Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে ভয়ের তথ্য দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দেশটির পরমাণু স্থাপনার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তার মতে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু স্থাপনাগুলোর কাছে যাওয়া এখন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। আন্তর্জাতিক পরিদর্শন পুনরায় শুরু করতে হলে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

বুধবার প্যারিসে ফ্রান্স ২৪-এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে এখন এই স্থাপনাগুলোর কাছে যাওয়া বিপজ্জনক। সেখানে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ রয়েছে, পাশাপাশি রেডিওঅ্যাকটিভিটির ঝুঁকিও আছে।

তিনি জানান, যে কেন্দ্রগুলো হামলার শিকার হয়নি, সেগুলোতে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা পরিদর্শন চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনায় প্রবেশ করতে হলে নতুন কাঠামো ও উপযুক্ত পদ্ধতি দরকার।

আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার বোর্ড অব গভর্নরসের সাম্প্রতিক প্রস্তাবকে তিনি রাজনৈতিক ও একপেশে বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, প্রস্তাবে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় চালানো হামলার বাস্তবতা উপেক্ষা করা হয়েছে। আরাঘচি বলেন, স্থির বাস্তবতাকে বাদ দিলে সেটা ভুল সিদ্ধান্ত।

তিনি আরও জানান, সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গে আগে কায়রোতে হওয়া সমঝোতার মধ্যেই স্বীকার করা হয়েছিল যে- হামলার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং নতুন পরিদর্শন প্রটোকল প্রয়োজন হবে। এখন সে বিষয় থেকে সরে আসা ঠিক হবে না বলে মনে করেন তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সৌদির রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ হামলা

Published

on

By

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ইরানের ছোড়া ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিস্তারের মধ্যে মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুটি ড্রোন মার্কিন দূতাবাসে আঘাত করে। প্রাথমিক মূল্যায়নে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে অবগত তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভোরের দিকে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দূতাবাস ভবনে আগুনের শিখা দেখা যায়। রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন অবস্থিত। তাদের মধ্যে দুজন জানান, ভোরের সময় ভবনটি খালি ছিল এবং আগুন তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রিয়াদ, জেদ্দা ও ধাহরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘শেল্টার ইন প্লেস’ নির্দেশনা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দূতাবাস এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনাটির পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Continue Reading

top3

ইরানে হামলার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ মানুষ

Published

on

By

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের বিষয়ে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান এই হামলার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন; বিপরীতে প্রায় ৭৫ শতাংশ নাগরিকই এই সামরিক পদক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

রয়টার্স/ইপসোসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই জরিপে উঠে এসেছে যে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহী।

জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৭ শতাংশ উত্তরদাতা ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ এই হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন। বিপরীতে ৪৩ শতাংশ এই হামলার বিপক্ষে এবং ২৯ শতাংশ উত্তরদাতা কোনো মত দেননি। তবে গত শনিবার ভোরে ইরানের শীর্ষ নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আকস্মিক হামলা সম্পর্কে প্রায় ৯০ শতাংশ আমেরিকানই অবগত আছেন।

রোববার (১ মার্চ) শেষ হওয়া এই জরিপ অনুযায়ী, ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় আগ্রহী। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও নাইজেরিয়াতেও হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এই ধারণার সঙ্গে ৮৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাট, ২৩ শতাংশ রিপাবলিকান এবং ৬০ শতাংশ নির্দলীয় ব্যক্তি একমত পোষণ করেছেন।

যদিও রিপাবলিকানদের ৫৫ শতাংশ এই হামলার পক্ষে, তবে তাদের ৪২ শতাংশই জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যদি মার্কিন সেনাসদস্যরা নিহত বা আহত হন, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন থেকে সরে আসবেন।

ইতিমধ্যে এই অভিযানে চারজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলসহ অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার রেটিং ১ শতাংশ কমে ৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট শুরুর মাত্র তিনদিন আগে ইরানে এই হামলা শুরু হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৪৫ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, যদি এই যুদ্ধের ফলে তেলের দাম বেড়ে যায়, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন করবেন না। কিন্তু ইতিমধ্যে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে ঠেকেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত চললে দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, জেনেভায় পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই হামলা চালায়। ওয়াশিংটন চায়, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করুক। তবে তেহরান দাবি করে আসছে, তারা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াজাত করছে।

জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেক উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করে, তবে তারা এই হামলার সমর্থক হতে পারেন। এদিকে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী এবং তিনি তাতে রাজি হয়েছেন।

অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে মোট ১ হাজার ২৮২ জন প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান অংশ নেন। এতে ভুলের মাত্রা (মার্জিন অব এরর) ছিল মাত্র ৩ শতাংশ বলে জানা গেছে।

Continue Reading

top3

ইরানে ‘কঠোর আঘাত’ এখনো করিনি, ‘মূল আক্রমণ শিগগিরই’: ট্রাম্প

Published

on

By

ইরানে এখনো ‘কঠোর আঘাত’ শুরু হয়নি এবং মূল আক্রমণ শিগগিরই আসছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনো ইরানের ওপর কঠোর আঘাত শুরুই করিনি। বড় ধরনের হামলা এখনো বাকি। মূল আক্রমণটি খুব শিগগিরই আসছে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে।

ইরানি জনগণকে দেশটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে সামরিক অভিযানের বাইরেও যুক্তরাষ্ট্র অন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ‘হ্যাঁ’ সূচক উত্তর দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যিই তা করছি। তবে এই মুহূর্তে আমরা চাই সবাই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুক। কারণ বাইরের পরিস্থিতি এখন নিরাপদ নয়।’

এর আগে হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যেও ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করার ওপর জোর দিয়েছিলেন। সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ধারাবাহিকতায় আরও বড় পরিসরে হামলার ইঙ্গিত দিলেন

Continue Reading

Trending