Connect with us

top1

ইরানে বিক্ষোভ: পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ওয়াশিংটন ও তেহরানের

Published

on

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। এই বিক্ষোভ ঘিরে দেশটির সরকারের সঙ্গে আবারও মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

রবিবার তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে তারা ইসরায়েল এবং ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা শক্তিশালী হামলা চালাবে।

চলমান বিক্ষোভ দমনে ইরান সহিংস হলে সামরিক হামলার মাধ্যমে সেটির জবাব দেওয়া হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ার করেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এরই মধ্যে অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২,৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।  

গত শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে ফোনে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে বলে এক খবরে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো হস্তক্ষেপের বিষয়ে ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ভুল না করার হুঁশিয়ারি তেহরানের

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ রবিবার সংসদ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, তারা যেন কোনো ধরনের “ভুল হিসাব-নিকাশ” না করে। রেভল্যুশনারি গার্ডসের সাবেক এই কমান্ডার হুঁশিয়ার করে বলেন, “যদি ইরানে কোনো হামলা হয়, তবে দখলকৃত অঞ্চল (ইসরায়েল) এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।”

বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ না করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির জবাবেই এই কড়া বার্তা দিল ইরান।

অন্যদিকে ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ইরান এখন স্বাধীনতার মুখ দেখছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের “সাহায্য করতে প্রস্তুত”।

নিহতের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। ইউএসভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ’র মতে, নিহতের সংখ্যা ১১৬ জন; তবে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর ৩৭ জন সদস্যও রয়েছেন। অন্যদিকে নরওয়েভিত্তিক সংস্থাগুলো বলছে, অন্তত ৫১ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন, যার মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছে।

তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, সারা দেশে বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ১০৯ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। ইসফাহান ও কেরমানশাহ শহরে নিহত পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষীদের জানাজা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও বর্তমান পরিস্থিতি

বিক্ষোভের খবর ছড়ানো আটকাতে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। নেটব্লকস-এর তথ্যমতে, বর্তমানে সংযোগ স্বাভাবিকের চেয়ে মাত্র ১ শতাংশ রয়েছে।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে, যা পরে ১৯৭৯ সাল থেকে চলে আসা ইসলামি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। তেহরানের পুনাকসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে থালা-বাসন বা ধাতব বস্তু পিটিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি আলোচনা করেছেন। নেতানিয়াহু এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরান যদি ইসরায়েলকে আক্রমণ করে তবে তার ফল হবে ভয়াবহ।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই পরিস্থিতিকে একটি “ধৈর্যের খেলা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, একদিকে বিক্ষোভকারীরা সরকারের ওপর চাপ বজায় রেখে কর্মকর্তাদের পক্ষত্যাগের অপেক্ষা করছে, অন্যদিকে প্রশাসন ভয় দেখিয়ে রাস্তা খালি করার চেষ্টা করছে যাতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ না পায়।

ইরানের পুলিশ প্রধান আহমদ-রেজা রাদান বলেছেন, “দাঙ্গাবাজদের” দমনে নিরাপত্তা বাহিনী এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে হতে পারে।

ইরানেও যেসব নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বহুমুখী কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা, যার মাধ্যমে ইরানের প্রধান আয় বন্ধের চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের ওপর বিধিনিষেধ থাকায় ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

২০২৫-২৬ সালের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির আওতায় জাহাজ চলাচল, ধাতু শিল্প ও সামরিক সরঞ্জাম গবেষণার ওপরও কড়াকড়ি রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগের অভিযোগে অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ওপরও ভ্রমণ ও সম্পদ বাজেয়াপ্তের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

নিষেধাজ্ঞার কী প্রভাব ইরানের অর্থনীতিতে

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের জন্য খাবার ও ওষুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির প্রধান আয়ের উৎস তেল রপ্তানিতে ধস নামায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা—সুইফট থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে এবং আমদানি-রপ্তানি ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। কাঁচামাল ও প্রযুক্তির অভাবে শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ায় তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব বাড়ছে। এই সংকট কাটাতে ইরান বিকল্প পথে বাণিজ্যের চেষ্টা করলেও তা অর্থনীতির মূল ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট হচ্ছে না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে রিট কার্যতালিকায়

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় রিটটি ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির নেতা-কর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও অনলাইন প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলনসহ দলটির সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আল আমিন নামে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপস্থিত থাকলে শেখ ফজলুল করিম সেলিম দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, শেখ সেলিম বর্তমানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার অনুপস্থিতিতে তিনিই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। শেখ রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্য ওয়ালের নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরিকল্পনা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন।

তিনি আগামী ডিসেম্বর দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান হচ্ছে বলে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না এবং এর প্রভাব ভারতের নিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে। দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের অবস্থান এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। দেশের মানুষ কষ্টে আছে উল্লেখ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশে ফিরতে চান বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তিনি নিজে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেননি। হেলিকপ্টারে সীমান্ত পার হওয়ার পর জানতে পারেন যে তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন বলে জানান।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন।

ডিসেম্বরের আগেই দেশে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও কেন ফিরবেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছা করেই বেছে নিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের বিজয়ের মাস হওয়ায় ওই সময়েই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

Continue Reading

top1

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ নির্দিষ্ট করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন হওয়ার পর বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে। তখন বিদ্যমান বদলি নীতিমালা বহাল থাকবে, নাকি নতুন নীতিমালা করা হবে—সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের গত ২ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর শূন্য পদে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের যোগদান শুরু হবে আগামী ১ অক্টোবর। নির্বাচিত প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে।

এরপর ৪ অক্টোবর তাদের পদায়ন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। নতুন শিক্ষকদের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না।

পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending