যোদ্ধারা। তবে এবার ইবিতে প্রথমবারের মতো ছাত্রশক্তির কমিটি ঘোষণার কথা ভাবছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রশক্তি আদর্শ ও ছাত্র রাজনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সারাদেশে কমিটি ঘোষণা করবে কেন্দ্র। ইতোমধ্যে সিভি যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান। খুব শিগগিরই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি গঠন করা হবে। এতে জুলাই যোদ্ধাদেরকে মূল্যায়ন করছেন বলে জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র ইবি শাখার নেতৃত্বে কমিটি আনার তোড়জোড় শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হাসান। এতে তাকে নিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ছাত্রলীগ আমলে মিছিল মিটিং-এ সক্রিয় ছিল বলে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিপ্লব পরবর্তী সময়েও আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা তাড়িয়ে দেয় ওই নেতাকে। তখন থেকে বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি বা মাঠপর্যায়ে রাজনীতি করার সুযোগ পাননি তিনি। তবে জেলা পর্যায় থেকে তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছে।

এদিকে কমিটির গুঞ্জনে উঠে আসা বিতর্কিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিন। তার বিরুদ্ধে মাদক সদৃশ বস্তু সেবনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে দৈনিক মজুরিতে কাজ না করে নিয়মিত বেতন উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে কর্মরত এক সাংবাদিকও কমিটিতে আসার তোড়জোড় চালাচ্ছে বলে অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর।

সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংস্থায় সক্রিয়ভাবে কাজ করা শিক্ষার্থী রাহাত আব্দুল্লাহ’র নামও কমিটির প্রথম সারিতে রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও বৈছাআ’র ইবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, প্লাটফর্মটির সংগঠক ইমরান হোসেন ও মোহন রায় উল্লেখযোগ্য। তবে তাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বিতর্কিত কোনো ইস্যুু তৈরি হয়নি বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

বিতর্কিতদের নিয়ে কমিটি গঠনের গুঞ্জনে ফেসবুকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ লেখেন, ফ্যাসিস্টের দোসর ফুয়াদ হাসান ২০২৪ সালের ৮ আগস্টে আজিজ হল ইন্টারন্যাশনালের এক ব্লক দখল করে ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ প্রদর্শন করে তাকে হল থেকে বের করে দেয়।এই গণহত্যাকারীর দোসর জুনিয়ররা প্রোগ্রামে না গেলে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। ফুয়াদ বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করেছে এবং এমনও আছে যে, সে ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে তার বাসায় যেতে পরিবহন ভাড়া দিত না।

এছাড়া আরও লেখেন, এখন ইবিতে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের সহকারে কমিটি আনতে চাচ্ছে এবং তার সাথে আছে এক সুশীল সাংবাদিক— পূর্বে বৈছাআ, এতদিন ছাত্রদল আর এখন ছাত্রলীগকে চাটে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কমিটি পুর্নগঠনের দায়িত্বে থাকা জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা হাসিব আল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

Continue Reading

Trending