Connect with us

জাতীয়

কুষ্টিয়া সদরের কবুরহাটে মহিলা দলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Published

on

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের অন্তর্গত বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে কবুরহাটের ইসলামিক মডেল ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আব্দুল মাজেদ এর উদ্যোগে, বটতৈল ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড মহিলা দল এই কর্মী সমাবেশের আয়োজন করেন।
কর্মী সমাবেশর উদ্বোধক ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। 
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন মুরাদ, জেলা বিএনপি সদস্য শহিদুজ্জামান খোকন ও আবু তালেব, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুজ্জামান জিকু, বটতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম ও আব্দুল আওয়াল বাদশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা দলের নেত্রী কুমকুম। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা দলের নেত্রী নিলুফা আক্তার টুকটুকি, সদর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রেখা খাতুন, মহিলা দলের নেত্রী রোকসানা পারভীনসহ দলীয় অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। কর্মী সমাবেশ সফল করতে বটতৈল ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড থেকে কয়েক হাজার মহিলা কর্মীরা অংশ নেয়। 
এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশ আজ এক কঠিন সময় অতিক্রম করছে। বিগত ১৬ বছর জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে বন্দি রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীরা যে সাহসিকতার সঙ্গে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মাঠে আছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। 
তিনি আরো বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হতে পারে না। তাই মহিলা দলকে তৃণমূল থেকে আরও সংগঠিত হতে হবে। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ধানের শীষের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। 


এদিকে প্রধান অতিথি কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে মহিলা দলকে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। তিনি আরো বলেন, আপনারাই বিএনপির শক্তি, আজ যেভাবে আপনারা মাঠে এসেছেন, ঠিক এইভাবেই ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিন। আজকের এই কর্মী সমাবেশ প্রমাণ করছে, কুষ্টিয়ার নারীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আপনারা জানেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তাই এখন সময় এসেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে আরও তীব্র করার। 
ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, আমরা চাই একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। জনগণই হবে সেই নির্বাচনের মালিক। মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীরা যদি একযোগে মাঠে থাকে, তাহলে ইনশাআল্লাহ বিএনপি তথা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে। 
তিনি বলেন, আগামী নির্বানে তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। নারী সমাজকে পিছিয়ে রেখে কোনো দেশ এগোতে পারে না। বিগত ১৬ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস সরকার এদেশের নারীদের জন্য কিছুই করেনি। আমরা চাই, প্রতিটি নারী যেন আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান হয়ে গড়ে ওঠেন। 
তিনি আরো বলেন, গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছেন না, কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারীদের জন্য আলাদা ‘নারী উন্নয়ন তহবিল’ গঠন করা হবে, যাতে গ্রামীণ নারীরাও ব্যবসা ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন। আমরা চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ যেখানে নারী-পুরুষ সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা পাবে। বিএনপি সরকার গঠিত হলে নারীদের জন্য বিনামূল্যে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, মাতৃত্বকালীন ভাতা বৃদ্ধি, বয়স্ক, বিধবা ভাতা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে। সকলকে মনে রাখতে হবে, নারীর উন্নয়ন মানে জাতির উন্নয়ন। সে লক্ষ্যে তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, আর বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে জনগণের কল্যানে কাজ করবে। পিছিয়ে পড়া দেশটাকে উন্নত রাষ্ট্রে পৌছে দিবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। 
সমাবেশ শেষে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলের বিজয়ের লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেন উপস্থিত নেত্রীরা।

top1

আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুতি দুই দেশেই

Published

on

By

দিল্লিতে বিমসটেক সম্মেলনের আগে, আগামী সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরের প্রস্তুতি চলছে।

ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে ২২-২৩ অগাস্ট; অর্থাৎ, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের ঠিক এক সপ্তাহ পর।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। কর্মকর্তারাও নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করেছে।

এনডিটিভি লিখেছে, সম্ভাব্য এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা গুরুত্ব পেতে পারে।

সব ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও এ সফর তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, দুই দিনের এই সফরকে দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার।

এছাড়া সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসের আয়োজনে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে গত সপ্তাহে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বক্তব্যে ব্রিকসের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল।

ঢাকার সরকারি সূত্রগুলো বলছে, প্রতিবেশী দেশটিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফরের জন্য নীরবে হলেও নিশ্চিতভাবেই প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।

গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাই কমিশনার (যিনি ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মর্যাদা পান) দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকটি এই সংক্ষিপ্ত সফরের বিষয়ে মত পরিবর্তনে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, জাতিসংঘ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে আগামী ২৭ বা ২৮ অগাস্ট যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সফরে যোগ দেবেন।

মোদী-তারেকের সম্ভাব্য প্রথম বৈঠক

এনডিটিভি লিখেছে, নরেন্দ্র মোদী ও তারেক রহমানের সম্ভাব্য বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর থাকবে দুই দেশেরই।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার ক্ষমতায় আসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতকেও নতুন করে কৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে।

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

তবে গত নির্বাচনের পর থেকে দিল্লি ও ঢাকা দুই তরফেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে বিভিন্নভাবে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও কিছুটা বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এপ্রিলে নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে ১০ অগাস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সেখানেও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা এসেছে; তবে সেজন্য ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা।

আর এর অংশ হিসেবে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখার বিষয়টি আলোচনায় আসছে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ‘বড় ইস্যু’

এনটিভি লিখেছে, ভারত সফরে তারেক রহমানের আলোচনায় শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায় ঢাকা।

ভারত বলে আসছে, বাংলাদেশের অনুরোধ তারা ‘যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায়’ পর্যালোচনা করছে। তবে ভারত তাকে ফেরত দেবে, তেমন সম্ভবনা দেখছেন না অধিকাংশ বিশ্লেষক।

গত ৫ অগাস্ট দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ঢাকা।

দিল্লির সাউথ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সেদিন অডিও কলে যুক্ত হন শেখ হাসিনা। তিনি সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি তোলেন এবং বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছার কথা জানান।

মানবতাবিরোধী অপরাধে দাণ্ডিত শেখ হাসিনা যাতে দিল্লিতে বসে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে না পারেন, সেজন্য আগেই ভারত সরকারের সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানটির আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছিলেন, এটি একটি বেসরকারি সংগঠনের আয়োজন এবং এতে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আর ওই অনুষ্ঠানে যে মতামত প্রকাশ করা হতে পারে, ভারত সরকার তাতেও কোনো সমর্থন দিচ্ছে না।

কিন্তু তারপরও দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন হতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার। ‘দণ্ডিত পলাতক আসামিকে’ বক্তৃতার সুযোগ করে দেওয়াকে সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, “দুঃখজনকভাবে, ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অভিযুক্ত অপরাধী হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশের বারংবার পাঠানো অনুরোধের কোনো জবাব এখনও মেলেনি।

“এর বিপরীতে, যে কোনো অজুহাতেই হোক, তাকে প্রকাশ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া আমাদের জনগণের অনুভূতিতে গভীর আঘাত এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর।”

এরপর ৭ অগাস্ট নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আবারো বলেন, ওই আয়োজনে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না এবং সেখানে যা কিছু বলা হয়েছে, তাও সমর্থন করে না সরকার।

ঢাকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ১০ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয় নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার ত্রিবেদীর।

ওই বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ভারতের কাছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়ার পাশাপাশি তাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখতে বলেছে ঢাকা।

পরদিন দিল্লির ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়ালকে এ বিষয়ে আবারো প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে জানতে চান একজন সাংবাদিক। শেখ হাসিনার মামলার নথি ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছে কিনা, সে প্রশ্নও তিনি করেন।

জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। ভারতের নিজস্ব প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে জানিয়ে দেওয়া হবে।”

‘সংশ্লিষ্ট সূত্রের’ বরাত দিয়ে এনডিটিভি লিখেছে, তারেক রহমান ও ভারতীয় হাই কমিশনারের বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

“তবে দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক যাতে এই একটি প্রশ্নে আটকে না যায়, সে জন্য বিষয়টি কীভাবে আলোচনায় আনা হবে, তাও উভয় সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।”

পানি, বাণিজ্য ও সীমান্ত

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা প্রসঙ্গের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু অমীমাংসিত সমস্যা রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বৈঠকে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও পরিবহন যোগাযোগও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি হলে এসব ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকবে।

পানি বণ্টনও দুই দেশের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। ১৯৯৬ সালে সই হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আসছে ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই চুক্তি নবায়নের আলোচনা বৈঠকে গুরুত্ব পাবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক ভারতের জন্যও জরুরি। দুই দেশের অভিন্ন সীমান্তের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে এর যোগাযোগও নয়াদিল্লির কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

