Connect with us

top3

এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেরোবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও অভ্যন্তরীণ সড়কে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি মশকনিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান সোহেল বলেন, “বেরোবি ছাত্রদলকে ধন্যবাদ। এমন একটি উদ্যোগ আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে লাইব্রেরি ও আশপাশের এলাকায় মশার উপদ্রবের কারণে সন্ধ্যার পর স্বাভাবিকভাবে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কার্যক্রম থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশ আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তুহিন রানা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য মশা নিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।”
তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ ও ভয়াবহতার চিত্র আমরা লক্ষ্য করেছি। এ কর্মসূচির পাশাপাশি বেরোবি প্রশাসনের প্রতি আমাদের আবেদন, এডিস মশা নিধনে যেন আরও কার্যকর ও নিয়মিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হল প্রশাসনকেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেরোবি ছাত্রদল।প্রযুক্তির সাহায্যে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হয়বেরোবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ছাত্রদলের এমন ইতিবাচক কার্যক্রম সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, শুধু একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দসহ চার দফা দাবিতে হল প্রভোস্টের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হল শাখা ছাত্রশিবির।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদের কাছে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে তাদের দাবিগুলো হলো— অবৈধভাবে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে বৈধ ও সিটপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের জন্য স্বচ্ছ ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশ, নিয়মতান্ত্রিক ও স্থায়ী সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়ন এবং প্রতি ছয় মাস অন্তর সিট বণ্টনের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি হলের ডাইনিংয়ে মানসম্মত, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতের জন্য নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও মতামত মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা চালুর করা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধার্থে রিডিং রুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ও পাশে একটি ওয়াশরুম স্থাপনের দাবি জানান তারা।

এবিষয়ে সাদ্দাম হোসেন হল সভাপতি ইয়াকুব ইসলাম বলেন, ‘হলের অবৈধ শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে অনেক বৈধ শিক্ষার্থী হলে সিট না পেয়ে মেসে অবস্থান করছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। আমাদের মূল দাবি হলো, অবৈধ শিক্ষার্থীদের অপসারণ করে মেসে অবস্থানরত বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে সিটের ব্যবস্থা করা।’

তিনি আরও বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুমের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটিও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের গণদাবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুম থাকায় শিক্ষার্থীরা সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারছেন। কিন্তু সাদ্দাম হোসেন হলের রিডিং রুমের পরিবেশ তেমন সুবিধাজনক নয়। তাই অনেক আগে থেকেই আমরা প্রভোস্টের কাছে রিডিং রুমটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার দাবি জানিয়ে আসছি। এ বিষয়ে প্রভোস্ট স্যার আমাদের জানিয়েছেন, আপাতত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। তবে ওয়াশরুমসহ অন্যান্য দাবির বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে হল প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।’

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অতিসত্বর অপসারণের বিষয়ে ইতোমধ্যে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান করতে পারব। স্থায়ী লিখিত সিট বণ্টন নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলের প্রভোস্ট, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ডাইনিংয়ের খাবারের মান উন্নয়নে ডাইনিং কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বলা হয়েছে। তারাও খাবারের মান উন্নয়নে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে এবং বিষয়টি সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’

রিডিং রুম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার দাবির বিষয়ে প্রভোস্ট বলেন, ‘রিডিং রুমে এসি দেওয়ার বিষয়টি আমি ইচ্ছা করেই করিনি। কারণ আমাদের হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত পরিবারের। এখানে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ৪০০ জনের বেশি। এসি স্থাপন করলে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী সেখানে পড়ার সুযোগ পাবে। তাহলে বাকি শিক্ষার্থীর কোথায় পড়বে? সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত না করে শুধু ৪০ জন শিক্ষার্থীর জন্য এসির ব্যবস্থা করাকে আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি।’

Continue Reading

top3

কুবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের মশকনিধন কর্মসূচি

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘ক্লিন ক্যাম্পাস, গ্রিন ক্যাম্পাস; ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাই একসঙ্গে’ স্লোগানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে মশকনিধন ও স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ১০ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ ও সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের কাছে প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে ছাত্রদলের স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মশকনিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, মুক্তমঞ্চসংলগ্ন এলাকা এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলের বিভিন্ন স্থানে ফগার মেশিনের মাধ্যমে স্প্রে করা হয়। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা স্থানগুলোতেও মশকনিধন কার্যক্রম চালানো হয়।

স্মারকলিপিতে জরুরি ভিত্তিতে ক্যাম্পাসজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়মিত পরিষ্কার ও সচল রাখার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিত মশকনিধন ও ফগিং কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ঝোপঝাড় ও পরিত্যক্ত স্থান পরিষ্কার, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর কথাও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার বলেন, “শুধু কর্মসূচি পালন করাই যথেষ্ট নয়, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষাকে নিয়মিত চর্চায় পরিণত করতে হবে। প্রশাসন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতেও মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।”

আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রত্যেক আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”

Continue Reading

top3

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের মশক নিধন কর্মসূচি

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে মশক নিধন কর্মসূচি পালন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়।

এ বিষয়ে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মশামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে শাবিপ্রবি ছাত্রদল তাদের সেবামূলক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’
কর্মসূচিতে সহযোগিতা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ফগিং ও মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়েছে।
‘আমাদের লক্ষ্য শুধু ডেঙ্গু প্রতিরোধ নয়, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব,’ বলেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নাঈম সরকার।

Continue Reading

Trending