Connect with us

top1

এনসিপিকে কতগুলো আসন ছাড়তে রাজি বিএনপি, যা জানা গেল

Published

on

রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই সনদ কিংবা রাজনৈতিক নানা ইস্যুতে গত কয়েক মাস ধরেই বিএনপির সঙ্গে এনসিপির এক ধরনের টানাপোড়েন দেখা গেছে রাজনীতির মাঠে।

এ নিয়ে প্রকাশ্যে সভা সমাবেশে এনসিপি নেতাদেরও অনেককে বিএনপির সমালোচনাও করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে বিএনপি নেতাদেরও অনেককে এনসিপির সমালোচনা করতে দেখা গেছে নানা ইস্যুতে।

বিশেষ করে সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি ও এনসিপির মতপার্থক্য দল দুটির মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরো বাড়তে থাকে।

বিএনপি নেতাদের অনেককে অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা ছাত্র উপদেষ্টাদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যও করতে দেখা গেছে বিভিন্ন সময়। আবার দেশের কোথাও কোথাও এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা কিংবা বাধা দেওয়ারও অভিযোগও উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

সর্বশেষ, সংস্কারের বেশ কিছু ইস্যুতে বেশ মত পার্থক্য দেখা গেছে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে।

একদিকে এই দুটি দলের মধ্যে যখন সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে তখন পর্দার আড়ালে বিএনপির সাথে নির্বাচনি সমঝোতা কিংবা জোট গঠনের আলোচনার কথাও বলেছে দলটির নেতাদের কেউ কেউ।

তবে এনসিপির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির সাথে জোট গঠনের বিষয়ে এনসিপির মধ্যে দুই ধরনের অবস্থান আছে নেতাদের মধ্যে।

দলের যে পক্ষটি বিএনপির সাথে জোট গঠনের পক্ষে তাদের মত হচ্ছে, নির্বাচনে যদি বেশি সংখ্যক আসন ছাড় দেওয়া হয় তাহলে বিএনপির জোটে যেতে আগ্রহী তারা। সেক্ষেত্রে এনসিপির প্রত্যাশা অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি আসনে বিএনপি ছাড় দেয়, তাহলে তারা বিএনপি জোটে কিংবা বিএনপির সাথে আসন সমঝোতায় যেতে রাজি।

আর অন্য পক্ষটির বক্তব্য হচ্ছে, নির্বাচনে বিএনপি আসন ছাড় দিলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কোনো কোনো আসনে বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করতে পারে। যেটি এনসিপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘আপাতত বিএনপির সাথে জোট বা আসন সমঝোতা কোনো বিষয়েই সিদ্ধান্ত নেই নি’।

তবে শেষ পর্যন্ত এনসিপির সাথে জোট বা সমঝোতার সুযোগ আছে সেটি বলছেন বিএনপির নেতাদের কেউ কেউ। এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে দুই দলের নেতাদের মধ্যে যোগাযোগও হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির একটি সূত্র বলছে—এনসিপিকে ২০টি আসন বিএনপি ছেড়ে দিতে পারে। এর মধ্যে বিএনপির পুরো সমর্থন পেলে, বিদ্রোহী প্রার্থী না দাঁড়ালে ৮ জন প্রার্থী জয়ী হয়ে আসতে পারে বলে বিএনপি প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধানে ধারণা পেয়েছে। বাকী ১২ জনের ব্যাপারে সম্ভাবনা কম থাকলেও জোটে টানার স্বার্থে বিএনপিকে ছাড় দিতে হতে পারে।

এদিকে আগামী নির্বাচনে তরুণদের বেশি সংখ্যায় প্রার্থী করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে চিন্তা করছে বিএনপি। ঢাকা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের কাছে তরুণদের বেশি সংখ্যায় প্রার্থী করার বার্তা পাঠানো হয়েছে। দলের দায়িত্বশীল একজন নেতা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তরুণদের বেশি সংখ্যায় প্রার্থী করার বিষয় মাথায় রেখেই তরুণদের দল এনসিপিকে বিএনপি তাদের নির্বাচনি জোটে টানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঢাকার বার্তায় বলা হয়েছে, ৪৫ বছরের পুরোনো দল হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় বিএনপির অনেক সাবেক এমপি রয়েছেন। তারা এবারও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। যদিও তাদের অনেকের বয়স ৭০ কিংবা তারও বেশি। এমনকি কারও বয়স আশিও পেরিয়ে গেছে। এলাকায় তারা সম্মানিত ব্যক্তি। তবে এবার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটটি ভিন্ন। ২০০৮ সালের পর গত ১৭ বছরে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে দেশের বেশিরভাগ মানুষ ভোট দেননি। ২০০৮ সালের যার বয়স ১৮ এর কম ছিল, তিনি এখন ৩৫ বছরের টগবগে তরুণ। তারা এবার প্রথম ভোট দেবেন। সুতরাং তারা কাকে পছন্দ করবেন সেটা পরীক্ষিত নয়। বাংলাদেশে ভোটারদের প্রায় ৬০ শতাংশ তরুণ ।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে (এমনকি বিএনপির উদ্যোগে পরিচালিতসহ) দেখা গেছে—একটি বড় সংখ্যক, প্রায় ২৫ শতাংশ ভোটার এখনও সিদ্ধান্ত নেননি, তারা কোন দলের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। এই ২৫ শতাংশের বড় অংশই তরুণ। সে বিবেচনায় এবার তরুণ ভোটাররা একটি ফ্যাক্টর হবে। তরুণরা তরুণ প্রার্থীদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার বড় যুক্তিও রয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণরা নেতৃত্ব দিয়েছে। আবার সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তরুণরা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে। সারা দেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে যাওয়া তরুণরা ছিল এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটার। সেখানেও দেখে গেছে তরুণদের মাঝে বিএনপি সমর্থিত ছাত্রদল সুবিধা করতে পারেনি। তারা পিছিয়ে আছে।

