Connect with us

top3

সিসিটিভি ফুটেজে কার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল অপ্রতিমকে

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিখোঁজের একদিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামে লালমাই পাহাড়ের নির্জন স্থানে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম এটি অপ্রতিমের লাশ বলে নিশ্চিত করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে তুহিন নামের স্থানীয় এক ছেলেকে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে দেখে। তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। আমরা সেটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। তারা কাজ করছেন।

এ বিষয়ে মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল) বলেন, আমরা নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত লাশ পেয়েছি। ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত, সেই বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি।

প্রসঙ্গত, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

‎‎কোটবাড়ি থেকে কুবি শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলে নিখোঁজ‎

Published

on

By

‎কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অপ্রতিম (১৩) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তাঁর পরিবার।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।

‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। তার লোকেশন ট্র্যাকিং করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

‎নিখোঁজ অপ্রতিম মা ড. নাহিদা বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন।”

‎অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ অপ্রতিমের সন্ধান পেলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে—
শাহরিয়ার (বাবা): ০১৭১৯-৬২৫৬৯০
‎ড. নাহিদা বেগম (মা): ০১৭১৯-৯০০৭৬৯

Continue Reading

top3

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত ‘কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ’ ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ভবনটির উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও ফিতা কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বাংলা প্রবাদ আছে ‘বাতির নিচে অন্ধকার’। তবে এই প্রবাদ এখন বদলে গেছে, বর্তমান বৈদ্যুতিক বাতির নিচে অন্ধকার থাকে না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুলের অবস্থাও তেমনি বদলে গেল। যেকোন বিষয়ের ভিত্তি যদি ভালো না হয় তাহলে পরবর্তী অংশও ভালো হবে না। তাই আমরা শিক্ষার ভিত্তি প্রাথমিক স্তর থেকেই গুরুত্ব দিয়েছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের ভালো স্কুলে শিক্ষার জন্য ক্যাম্পাস ছেড়ে দূরে অবস্থান করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসমূখী করতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের থেকে অনেক বেশি সেবা নিতে পারবে। এই স্কুল গতাণুগতিক স্কুলের চেয়ে অনেক ভালো হবে এবং একটি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমি আশা করছি। তবে শুধু অবকাঠামোগত এবং শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষা দিলেই হবে না, বাসায় শিক্ষাদানে অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

প্রধান অতিথি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদেরই শিক্ষার সুযোগ দিচ্ছি এমন না, এলাকাবাসীও তাদের সন্তানদের ভর্তি করতে পারবেন। সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে এবং সবাই সমান সুযোগ পাবে। অনেক নামী-দামী স্কুলে পড়ানোর ব্যয় অনেক তবে আমরা অভিভাবকদের যেন কষ্ট না হয় সেই দিক বিবেচনায় নিয়ে ব্যয় নির্ধারণ করবো। স্কুল এন্ড কলেজটি সম্পূর্ণ নিরাপত্তা বলয়ে বেষ্টিত। সুতরাং আপনাদের সন্তান এখানে দিয়ে আপনারা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। স্কুল এন্ড কলেজের সকল বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে তবে আপনাদেরও সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে।’

স্কুলের বিদ্যমান অবস্থা উল্লেখ করে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘এই স্কুলে ৫জন শিক্ষক পাঠদান করছেন। তারা অবৈতনিকভাবে পাঠদান করছেন। তাদের যদি আমরা বেতন না দেই তাহলে তাদের কাছ থেকে মানসম্মত শিক্ষা কীভাবে আশা করবো? তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ ও আবেদন করে ইতোমধ্যেই অনুমোদন নিয়েছি। আশা করি দ্রুতই সরকারিকরণ সম্ভব হবে।’

উদ্বোধন শেষে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), বিভিন্ন বিভাগীয় ও দপ্তর প্রধান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উচ্চতর ব্যাংক কর্মকর্তা ও অভিভাবকবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবন উদ্বোধন শেষে স্কুল এন্ড কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।

উল্লেখ্য প্রতি তলায় ১১,৫০০ বর্গফুট আয়তনের পাঁচতলা ভীতের উপর পাঁচতলা বিশিষ্ট নবনির্মিত এই কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবন। ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই ভবনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

Continue Reading

top3

এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেরোবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও অভ্যন্তরীণ সড়কে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি মশকনিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান সোহেল বলেন, “বেরোবি ছাত্রদলকে ধন্যবাদ। এমন একটি উদ্যোগ আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে লাইব্রেরি ও আশপাশের এলাকায় মশার উপদ্রবের কারণে সন্ধ্যার পর স্বাভাবিকভাবে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কার্যক্রম থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশ আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তুহিন রানা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য মশা নিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।”
তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ ও ভয়াবহতার চিত্র আমরা লক্ষ্য করেছি। এ কর্মসূচির পাশাপাশি বেরোবি প্রশাসনের প্রতি আমাদের আবেদন, এডিস মশা নিধনে যেন আরও কার্যকর ও নিয়মিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হল প্রশাসনকেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বেরোবি ছাত্রদল।প্রযুক্তির সাহায্যে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হয়বেরোবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ছাত্রদলের এমন ইতিবাচক কার্যক্রম সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, শুধু একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

Continue Reading

Trending