Connect with us

top1

এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই সেই রিকশাচালক সুজনের

Published

on

অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ জনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এসব আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়াদের নাম ঘোষণা করেন। তবে সেই তালিকায় নাম নেই গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি স্যালুট দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসা রিকশাচালক সুজনের। ঢাকা-৮ আসনের জন্য গত ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন সুজন।

তার সেই আসনে প্রার্থী দেয়নি এনসিপি।  

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা মনোনয়নপত্র বিতরণের কাজ শেষ করেছি। আজ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করছি। আজ যাদের নাম প্রকাশ করব তাদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা তদন্ত করে তার প্রার্থিতা বাতিল করব।

’

কোন আসনে কে মনোনয়ন পেলেন :পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ।

এ ছাড়া পাবনা-৪ আসনে অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুল মজিদ, মেহেরপুর-১ আসনে মো. সোহেল রানা, মেহেরপুর-২ আসনে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, ঝিনাইদহ-১ আসনে অ্যাডভোকেট লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার), যশোর-৪ আসনে মো. শাহজাহান কবীর, মাগুড়া-২ আসনে মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনে মোল্যা রহমাতুল্লাহ, খুলনা-১ আসনে মো. ওয়াহিদ উজ জামান, খুলনা-২ আসনে ফরিদুল হক, পটুয়াখালী-১ আসনে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও পটুয়াখালী-২ আসনে মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এদিকে ভোলা-১ আসনে অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, বরিশাল-৪ আসনে আবু সাঈদ মুসা, বরিশাল-৫ আসনে মো. নুরুল হুদা চৌধুরী, ঝালকাঠি-১ আসনে ডা. মাহমুদা আলম মিতু, পিরোজপুর-৩ আসনে ড. মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-১ আসনে সাইদুল ইসলাম (শহিদ সাজিদের পরিবার), টাঙ্গাইল-৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৫ আসনে মাসুদুর রহমান রাসেল, টাঙ্গাইল-৭ আসনে খন্দকার মাসুদ পারভেজ, জামালপুর-৪ আসনে ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, শেরপুর-১ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া ও শেরপুর-২ আসনে খোকন চন্দ্র বর্মণ (আহত) এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।

অন্যদিকে ময়মনসিংহ-১ আসনে মো. আবু রেহান, ময়মনসিংহ-৩ আসনে কবি সেলিম বালা, ময়মনসিংহ-৫ আসনে মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, ময়মনসিংহ-৬ আসনে জাবেদ রাসিন, ময়মনসিংহ-৭ আসনে অ্যাডভোকেট এ. টি. এম. মাহবুব-উল আলম, ময়মনসিংহ-৯ আসনে আশিকিন আলম (রাজন), ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, নেত্রকোণা-২ আসনে ফাহিম রহমান খান পাঠান, নেত্রকোণা-৩ আসনে প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম), কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আবু সাঈদ (সাঈদ উজ্জ্বল) ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে শেখ খায়রুল কবির আহমেদ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এছাড়াও মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে আলী নেওয়াজ, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-১ আসনে মো. রাসেল আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনে ডা. জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা-৫ আসনে এস এম শাহরিয়ার, ঢাকা-৭ তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১১ আসনে মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৩ আসনে আকরাম হুসাইন, ঢাকা-১৫ আসনে অবসরপ্রাপ্ত মেজর মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৭ ডা. তাজনূভা জাবীন, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১৯ আসনে ফয়সাল মাহমুদ শান্ত ও ঢাকা-২০ আসনে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।

এদিকে গাজীপুর-৬ আসনে ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল, নরসিংদী-১ আসনে মো. আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, নরসিংদী-৪ আসনে ডা. মো. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর, নরসিংদী-৫ আসনে মো. নাজমুল হক সিকদার, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আহমেদুর রহমান তনু, রাজবাড়ী-২ আসনে সাইয়েদ জামিল (জামিল হিজাযী) ও ফরিদপুর-৩ আসনে সৈয়দা নীলিমা দোলা জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রলয় কুমার পাল, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মো. আরিফুল দাড়িয়া, শরীয়তপুর-১ আসনে মো. আব্দুর রহমান, সিলেট-১ আসনে এহতেশাম হক, সিলেট-৩ আসনে ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, সিলেট-৪ আসনে মো. রাশেল উল আলম, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ, হবিগঞ্জ-৪ আসনে নাহিদ উদ্দিন তারেক, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ আসনে মো. আতাউল্লাহ এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।

এছাড়া কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ আসনে নাভিদ নওরোজ শাহ, চাঁদপুর-১ আসনে আরিফুল ইসলাম, চাঁদপুর-২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, চাঁদপুর-৫ আসনে মো. মাহাবুব আলম, ফেনী-৩ আসনে মোহাম্মাদ আবুল কাশেম, নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার মো. ওমর ফারুক, নোয়াখালী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ, চট্টগ্রাম-৬ আসনে মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্রগ্রাম-১১ আসনে মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মুহাম্মদ হাসান আলীম চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আবদুল মাবুদ সৈয়দ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মীর আরশাদুল হক জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে লড়বেন।