এসব নানা বিষয় বিবেচনা করে ঢাকা থেকে তারেক রহমানের কাছে বার্তা গেছে তিনি যেন প্রার্থী চুড়ান্ত করার ক্ষেত্রে তরুণ ও ত্যাগী এবং জুলাইসহ ১৭ বছরের হাসিনার ফ্যাসিবাদ বিরোধী অন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালনকারী তরুণদের বিষয়টি গুরুত্ব দেন। প্রয়োজনে দল থেকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে হলেও তরুণদের প্রার্থী করার ব্যাপারে যেনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মহাসড়কে ৬ দিন ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ: ডিএমপি

Published

on

By

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় গমনাগমন করবেন। ঈদের সময় আনুমানিক ১ কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ত্যাগ করেন এবং প্রায় ৩০ লক্ষাধিক প্রবেশ করেন। তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রোববার (২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগামীকাল ২৫ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাডার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। তবে পশুবাহী যানবাহন, নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালী ও খাদ্য-দ্রব্য, পঁচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ঔষধ, সার, এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।

সড়ক/মহাসড়কে যান চলাচল সংক্রান্ত নির্দেশনায় আরও বলা হয়-

ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, রুট পারমিটবিহীন বাস চলাচল করতে পারবে না। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলোকে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। অনুমোদিত কাউন্টার ছাড়া রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা-নামানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীতে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার রাস্তাসমূহে কোনভাবেই যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। লক্কর-ঝক্কর, ফিটনেসবিহীন, যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত ও কালো ধোঁয়া নির্গমণকারী গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না।

ঈদযাত্রার চাপ সামাল দিতে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ মে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে ধউর ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক একমুখী করা হবে। এ সময়ে এই পথে শুধু ঢাকা থেকে বের হওয়া যানবাহন চলাচল করতে পারবে। ঢাকায় প্রবেশকারী যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

এদিকে যানজট কমাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। এর মধ্যে রয়েছে বনানী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর রোড, ফুলবাড়িয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে ধউর ব্রিজ সড়ক।

Continue Reading

top1

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের ফাঁসি আদেশ

Published

on

By

মেহেরপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ঘটনায় শাকিল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন আদালত।

রবিবার (২৪ মে) দুপুর দেড়টায় মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ২৯ কার্য দিবসের মধ্য স্ব-শরীর ও ভার্চুয়াল ভিডিও কলের মাধ্যমে তিন দিনে স্বাক্ষী জবানবন্দি জেরা গ্রহণ করে আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের পুত্র।

ফাঁসি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গাংনী উপজেলা চাঁদপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে তার পিতাকে বাড়ির পাশের আবাদী মাঠে খাবার দিতে যাওয়ার সময় ধর্ষক শাকিল হোসেন শিশুটিকে দেশীয় অস্ত্র ধারালো হাসুয়া দিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে পাশ্ববর্তী পাট খেতে নিয়ে গিয়ে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ধর্ষণ শেষে শিশুর চিৎকারে ধর্ষক পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে গ্রামবাসী ধর্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেয়।

পুলিশ ধর্ষককে উত্তেজিত মানুষের কাছ থেকে উদ্ধার করে আটক করে। পরে শিশুর পিতা ইছানুল হক গাংনী থানায় গিয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে।

মামলার তদন্ত রিপোট পুলিশ দাখিলের পর আদালত ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলায় ১২ জন সাক্ষীর ভার্চুয়ালি ভিডিও কলে ও সশরীরে জবানবন্দি জেরা গ্রহণ করেন।

সাক্ষ্য প্রমাণে এবং মেডিকেল পরীক্ষা রিপোর্টে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ধর্ষক শাকিল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর কারাদণ্ড আদেশ দেন। জরিমানার টাকা ধর্ষকের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে বিক্রয়লদ্ধ অর্থ আদালতের মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবারকে পরিশোধের আদেশ দিয়েছে আদালত।

রায় ঘোষণাকালে আদালতে গণমাধ্যম কর্মীরা সহ আসামিপক্ষে আইনজীবী ও অন্য আইনজীবী, ধর্ষক উপস্থিত থেকে রায় শ্রবণ করেন। অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসাবে মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ড রায়ে ধর্ষিত শিশুর পরিবার খুশি বলে সাংবাদিকদের জানান। অন্যদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল হোসেনের আইনজীবী উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বলেন

Continue Reading

top1

৭ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন , ছুটি বাতিল হতে পারে বিশেষ আদালতের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্যে যা করতে হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় করবে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “আজ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে। বিশেষ এই আদালতে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করছি।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা হত্যার আসামিকে ৭ ঘণ্টার ভেতর গ্রেপ্তার সম্ভব হয়েছে। আমরা খুব দ্রুততার সাথে ডিএনএ টেস্ট করিয়েছি। পোস্টমর্টেম সহ সব রিপোর্ট একত্র করে গতকাল রাতের মধ্যেই চার্জশিট তৈরি হয়েছে। আশা করছি বিচারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ আদালতের ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত হতে পারে’

এদিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে রোববার আদালতে হাজির করা হয়েছে।

এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, ডিএনএ প্রতিবেদনের তথ্য আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

পরে ২০ মে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন

Continue Reading

Trending