Connect with us

top1

এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল

Published

on

email sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের গোপন ফাইল। এটিকে বলা হচ্ছে যৌন অপরাধ, ক্ষমতা ও গোপন আন্তর্জাতিক যোগাযোগের এক অন্ধকার অধ্যায়ের নাম। সেই এপস্টেইন ফাইলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর নাম পাওয়া গেছে।

গবেষণা, দাতব্য প্রকল্প, জলবায়ু উদ্বাস্তু, রাজনীতি থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক যোগাযোগ—সব মিলিয়ে জেফরি এপস্টেইনের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের উপস্থিতি ছিল বিস্ময়করভাবে বিস্তৃত।

একটি ই-মেইলের তথ্যানুযায়ী, একটি বৈঠকের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল; কারণ নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তখন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন।

অন্যান্য নথিতে দেখা যায়, এপস্টেইন ‘বিকাশ’ (মোবাইল ব্যাংকিং) নিয়ে একটি নিবন্ধ পড়েছিলেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বহু প্রবন্ধও সংগ্রহ করতেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, একজন নরওয়েজিয়ান কূটনীতিক এপস্টেইনকে নিয়মিত বিভিন্ন প্রবন্ধ পাঠাতেন। সেগুলোর মধ্যে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবরও থাকত।

দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় এপস্টেইনের সম্পত্তিতে বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র, ই-মেইল, ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার করা হয়। এই নথিপত্রগুলোকেই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বলা হয়। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি, ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, যা এপস্টেইনের মানি লন্ডারিং ও যৌন পাচারের সাথে জড়িত তথ্যাদি উপস্থাপন করে।

নথিপত্রে কী আছে? কারাগারে থাকা অবস্থায় এপস্টেইনের মানসিক মূল্যায়ন, তার মৃত্যুর তথ্য ও রহস্য, তার সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত ও দোষ স্বীকার এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টেইনের ই-মেইল যোগাযোগ এই নথিতে স্থান পেয়েছে। এটি প্রমাণ দেয় যে, আইনি ঝামেলার মধ্যেও তিনি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ আহত ৩

Published

on

By

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) রাত নয়টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

আহতরা হলেন- মো শাহীন খান্দকার(৩০), মো জসিম (২৬), মো শাহাদাত হোসেন (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (উত্তরান্চল) সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতাকর্মীরা তাদের বাঁচাতে মানবঢাল তৈরি করেন।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশস্থল ধুলোয় ঢেকে যায়। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করা যায়নি।

একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩

Continue Reading

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণ

Published

on

By

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণএনসিপির সাভার পদযাত্রাপরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত পৌনে ১০টায় সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইন্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য প্রদানকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় সমাবেশ মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত অবস্থায় এ হামলা চালানো হয়।

গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে জুলাই পদযাত্রার প্রথম দিন গাজীপুরের কালীগঞ্জে পদযাত্রায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আক্তার হোসাইন এমপি।

Continue Reading

top1

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার

Published

on

By

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে মো. রুবেল (৩২) নামে এক ভাড়াটিয়াকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালার চার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চার ভাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, নিহত রুবেল এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় পারুল বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ওই বাসায় নিয়মিত মাদকের আসর বসায় বাড়িওয়ালা পারুল তাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “রবিবার সকালে রুবেল বাসা ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে পারুল বেগমের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুবেল ওই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। পারুলের ছেলে জনি বিষয়টি দেখে বাকি তিন ভাইকে খবর দেন।”

পিবিআই জানায়, মায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে চার ভাই মিলে রুবেলের ঘরে ঢোকেন। প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে তারা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রুবেলের হামলায় আহত বাড়িওয়ালা পারুল বেগম বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

Trending