Connect with us

top1

ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

Published

on

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনসাধারণের কষ্ট লাঘবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রমজান মাসেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেই চান অন্তত পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে আসন্ন ঈদের আগেই এই কার্যক্রম শুরু করতে। নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতা ও সুবিধাভোগীদের সংখ্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই কার্ড মূলত সার্বজনীন করার লক্ষ্য রয়েছে এবং এতে প্রাথমিক কোনো কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে না। তবে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসবে।

মূলত মেকানিজম বা কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সরকার চায় এই কার্ডের মাধ্যমে সঠিক মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।

বামপন্থী রাজনৈতিক দল সিপিবির সাম্প্রতিক উদ্বেগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ইতিবাচক সাড়া দেন। সিপিবি জানিয়েছিল যে, আগামী অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হলে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কার্ড চালুর বিষয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই এবং সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। কীভাবে কার্ডগুলো বিতরণ করা হবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে এখন কারিগরি কাজ চলছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশব্যাপী বড় পরিসরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

রমজানের শুরুতেই বাজারে পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম চড়া হওয়ার যে খবর পাওয়া গেছে, তা নিরসনেও এই ফ্যামিলি কার্ড বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার মনে করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যের পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালী করার নতুন এক যাত্রা শুরু হলো। সরকার আশা করছে, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত কার্ড হাতে পাবেন এবং সুলভ মূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রাজধানীর যেসব জায়গায় বসবে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে মেলা

Published

on

By

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব, যা ঢাকায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে। লাল-সাদা পোশাক, মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহারে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানী।

বিসিক মেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখানে হস্তশিল্প, নকশিকাঁথা, মাটির পণ্যসহ দেশীয় ঐতিহ্যের নানা সামগ্রী পাওয়া যাবে। মেলা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এসএমই বৈশাখী মেলা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৮ এপ্রিল চলবে। এ মেলায় ৩০০টির বেশি স্টল, দেশীয় পণ্য, খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে।

কামাল আতাতুর্ক পার্ক, বনানীতে ‘লাল বৈশাখী’ আয়োজনের অংশ হিসেবে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন রাইপ, নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, ফটোবুথ, বালিশ খেলা ও মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো আকর্ষণীয় কার্যক্রম থাকবে। এখানে হাবিব ওয়াহিদসহ কয়েকটি ব্যান্ডের কনসার্টও অনুষ্ঠিত হবে। প্রবেশমূল্য ৩০০ টাকা।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রিমিয়াম বৈশাখী আয়োজনের মধ্যে নাচ, গান, নাগরদোলা এবং বৈশাখী খাবারের সমাহার থাকবে। প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০০ টাকা।

এয়ার ফোর্স বেইজক্যাম্প, আগারগাঁওয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে বাউল গান, পটারি, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এ আয়োজনে মেহেদি উৎসব এবং ফেস পেইন্টিংও থাকবে।

শেফস টেবিল কোর্টসাইড, ভাটারায় ‘উৎসবে বৈশাখ’ শিরোনামে বিভিন্ন খেলাধুলা, আলপনা, পাপেট শো এবং কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণ প্রবেশ টিকিট ২০০ টাকা এবং কনসার্টের জন্য ৮০০ টাকা খরচ হবে।

‘আর্কা বৈশাখ ১৪৩৩’ আয়োজনের মাধ্যমে গুলশানে বৈশাখের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পুরান ঢাকা, বিশেষ করে চকবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে দেশি খাবার, খেলনা, মাটির সামগ্রী এবং পুরান ঢাকার বৈশাখী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে।

Continue Reading

top1

বাংলা নববর্ষে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

Published

on

By

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মহাকালের পরিক্রমায় আমাদের দুয়ারে সমাগত আরও একটি বাংলা নববর্ষ। এবারের নববর্ষ আমাদের জীবনে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে এসেছে।

জামায়াত আমির বলেন, বাংলা নববর্ষে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভাই বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে প্রিয় দেশ ও জাতিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

শেষে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন সবার জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাই। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

Continue Reading

top1

ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Published

on

By

লেবাননে হামলার জবাবে এবার ইসরায়েলে দফায় দফায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইসরায়েলের ওপর একাধিক এই হামলার দায় স্বীকার করে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, অবৈধ ইসরায়েলি বসতি ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি আরও জানায়, ইসরায়েলের মিসগাভ আম বসতি, কাফার গিলাদি অঞ্চলে ইসরায়েলি সৈন্যদের ঘাঁটি এবং জারিট ব্যারাক লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

হিজবুল্লাহর ক্রমাগত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এসব অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এসব হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে হিজবুল্লাহ দাবি করে, তারা মধ্যরাতে উত্তর ইসরায়েলের দুটি শহরে রকেট ব্যারেজ ছুড়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোতে বারবার হামলা চালানোর জবাবে এই হামলা চালানো হয়।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ২০ মিনিটে কিরিয়াত শমোনা শহর এবং রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ডোভিভ বসতিতে রকেট হামলা চালানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েল ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান, বসতি, সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ৪৩টি হামলা চালিয়েছে।

Continue Reading

Trending