ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের আগমন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার মোড়ক উন্মোচন, জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি, আহত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা, স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম, শহীদের কবর জিয়ারত সহ বিভিন্ন ইস্যুতে পার করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
পাঠকদের সুবিধার্থে আজকে (২ জুলাই) দিনব্যাপ ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ নিচে ধারাবাহিক দেয়া হলো।
মহাপরিচালকের আগমন:
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে ফুল দিয়ে বরণ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ও আইন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুস ছালাম খানের আগমনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৫ আয়োজন করা হয়েছে। এসময় ইবিতে দেশের প্রথম ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় শাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি শাখা ছাত্রদল শিবির ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এসময় সংবর্ধিত অতিথি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আবদুস ছালাম বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভার্নিং বডির সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে দেশের প্রথম ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্নার’ হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইসলামকে সমুন্নত রাখতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা চাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। যেহেতু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইসলাম নিয়ে কাজ কারার মতো অনেক ক্ষেত্র রয়েছেন। মানব উন্নয়নে কিছু ভালো দক্ষ শিক্ষার্থী আমরা গড়ে তুলতে চাই।’
শহীদ সাব্বিরের কবর জিয়ারত:
শহীদ সাব্বিরের কবর জিয়ারত ইবি শাখা সমন্বয়কদের
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন সাব্বির হোসেন। ১৮ জুলাই ঢাকার উত্তরায় আজমপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন তিনি। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার চড়িয়ারবিল এলাকায়। তার পিতার নাম আমোদ আলী, মা রাশিদা খাতুন।সকাল সাড়ে ৯টায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাব্বির হোসেনের কবর জিয়ারত করেন। এসময় তারা শহীদের মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন ও পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। শহীদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ-সমন্বয়ক ইয়াশিরুল কবির সৌরভ, তানভির মাহমুদ মন্ডল ও গোলাম রাব্বানীসহ অন্য নেতাকর্মীরা।
ক্যালেন্ডার মোড়ক উন্মোচন:
উন্মোচন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
২০২৫-২০২৬ খ্রিস্টাব্দের একাডেমিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মোড়ক উন্মোচন করেন।
অভিযুক্ত সেই শিক্ষকের শাস্তির দাবি:
ভুক্তভোগীদের স্মারকলিপি প্রদান
যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ উঠা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আজিজুল ইসলামের শাস্তি নিশ্চিত করতে স্মারকলিপি দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।বিভাগে অভিযোগের পর এবার উপাচার্য বরাবর প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরিত অভিযোগ প্রদান করে তারা। উপাচার্যের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি জমা দেন এবং অনতিবিলম্বে তাকে যথাযথ শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান। এর আগে গত (২২ জুন) বিভাগের প্রায় ২৪ জন শিক্ষার্থী ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষককে বিভাগের সব কার্যক্রম থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. একে এম নাজমুল হুদা।
জুলাই বিপ্লবে আহতদের বিশেষ অনুদান:
উপাচার্যের নিজস্ব ফান্ড থেকে জুলাই বিপ্লবে আহত মোট ১১ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।বিকাল ৪ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে আহতর বিচারের বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ হাজার ও ৬ হাজার করে মোট অর্ধ লক্ষ টাকা দেয়া হয়।এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লবে যারা আহত হয়েছে সকলের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা এবং যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’সহ সারাদেশে যারা জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের এই আত্মাত্যাগ প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে বিন্দুমাত্র পিছ পা হবো না, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমি এই গ্যারেন্টি দিচ্ছি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যে অনুদান দিয়েছি তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত কম। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্য এবং যারা জুলাই বিপ্লবের অংশগ্রহণ করেছে আগামী দিনের তাদের জন্যও সুবিধার জন্য খেয়াল রাখবো এবং তারা সবসময় আমাদের বিবেচনায় থাকবে। জুলাই আগস্ট যেনো আমাদের আদর্শ হয়। পরিবর্তিত বাংলাদেশে জুলাই আগস্টের ত্যাগ ও আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করি।
স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ:
