Connect with us

জাতীয়

একাই শপথ নিলেন জোনায়েদ সাকি

Published

on

ডেস্ক নিউজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের চতুর্থ ধাপে একাই শপথ নিলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি। তবে নির্বাচনে জোনায়েদ সাকি বাদে কেউ জয়ী না হওয়ায় দলটির পক্ষ থেকে একমাত্র সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১টার দিকে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিইসির কাছে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নির্বাচনে জয়ী দলের সদস্যরা। যদিও বিএনপি সংবিধান সংস্কারের শপথ করেননি।

এদিকে বিএনপির নবনির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় প্রথমে বেঁকে বসলেও শেষ পর্যন্ত শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামের সদস্যরা। তাদের শাথে শপথে অংশ নেন স্বতন্ত্র এমপিরা। এসময় নির্ধারিত সময়ে পৌছাতে না পারায় বিএনপির সাথে শপথে অংশ নিতে না পারা ইশরাক হোসেনও শপথ নেন। 

এদিন দুপুর ১টার কিছু পর শপথ নেয় এনসিপি্র ৬ এমপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতটি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দেশে এপ্রিল-মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

দেশে এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের আমদানিকৃত সকল জ্বালানি এসেছে। মার্চ ও এপ্রিলে কিছুটা বিঘ্নিত হলেও এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা আছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।

Continue Reading

top1

নিজেরাই সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে স্পিকার

Published

on

By

ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমরা নিজেরাই সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম।

বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালে সিলেট-৩ আসনের বিএনপি দলীয় সদস্য আব্দুল মালিকের এক সম্পূরক প্রশ্নের পর স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবেন।

স্পিকার বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী হিসেবে আমার কিঞ্চিৎ অভিজ্ঞতা আছে। এই যে টিপাইমুখ বাধ এটি বাংলাদেশেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের অনুরোধে চালু করেছিল ভারত। আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম।

এদিন পরিবেশ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেটের বন্যা ও খরার দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন আব্দুল মালিক। তিনি বলেন, কালবৈশাখী ও বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি পানি ও বরাক নদীর উজানের প্রবাহে সিলেটের রাস্তাঘাটসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে চলে যায়। আবার খরার মৌসুমে পানির অভাবে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে তিনি জানতে চান, টিপাইমুখ বাঁধের বিষয়ে সরকারের কী পরিকল্পনা আছে এবং পাহাড়ি পানির চাপ ঠেকাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জবাবে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, টিপাই মুখ যে ব্যাপারটা মাননীয় সংসদ সদস্য বলছেন সেটা আমি আমাদের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলব যাতে করে ভবিষ্যতে এই সমস্যাটা সমাধান করা যায়।

তিনি আরো বলেন, ‘ওই বাধ ভাঙ্গনের ফলে যেভাবে উনি বলছেন যে একবার পানিতে তলিয়ে যায় আরেকবার পানি পাওয়া যায় না … আমরা নেব যাতে করে ভবিষ্যতে এই সমস্যাটা কমে যায়।’

মন্ত্রীর উত্তরের পরই স্পিকার নিজের অভিজ্ঞতার কথা টেনে টিপাইমুখ ইস্যুতে ওই মন্তব্য করেন।

Continue Reading

top2

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে: ডা. জাহেদ

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির মতো ঘটনাকে ভীষণভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, কোনো অবস্থাতেই গণপিটুনি বা মব জাস্টিস মেনে নেওয়া হবে না। অপরাধী যত বড়ই হোক না কেন, শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সমাজে অরাজকতা তৈরি করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দণ্ডনীয় অপরাধ।

তিনি বলেন, অতীতে কিছু সময়ে এসব কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে সমাজে একটি ভুল প্রবণতা তৈরি হয়েছে। মানুষ মনে করছে, চাইলেই কাউকে শাস্তি দেওয়া যায়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কেউ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, শারীরিকভাবে আঘাত করাও আইনসম্মত নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকতে পারে, তবে সেটি দূর করার জন্য সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিত বা সংগঠিত সহিংসতাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়লেও তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। গণপিটুনির মাধ্যমে নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে এবং যে কোনো অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Continue Reading

Trending