Connect with us

সর্বশেষ

কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল পরিষ্কার কাজে মুফতি আমির হামজা

Published

on

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করলেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কাজে যোগ দেন।

আমির হামজা বলেন, ‘কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এখানে যেসব সংকট রয়েছে সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি সমাধান করা হবে। কেবল বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না এই হাসপাতালের যারা ডাক্তার-কর্মকর্তা রয়েছেন তাদেরও মনের দিক দিয়ে পরিষ্কার হতে হবে জনগণকে সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর সময় আমির হামজার সঙ্গে ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়ারদার, শহর জামাতের আমির এনামুল হকসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুফতি আমির হামজা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

ভোলার বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এর আগে গত ২৬ জুলাই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মা মনসা গ্রামের দালাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।

ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের অভিযোগ, স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়ি ফেরার পথে জিহাদ নামে এক কিশোর কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে স্থানীয় একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরা হয়। এরপর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একই সময়ে অভিযুক্তদের একজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার কথা কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে শিশুটি দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখে। পরে অভিযুক্তরা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পুরো ঘটনা জানায়।

এরপর মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইরফান মাহমুদ জানান, বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগীর প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছরপূর্তিতে ইবিতে পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির বৃক্ষরোপণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছরপূর্তি উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত পাবনা জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়কের পাশে কদবেল, আমলকি, পেয়ারা-সহ বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন সংগঠনের সদস্যরা।

কর্মসূচিতে সংগঠনটির সভাপতি শাকিল আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সংগঠনটির সদ্য সাবেক সভাপতি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ এবং শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ। এছাড়া সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছরপূর্তিতে আমরা এমন একটি কর্মসূচি করতে চেয়েছি, যা দীর্ঘদিন মানুষের উপকারে আসবে। সেই ভাবনা থেকেই বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই গাছগুলো শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে না, বরং আগামী প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের আত্মত্যাগ ও ইতিহাসের কথাও মনে করিয়ে দেবে। আমরা আশা করি, আমাদের এই ছোট উদ্যোগ থেকে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হয়ে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসবেন।”

সংগঠনটির সভাপতি শাকিল আহমেদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্মৃতিকে ধারণ করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা চাই, শুধু স্মরণসভা বা আলোচনা নয়, বরং একটি সৃষ্টিশীল ও জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে জুলাইয়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে। একটি গাছ যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ছায়া, অক্সিজেন ও পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত করে, তেমনি আজকের এই বৃক্ষগুলোও আগামী দিনে জুলাইয়ের স্মৃতির সাক্ষী হয়ে থাকবে। পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে আমরা ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।”

অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-শিক্ষক-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে রেজিমের পরিবর্তন ও ফ্যাসিজমের উৎখাত হয়েছে। যাদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের স্মৃতিকে চিরস্থায়ী করে রাখতেই পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। আমরা চাই, এই বৃক্ষগুলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জুলাইয়ের স্মৃতির সাক্ষী হয়ে থাকুক এবং অনাগত প্রজন্মের কাছে আত্মত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরুক।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি, এই বৃক্ষরোপণ একটি সৃজনশীল ও সৃষ্টিশীল উদ্যোগ হিসেবে অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। নতুন প্রজন্ম আমাদের দেখে শিখবে এবং দেশকে গড়ে তোলার কাজে এগিয়ে আসবে। বাংলাদেশে যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদের সূচনা, উত্থান বা জন্ম না হয়—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে নতুন সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে প্রত্যয় রয়েছে, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তা আরও বেগবান হবে।”

Continue Reading

top2

‘জুলাই কার’, এই বিতর্ক করলে জুলাই কারও থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক অর্জন নয় উল্লেখ করে এ নিয়ে বিভাজনমূলক বিতর্ক থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘জুলাই কার’ এই প্রশ্নে বিভক্ত হলে শেষ পর্যন্ত জুলাই কারও থাকবে না; বরং গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সে রকম একটা স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তির পরে আমরা যদি বলি, জুলাই কার, জুলাই কার, তাহলে জুলাই আমাদের কারোরই থাকবে না। এই অবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে।’

তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক বড় পরিবর্তন অল্প সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানও তেমনই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তবে এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের আন্দোলন, গুম, খুন, নির্যাতন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। তাই শুধু জুলাইয়ের ৩৬ দিন নয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকেও মূল্যায়ন করতে হবে।

নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা গুম, হত্যা, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মীর কাসেম আলী একসময় তাকে সতর্ক করেছিলেন যে দেশে না ফিরলে তার ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে তিনি নিজেও গ্রেপ্তার হন এবং তার ছেলেকেও আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বন্ধ থাকায় আন্দোলন রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও পরিবার এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইলিয়াস আলীর মতো অনেকেই গুম হয়ে আর ফিরে আসেননি। এসব আত্মত্যাগের ইতিহাস বাদ দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়।

জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সংস্কার কার্যকর করতে হবে। সংসদে সংশোধনী পাসের মাধ্যমেই সংস্কারের বাস্তবায়ন সম্ভব।

গুম প্রতিরোধে পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বলেন, গুমসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ে আহতদের ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী ক, খ ও গ শ্রেণিতে সহায়তা দেওয়া এবং এখনো তালিকাভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যক্তি যেমন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন, তেমনি কোনো রাজনৈতিক দলও আইনের আওতায় আসতে পারে। তবে নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তিনি। এ বিষয়ে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বলে মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো দিন যেন ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জুলাই জাদুঘরকে তিনি ‘জীবন্ত ইতিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই এখন সবার প্রধান দায়িত্ব।

Continue Reading

Trending