Connect with us

top3

কর্মীসহ ইউনিয়ন জামায়াত নেতা জনতার হাতে আটক

Published

on

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতিসহ নেতাকর্মীদের আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ সময় একজনকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়।

এ সংক্রান্ত দুটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে টাকা দিয়ে ভোট কেনার বিষয়টি অস্বীকার করে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে বলে জানান জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে চর বড়ধুল গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর ঝাঐল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চর বড়ধুল গ্রাম ইউনিটের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দৌঁড়ে পালাচ্ছেন অপর একজন বলছেন ভোট কিনে পালাচ্ছেন কেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান। এরপর তিনি দৌঁড়ে পালিয়ে যান।

আরেকটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলার চৌবাড়ী গ্রামে রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সভাপতি নূরে আলমকে ৭১ হাজার টাকাসহ আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘টাকা দিয়ে ভোট চাচ্ছে, ভিডিও কর।’

এ ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন। পরে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভোট কেনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের আটকে মারধর করার অভিযোগ করে নেতাকর্মীরা। উভয়পক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিতে চিঠি দেওয়া হবে।

এদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নাঈম হোসেন জানান, চর বড়ধুল গ্রামে আমাদের কর্মীর ওপর মিথ্যা অভিযোগ এনে ধাওয়া দেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় তিনি দৌড়ে প্রাণে রক্ষা পান।

অপর ঘটনার ব্যাপারে সেক্রেটারি জানান, প্রতিপক্ষের লোকজনেরা আমাদের এজেন্টদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেছে এবং বলেছে তোরা কেউ কেন্দ্রে যেতে পারবি না। সেখানে যাওয়ার সময় রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ৫/৭ জন নেতাকর্মী চৌবাড়ী গ্রামে পথরোধ করে তাদের ওপর হামলা করে মারধর করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মধু জানান, জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকর্মীকে মারধর কিংবা হয়রানি করা হয়নি। স্থানীয়রা ভোট কেনার সময় একজনের পকেটে হাত দিয়ে টাকা বের করে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি

Published

on

By

রাজধানীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে প্রতিবেদনটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

Continue Reading

top3

কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮

Published

on

By

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত আট শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩৮ জন শ্রমিক এখনো খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া।

সিনহুয়ার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাংঝি শহরের লিউশেনিউ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণটি ঘটে। দুর্ঘটনার সময় খনিটিতে প্রায় ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ৬টা পর্যন্ত প্রায় ২০০ শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে এখনো অভিযান চলছে।

বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।

এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শানসি প্রদেশ চীনের অন্যতম বৃহৎ কয়লা উৎপাদনকারী অঞ্চল। প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষের বসবাসকারী এই প্রদেশে গত বছর প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে, যা দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

তবে দীর্ঘদিন ধরেই শানসির খনি শিল্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলের বিভিন্ন কয়লা খনিতে বহু দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

Continue Reading

top3

ব্যর্থতা ঢাকতে ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে সরকার: সাদিক কায়েম

Published

on

By

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সরকার ও ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে তিনি দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন।

সাদিক কায়েম তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার যখন জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, কূটনৈতিক দুর্বলতা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে, তখন সেই ব্যর্থতা আড়াল করতেই তারা ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে রামদা ও চাপাতি নিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হচ্ছে এবং ভুয়া স্ক্রিনশট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও হত্যাচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে তিনি জানান, একটি ফেসবুক স্ক্রিনশটকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়, যা পরে ফ্যাক্ট চেকিং প্লাটফর্মে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনার বিচার ও নিরাপত্তার আবেদন জানাতে গিয়ে শাহবাগ থানায় গিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উবায়দুর রহমান হাসিবসহ ডাকসু ও হল সংসদের একাধিক নেতা ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়েছেন। হামলায় মুসাদ্দিক, জুবায়ের, আলভি, সাদিক, জুমা ও সালমাসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও তিনি জানান।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়টিও ডাকসু ভিপি তার স্ট্যাটাসে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ১৬ জন ক্যাম্পাস সাংবাদিককে ছাত্রদল হেনস্তা করেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টিকেই তিনি শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার একটি পূর্বপরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

পরিশেষে, সাদিক কায়েম সরকারের মন্ত্রী এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ছাত্রদলের এই বেপরোয়া কর্মকাণ্ড অদূর ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যাকফায়ার করবে এবং বর্তমান প্রজন্ম ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী বা অস্ত্রনির্ভর রাজনীতি মেনে নেবে না

Continue Reading

Trending