এদিকে কক্সবাজার-১ আসনে মো. মাইমুল আহসাম খান, কক্সবাজার-২ আসনে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, কক্সবাজার-৪ আসনে মুহাম্মদ হোসাইন ছাড়াও খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা, রাঙামাটিতে প্রিয় চাকমা ও বান্দারবানে মংসা প্রু চৌধুরী এনসিপির হয়ে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে বছরের পর বছর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার ধারাবাহিকতা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ৬৫১ জন কর্মকর্তার ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফেল করার ধারাবাহিকতা বছরের পর বছর চলতে দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের বারবার পরীক্ষা নেওয়া কিংবা কালক্ষেপণের সুযোগ রাখবে না সরকার। যারা সাধারণ শিক্ষায় এগোতে পারবে না, তাদের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনায় পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে একটি প্রজন্মকে নৈতিকভাবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আয়োজন করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ। পড়ালেখা ও খেলাধুলার সমন্বয়ে বিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. সরদার কেরামত আলী। এতে বক্তব্য দেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, আরডিএর মহাপরিচালক আব্দুল মজিদ এবং শিক্ষামন্ত্রীর সহধর্মিণী নাজমুন নাহার বেবী।

Continue Reading

top1

ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা, আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ডা. জাহেদ উর রহমান ঘটনাটিকে ‘আওয়ামী সন্ত্রাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই বিনা চ্যালেঞ্জে যেতে দেওয়া হবে না।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা। পুনর্মিলনের পথ তৈরি করতে হলে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দলটির মধ্যে এখন পর্যন্ত অনুতাপের লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং তারা নানা ধরনের সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন—এ কারণে তাঁকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে। এ ছাড়া অভিনেত্রী বাঁধনকেও হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রকাশ্যে সহিংসতা ও সন্ত্রাসে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে—এমন একটি দলের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্ন আসে না। পুনর্মিলনের ন্যূনতম সম্ভাবনা থাকলে আওয়ামী লীগেরই নিজেদের অবস্থান থেকে তা জানানোর কথা ছিল।

তিনি বলেন, দুই বছর পর দলটির আচরণ দেখে পুনর্মিলনের কোনো সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে তারা হুমকি দিচ্ছে এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Continue Reading

top1

হুতির হামলা: নিরাপত্তা শঙ্কায় প্রাসাদ থেকে প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ সালমান

Published

on

By

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা জোরদার হওয়ার মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কায় একের পর এক প্রাসাদ বদলাতে হচ্ছে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে। কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এই প্রাসাদগুলোয় রয়েছে বাংকার-সুবিধা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

৪১ বছর বয়সী যুবরাজকে সর্বশেষ গত ৬ অক্টোবর জনসমক্ষে দেখা যায়। সেদিন তিনি দেশটির একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্ত দেন। এরপর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুবরাজের নিরাপত্তায় তার পছন্দের একটি বিশেষ দল নিয়োজিত রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

বিন সালমানের এই ‘প্রাসাদ থেকে প্রাসাদে পালানো’র এই খবর এমন এক সময়ে আসছে যখন হুথিরা ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাজধানী রিয়াদে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে বারবার হামলার মুখে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। হুতিদের অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জন আহত হন। আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর।

হামলার বিষয়ে অবহিত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংঘাতগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের মিত্রদের ওপর এটিই ছিল এককভাবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। এতে ২৮ বছর বয়সী এক মিসরীয় বিমানবালা রক্তক্ষরণে মারা যান। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। হতাহতদের মধ্যে আরও কয়েকজনের অঙ্গহানির ঘটনা ঘটেছে।

সপ্তাহান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। গত পাঁচ দিনে বিমানবন্দরটিতে চারবার হামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

এই হামলাগুলো সৌদি আরবের রাজধানী রক্ষার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যখন খবর বেরিয়েছে যে দেশটির ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে আসছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উৎক্ষেপিত ইরানি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে সৌদি আরবও এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মতো বিপুল পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয় করেছে। ফলে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক চাপের মধ্যে আছে।

এদিকে সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান সতর্ক করে বলেছেন, হামলার ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এর জবাবও সমান গুরুতর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের হামলায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন। মক্কা চুক্তির আওতাভুক্ত সৌদি আরবের মিত্ররাও রিয়াদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে ২০১৫ সাল থেকে সংঘাত চলছে। ওই বছর ইয়েমেনের সরকারের পক্ষে দেশটির গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা শেষে হুতি নেতাদের নিয়ে তেহরান থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ সানার বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় সৌদি বাহিনী সেখানে হামলা চালায়। বদলা নিতে হুতিরা আবার হামলা শুরু করে।

ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিরা মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র মিত্র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, আরব উপদ্বীপের পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে তেহরান গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তার মতে, এই সংঘাত শুধু ইসরায়েলি শাসনকেই লাভবান করবে।

রোববার রাতে সৌদি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সংঘাতের বিস্তার নিয়ে কথা বলেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তিনি সামরিক পন্থার ওপর জোর দেওয়া এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সংলাপ শুরু করতে তেহরান সহায়তা করতেও প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

সূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, দ্য নিউ এরাব

Continue Reading

Trending