Connect with us

top3

ঈদযাত্রায় নৌপথে কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না: নৌপরিবহন মন্ত্রী

Published

on

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রায় নৌপথে কোনো ধরনের বাড়তি ভাড়া আদায় করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা জানান।

মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, পরিবহন সেক্টরে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবারের ঈদযাত্রা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ হবে বলেও তিনি সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নৌপথে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পথে কোনো ধরনের চাঁদাবাজির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে এবং নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

নৌপথের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগ ও পরিবেশগত উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল রেললাইন প্রকল্পের কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস প্রদান করেন।

এ ছাড়া টার্মিনাল পরিদর্শনকালে নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করার অভিযোগে একটি লাইটার জাহাজের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

পণ্য পরিবহন ও যাত্রীসেবায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নিয়মিত তদারকি চালিয়ে যাবে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যারা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

পরিদর্শনের সময় বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে এবার নৌপথে যাত্রী ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

প্রধান আসামি সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে

Published

on

By

রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কামরুল ইসলামের ‘সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি’ (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ তিনজনকে তিন দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই মামলায় অপর দুই আসামি হলেন এমবি স্বপন কাজী ও মো. শাওন হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল হক দিদার জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. ছাব্বির আহমেদ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরলেও আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। এতে মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি এবং ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়। মামলায় মঈনের চার সহযোগী মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, ফারুক হোসেন সুমন ও মো. লিটন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাদের চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, ‘মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে মঈন আমার স্ত্রীকে বলে, চাঁদাবাবদ এখনই তাদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমিসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে।’

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ‘এসময় আমি বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করি। পরে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাত সাত-আট জন ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়। এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে হুমকিসূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়া তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। এর ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।’

পরে শেরেবাংলা নগর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Continue Reading

top3

আসছে বৈশাখ, ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পীরা

Published

on

By

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এ উৎসব ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি। বিশেষ করে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এতটাই বেড়েছে যে দিন-রাত তাঁরা চোখের পাতা এক করতে পারছেন না। বৈশাখী মেলাকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বিভিন্ন গ্রামে রাতদিন কাজ চলছে। পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা সামগ্রী তৈরি করে রাঙিয়ে তুলছেন তারা।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের মাটির সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন কারিগরেরা। এর মধ্যে রয়েছে মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল, হাতি, ঘোড়া, নৌকা, টিয়া, সিংহ, দোয়েল, কচ্ছপ, মাছ, হাঁস ও বাহারি মাটির ব্যাংক। পয়লা বৈশাখ থেকে পুরো মাস চলবে এ ব্যবসা।

মৃৎশিল্পীরা জানান, বছরে এই একটা উৎসব ঘিরে তাঁদের অনেক আশা থাকে। এমনিতে সারা বছর মৃৎশিল্পের তেমন চাহিদা থাকে না। নববর্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী মেলা বসে। এ মেলায় কেবল চাহিদা থাকে। তাই সারা বছর উৎসবটার অপেক্ষা করেন তাঁরা। সারা বছর মাটির তৈজসপত্র তৈরি করে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করলেও মেলার জন্য তৈরি করছেন বাহারি সব মাটির খেলনা।

শিবনগর গ্রামের নরেশ চন্দ্র পাল কালবেলাকে বলেন, এখন আর মাটির জিনিসের তেমন কদর নেই। সারা বছর টানাপোড়নে চলতে হয়। পূর্বপুরুষের পেশা তাই ইচ্ছে হলেও ছাড়তে পারেন না। বৈশাখ মাস এলে মেলায় মাটির তৈরি খেলনা ও সামগ্রীর চাহিদা থাকে। তাই এই সময়টায় ভালো আয় হয়।

মদির পাল বলেন, এ শিল্পের জন্য প্রয়োজন হয় পরিষ্কার এঁটেল মাটি। কিন্তু এখন মাটির অভাব। তার ওপরে রংসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় অনেক বেড়েছে। সে অনুযায়ী উৎপাদিত পণ্যের দাম অতটা বাড়েনি। তারপরও পূর্বপুরুষেরা এ পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাই সেই ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। এসব মাটির খেলনা ৩০ থেকে ১৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হয়।

রমেশ পাল নামে এক মৃৎশিল্পী বলেন, বাজারে এখন মাটির তৈরি পণ্যের কোনো কদর নেই। প্লাস্টিক পণ্যের ওপর মজেছে মানুষ। ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের দৃষ্টি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। কুমাররা কীভাবে বেঁচে আছে, তারা তাদের পারিশ্রমিক অনুযায়ী ন্যায্যমূল্য পায় কি না এ খোঁজখবর কেউ রাখে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি এ পেশাকে বাঁচিয়ে রাখতে এখনই যথাযথ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেন, তাহলে একসময় মৃৎশিল্পের বিলুপ্তি ঘটবে।

Continue Reading

top3

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চবি শিক্ষার্থী মৃত্যু

Published

on

By

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ৮টার দিকে পড়ার টেবিলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেয় সহপাঠীরা। পরে সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম জীবক চাকমা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাসা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায়। তার বাবার নাম রবিলেন্দু চাকমা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বশান্তি প্যাগোডার হোস্টেলে থাকতেন।

জীবক চাকমার মৃত্যুর বিষয়ে চবির মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব চৌধুরী বলেন, আজ সকালে ওই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় মেডিকেল সেন্টারে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করি, তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। তার কোনো জ্ঞান ছিল না। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, আজ সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সহপাঠীরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন বলে আমরা জেনেছি।

Continue Reading

Trending