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তি যুক্ত স্মার্ট আইডি কার্ড উদ্বোধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ৫০ জন শিক্ষার্থীদের এই স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদান করা হয়। তবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি:
শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে শপথ নিচ্ছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার উদ্যোগে জুলাই বিপ্লবে শহীদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দোয়া মাহফিল ও মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।বিকাল ৫ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। মাসব্যাপী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রায় দুই হাজার গাছ রোপণ করবেন বলে জানা যায়।
সহায়তার পরিবর্তে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনাথ শিশুদের স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘আলোর ক্যানভাস’। কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং ভবিষ্যতে আয়মুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
‘আলোর ক্যানভাস’ প্লাটফর্মটি নিয়ে কাজ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউছার, সামিউল ইসলাম সজীব, নুসরাত তাহসিন, সামিয়া খান ও আরমান আরিফ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একই বিভাগের হোসাইন ঠাকুর।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সাময়িক সহানুভূতির পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে পেশাদার শিল্পীদের মাধ্যমে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শিশুদের আঁকা ছবিগুলো পরিমার্জন করে প্রদর্শনী ও বাজারজাতের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফ্রেম, ওয়াল আর্ট এবং বিভিন্ন ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই শিশুদের সৃজনশীলতা প্রশিক্ষকদের মুগ্ধ করেছে। রঙ ও তুলির আঁচড়ে তারা প্রকৃতি, স্বপ্ন, পরিবার এবং নিজেদের অনুভূতি ফুটিয়ে তুলছে। অনেকের ছবিতে উঠে এসেছে পাহাড়, নদী, পাখি, গ্রামবাংলা ও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।
সংগঠনের সদস্যরা জানান, আর্থিক সংকট বা পারিবারিক অভাব কোনো শিশুর প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়। সঠিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংগঠনটির কো-ফাউন্ডার ফরহাদ কাউছার বলেন, “তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই আমরা ‘আলোর ক্যানভাস’ নামে একটি তরুণনির্ভর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছি। আমাদের প্রথম উদ্যোগ শুরু হয়েছে কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে। সুযোগের অভাবে তাদের অনেক সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায় না। আমরা তাদের সেই প্রতিভাকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকশিত করে স্বনির্ভর করে তুলতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে তারা নিজেদের দক্ষতাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে শিশুদের আর্ট ও পেইন্টিং শেখানো হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের আঁকা ছবিগুলো ফ্রেম, ওয়াল আর্ট ও অন্যান্য ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে বাজারজাত করা হবে। এসব থেকে অর্জিত সম্পূর্ণ মুনাফা শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করছি। আমাদের প্রত্যাশা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এই শিশুরা একদিন একটি সুন্দর ও স্বনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।”
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক নারী শিক্ষার্থীর ভাড়া বাসায় দরজার তালা ভেঙে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৩০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার মফিজউদ্দিন রোডের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি টিউশনে ছিলেন। তার মা মাগরিব নামাজের আগে বাসা থেকে বের হন। পাশের বাসার এক বাসিন্দা এসে তাদের বাসার দরজার তালা ভাঙা এবং ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। একই সঙ্গে পাশের বাসার দরজাও বাইরে থেকে আটকানো ছিল। পরে তিনি ফোনে বিষয়টি জানালে তারা বাসায় ফিরে চুরির ঘটনা নিশ্চিত হন।
ভুক্তভোগী ফার্মেসী বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাসায় এসে দেখি আলমারির তালা ভাঙা। সেখান থেকে প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। বাবা-মা কেউ বাসায় ছিলেন না। আমার অনেক কষ্টের টাকায় কেনা স্বর্ণও ছিল, কিছুই রেখে যায়নি।”
সুমাইয়া আরও জানান, ঘরে থাকা মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস অক্ষত ছিল। দুর্বৃত্তরা শুধু স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে।
জানা গেছে, বাসাটিতে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। নিজেদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেননি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার। তবে শিগগিরই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক খন্দকার নাজমুল হাসান। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।
একই সঙ্গে শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে আদেশটি জারি করেন উপ-রেজিস্ট্রার নার্সির উদ্দীন।
অফিস আদেশে বলা হয়, অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে খন্দকার নাজমুল হাসানকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।