দুই দেশের সাম্প্রতিক তৎপরতায় সম্পর্কের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বেশ ভালোভাবেই। সেই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, ভারতের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় আছেন।

“আমাদের ইস্যু হবে, বাংলাদেশের ইস্যু হবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই যে—ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে উইন-উইন সিচুয়েশন। এটা আমাদের ঐতিহাসিকভাবে আছে, এটা তো আপনি বদলাতে পারবেন না। প্রতিবেশী তো বদলাতে পারবেন না, ইতিহাস বদলাতে পারবেন না।”

আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমি সবসময় বলি, আমরা শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করি না, আমরা স্বপ্নও ভাগাভাগি করি। আমরা তো স্বপ্ন ভাগাভাগি করি, তাই তো?

“আমার মনে হচ্ছে, আগামী দিন খুবই ভালো হবে। ইস্যুজটা শর্ট-আউট করতেই হবে, দুদিক থেকে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী।”

এনটিভি লিখেছে, এই সফরেই দুই দেশের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা নেই। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো, পানি বণ্টন, বাণিজ্য এবং সীমান্তসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আরও আলোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন হবে।

“তবে তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক ভারতের নেতৃত্বকে বাংলাদেশের অবস্থান জানার একটি রাজনৈতিক সুযোগ করে দিতে পারে। একইভাবে নতুন বাংলাদেশ সরকারের কাছে নিজেদের প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাবেন নরেন্দ্র মোদী।”

ভারতের সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, “সফরের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী সপ্তাহে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফর হলে সেটি বাংলাদেশ-ভারতের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

“দুই দেশের জন্য এখন মূল লক্ষ্য হতে পারে আবার সরাসরি আলোচনা শুরু করা এবং কঠিন প্রশ্নগুলোকে সামগ্রিক সম্পর্ক ছাপিয়ে যেতে না দেওয়া।

Continue Reading

top1

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভে সিএনজি চালকরা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

চট্টগ্রাম নগরে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে শুক্রবার ভোর থেকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকশ চালক।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোর থেকে নগরের ষোলশহর এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেইট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

চালকদের অভিযোগ, নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক চালক গ্যাস পাচ্ছেন না। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও স্টেশন কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছে না।

শুক্রবার সকালে ষোলশহরের ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাসের জন্য কয়েকশ সিএনজি অটোরিকশা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও গ্যাস না পেয়ে ক্ষুব্ধ চালকরা একপর্যায়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন।

শাহিদুল নামে এক চালক বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি চালাতে পারছি না। কখন গ্যাস পাব, সেটাও কেউ বলতে পারছে না। এভাবে দিনের পর দিন বসে থাকলে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব?’

আরেক চালক বলেন, দুই দিন ধরে গাড়ি চালাতে পারেননি। এতে কোনো আয় নেই, অথচ গাড়ির জমা ও সংসারের খরচ ঠিকই দিতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

সরকার হোসেন নামে এক চালক বলেন, চট্টগ্রাম শহরের প্রায় সব ফিলিং স্টেশনেই একই পরিস্থিতি। কোথাও গ্যাস নেই, আবার কোথাও গ্যাসের জন্য দীর্ঘ লাইন। সংকটের সমাধান না হলে রাস্তায় নামা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।

ষোলশহরের ফসিল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা জানান, গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদেরও কিছু করার নেই।

চালকরা জানান, গ্যাস সংকটে শুধু তাদের আয়-রোজগারই বন্ধ হয়নি, ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও। নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সিএনজি অটোরিকশার সংখ্যা কমে গেছে। ফলে যাত্রীদেরও বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে সকাল থেকেই মুরাদপুর, ষোলশহর ও দুই নম্বর গেইট এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে চালকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করছে। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত সড়ক ছাড়তে রাজি নন বিক্ষুব্ধ চালকরা।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহেদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম রয়েছে। চালকদের সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Continue Reading

top1

ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে আসছে সমন্বিত নীতিমালা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় চলাচলকারী তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

একই সঙ্গে এসব যানবাহনের লাইসেন্সিং ও নিবন্ধনের জন্য সমন্বিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ এবং বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভায় নগর ব্যবস্থাপনা, যান চলাচলে শৃঙ্খলা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বিদ্যমান বাস্তবতার আলোকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এটি বাস্তবায়ন করা গেলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হলে একদিকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে, অন্যদিকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।

এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এজন্য প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করতে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা ও তফসিল ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে।

এর আগে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করে। পরে ১৭ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending