Connect with us

ক্যাম্পাস

কুবির বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন

Published

on

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসাসামগ্রী সহজলভ্য করার লক্ষ্যে নেওয়া এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি ফয়জুল করিম
মেডিকেল বক্সটি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করেন। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মেডিকেল বক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নাপা, প্যারাসিটামল, ফ্লাজিল, অমিডন, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ। এছাড়া থার্মোমিটার, ব্যান্ডেজ, তুলা, হেক্সিসলসহ প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণও সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বিজয়-২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. সাকিব হোসেন বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে ধন্যবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। ফার্স্ট এইড বক্স শুধু একটি হলে নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও বিভাগে থাকা প্রয়োজন। তাৎক্ষণিক কোনো দুর্ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে এটি খুবই উপকারী হবে, যা এতদিন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন ছিল। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসের নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বক্সে দলের নাম উল্লেখ না করে জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের নামে এটি স্থাপন করেছে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুসরণীয় হতে পারে।”

এ বিষয়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন ইফতি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ ছিলেন আব্দুল কাইয়ুম। তাঁর আত্মত্যাগ ও আদর্শকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিজয়-২৪ হলের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন করেছি।

তিনি আরো বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা হঠাৎ অসুস্থ হলে বা জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহের জন্য অনেক দূরে যেতে হয়। অনেক সময় রাতের বেলায় ফার্মেসি বা মেডিকেল সেন্টার বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সম্পূর্ণ মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে এই মেডিকেল বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জরুরি ওষুধ নিয়মিত সংরক্ষণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত প্রাথমিক সেবা নিতে পারেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে এ ধরনের মেডিকেল বক্স স্থাপন শিক্ষার্থীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ববিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের মধ্যে হাতাহাতি 

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অর্থনীতি বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের মুসা নামের এক শিক্ষার্থী অর্থনীতি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে নবীন বরনের দিন প্রেমের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে ওই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ঐ নারী শিক্ষার্থীকে আটকে রাখা হয় অভিযোগ ওঠেছে। বিষয়টি ১৫তম ব্যাচের অর্থনীতি  বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়রদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে ইংরেজি বিভাগের মুসা নামের ওই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরে তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়, এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

 এবিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের বিভাগের জুনিয়র  এক মেয়েকে র‍্যাগিংয়ের কায়দায় উত্ত্যক্ত করে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ইংরেজি বিভাগের মুসা। মেয়ে রাজি ন হওয়ায় আটকে রাখে মুসা   বিষয়টি জানতে পেরে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীরা আজকে ভিসি গেটের অপজিটে জড়ো হন। একপর্যায়ে ইংরেজি বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী আকস্মিকভাবে হাত চালালে হাতাহাতির সূত্রপাত হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সহকারী প্রক্টররা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। আমিও যাচ্ছি ওখানে।

Continue Reading

top3

ইবি ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’র নেতৃত্বে আব্দুল মাজেদ-সুইটি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবৃত্তি বিষয়ক সংগঠন ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’র ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল মাজেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুইটি পাল মনোনীত হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) আবৃত্তির উপদেষ্টা খান মাজহারুল হক লিপু ও সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফারহানা ইবাদ রিয়া। এছাড়াও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সূচনা ত্রিপুরা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনসানুল ইমাম নূর, অর্থ সম্পাদক তৃপ্তি লতা ঘোষ, সহ-অর্থ সম্পাদক সিরাজাম মুনিরা, দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল আহমেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন কবির, প্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক সাদিয়া তাবাসসুম আনামিকা, সহ-প্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক হেলেনা হাসি, অনুষ্ঠান সম্পাদক মুহিববুল্লাহ নোমান, সহ-অনুষ্ঠান সম্পাদক ইসমাইল রেহান, সাহিত্য সম্পাদক ফারিয়া মৌ, সহ সাহিত্য সম্পাদক বাশিরুল আলম এ নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আহমাদুল আমিন, আপন সাহা অর্ণব ও আফসানা মিমি মনোনীত হয়েছেন।

নবমনোনীত সভাপতি আব্দুল মাজেদ বলেন, “’আবৃত্তি আবৃত্তি’ শুধু শুদ্ধ ভাষা চর্চাই নয় বরং শুদ্ধ মানুষ হওয়ার চর্চা করে৷ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’র যে সুনাম রয়েছে তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে যাক৷ সাহিত্য ও সংস্কৃতির যে অপার সম্ভাবনা ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’তে রয়েছে তা বৃদ্ধি করতে আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো৷”

Continue Reading

top3

ইউজিসির আপত্তির মুখে পদোন্নতি, সেই অভিজ্ঞতায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে আবেদনের অভিযোগ

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তি ও নির্দেশনা অমান্য করে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমান চতুর্থ গ্রেডের পদে পদোন্নতি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এবার নিয়মবহির্ভূত ওই পদে পাওয়া অভিজ্ঞতার সনদ ব্যবহার করে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে আবেদন করার অভিযোগ উঠেছে বেরোবির সংস্থাপন শাখার প্রধান ও অতিরিক্ত রেজিস্টার ড. জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে। তবে ড. জিয়াউল হক জানিয়েছেন, তিনি ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার নয়, ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে আবেদন করেছেন।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ জুন ড. জিয়াউল হক অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমান চতুর্থ গ্রেডের পদে পদোন্নতি পান। এর আগে একই বছরের ৩০ মে ইউজিসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ ধরনের পদে পদোন্নতি না দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এসব পদোন্নতি বাতিল এবং পদোন্নতির ফলে অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়া বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশনাও দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে ইউজিসির অডিট আপত্তির আওতাতেও রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, বেরোবিতে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমান চতুর্থ গ্রেডে মোট ১২ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জনের পদোন্নতি সরকারি নির্দেশনা ও বিধিমালা অনুসরণ করে দেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ রয়েছে। ইউজিসি এসব পদোন্নতির অনুমোদন না দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত বেতন-ভাতা প্রদান না করার নির্দেশনা দিয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক হাসিবুর রশিদের সময়ে ইউজিসির নির্দেশনা ও চিঠি থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি বোর্ড আয়োজন করা হয়। একপর্যায়ে একই দিনে আটজন কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমান চতুর্থ গ্রেডের পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য ২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি ইউজিসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিতে ইউজিসির অডিট বিভাগের একজন সদস্যকে প্রধান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামকে সদস্য এবং ইউজিসির লিগ্যাল শাখার একজন সিনিয়র সহকারী সচিবকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনটি এখনো জমা পড়েনি বলে জানা গেছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে , ড. জিয়াউল হক বেরোবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ফেরদৌস রহমানের কাছ থেকে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয়নপত্র নিয়েছেন। ওই প্রত্যয়নপত্রকে অভিজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে তিনি ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার পদে আবেদন করেছেন।

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—ইউজিসির আপত্তি ও অডিট আপত্তির আওতায় থাকা পদে অর্জিত অভিজ্ঞতা অন্য একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “ইউজিসি যখন পদোন্নতির বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন, তখন ওই পদে অর্জিত অভিজ্ঞতার প্রত্যয়ন নিয়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা কতটা গ্রহণযোগ্য, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা প্রয়োজন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ড. জিয়াউল হক বলেন, “আমি সেখানে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে আবেদন করেছি। এখনো আমি বেরোবির চাকরি ছাড়িনি।”

তবে তার আবেদন করা পদে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে পাওয়া অভিজ্ঞতার প্রত্যয়ন কীভাবে বিবেচিত হবে এবং ইউজিসির তদন্তে তার পদোন্নতির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত আসে তা এখন দেখার বিষয়।

Continue Reading

Trending