Connect with us

top1

উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানের নতুন হামলা

Published

on

উপসাগরীয় দেশগুলোতে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতজুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া গেছে। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) প্রায় পুরো অঞ্চলেই হামলা চালিয়েছে তেহরান। তবে বেশির ভাগ হামলাই প্রতিহত করা হয়েছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হওয়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে, যা গত কয়েক দিনের মধ্যে দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। বাহরাইনের রাজধানীতে দুটি হোটেল এবং একটি আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কুয়েত সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গত রাতে তাদের লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। রাজধানী কুয়েত সিটির দক্ষিণের একটি বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরণ ও আগুনের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার কারণে কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস খালি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কাতারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের জলসীমায় পড়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানি ড্রোনের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্ক

Published

on

By

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওমান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহীরণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ ইরানি ড্রোনের নিখুঁত নিশানায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

সংস্থাটির মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যেরণতরী টি যখন ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে ৩৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছিল, ঠিক তখনই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর ড্রোনগুলো সেটির ওপর আক্রমণ চালায়।

এই বিধ্বংসী হামলার পরপরই আব্রাহাম লিঙ্কন তার সহযোগী ডেস্ট্রয়ারগুলোসহ দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে পলায়ন করে এবং বর্তমানে এটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান করছে বলে তেহরান দাবি করেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে কয়েক দিন আগে থেকেইরণতরীটিকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল, তারা আব্রাহাম লিঙ্কনকে লক্ষ্য করে চারটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই ধারাবাহিক ও শক্তিশালী আক্রমণ শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে এক নতুন পর্যায়ের যুদ্ধের সূচনা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। আইআরজিসি এক সতর্কবার্তায় বলেছে, ‘সন্ত্রাসী আগ্রাসনকারীদের’ জন্য এখন থেকে আকাশ, স্থল ও সমুদ্র হবে এক একটি সমাধিক্ষেত্র এবং কোনোভাবেই তাদের রেহাই দেওয়া হবে না।

ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই সফল অভিযানের ফলে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরানি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন, যার ফলেরণতরীগুলো পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

ওমান সাগরের এই সামরিক বিজয়কে ইরান তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও নিখুঁত রণকৌশলের সাফল্য হিসেবে দেখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও এই পিছু হটার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ আব্রাহাম লিঙ্কনের মতো বিশালরণতরী সাধারণত কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধেই এভাবে সরাসরি আক্রমণের মুখে ফিরে যায় না।

বর্তমানে পুরো ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ইরানের সামরিক উপস্থিতি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তেহরান মনে করে, মার্কিন বিমানবাহীরণতরীকে এলাকা ছাড়া করার মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সমর্থ হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি, তবে ইরানের এই দাবি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই সংঘাতের জেরে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক দাপট বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

Continue Reading

top1

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্লাস্টার ব্যালাস্টিক মিসাইল

Published

on

By

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় ক্লাস্টার বোমার সাব-মিউনিশন (ছোট বিস্ফোরক) আকাশ থেকে পড়ে আসার সম্ভাব্য দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান তাদের দিকে ছোড়া কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করেছে।

টাইসস অব ইসরায়েলের লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে আকাশ থেকে একাধিক ছোট বিস্ফোরক মাটির দিকে পড়ে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ক্লাস্টার বোমার সাব-মিউনিশন।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড মাটির দিকে নামার সময় মাঝ আকাশে খুলে যায়। এরপর এর ভেতর থেকে প্রায় ২০টি ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রতিটি সাব-মিউনিশনে প্রায় ২.৫ কেজি বিস্ফোরক থাকে এবং সেগুলো প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লাস্টার বোমা অত্যন্ত বিপজ্জনক অস্ত্র। কারণ এর অনেক সাব-মিউনিশন বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে পারে, যা পরে সাধারণ মানুষের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

বিশ্বের অনেক দেশ এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করলেও এখনো সব দেশ সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইতোমধ্যে অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

Continue Reading

top1

চলমান সংঘাতে ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত!

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলায় সংঘাত তীব্র হয়েছে। এ সংঘাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তবে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। কর্মকর্তা আলি লারিজানি এ দাবি করেছেন।

পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে ‘অন্যায় যুদ্ধ’ বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে চারজন কুয়েতে নিহত হয়েছেন।

বুধবার (৪মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘ভাঁড়ামিপূর্ণ আচরণে’ প্রভাবিত হয়েছেন। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি অন্যায় যুদ্ধে জড়িয়ে দিয়েছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

পোস্টে তিনি লেখেন, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এখন ট্রাম্পকে হিসাব করতে হবে-যুক্তরাষ্ট্র কি এখনও সবার আগে, নাকি ইসরায়েল? বর্তমানে লারিজানি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল-এর প্রধান। এর আগে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘গল্প এখানেই শেষ নয়।’তিনি আরও বলেন, ‘ইমাম খামেনির শাহাদাতের জন্য আপনাদের বড় মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ। সরকারি হিসাবে, চার দিনের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০ জন ইরানি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে ১৬৫ জন স্কুলশিশুর মৃত্যুর খবর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে নিজের বাসভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থানকালে হামলার লক্ষ্যবস্তু হন খামেনি। নিহতদের মধ্যে তার স্ত্রী, মেয়ে, পুত্রবধূ, জামাতা ও নাতি-নাতনিও ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, ইরান ‘দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার যে প্রস্তাব ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি দিয়েছিলেন, তা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা মধ্যস্থতা করছিল ওমান

Continue Reading

Trending