Connect with us

top1

ব্যক্তিগত বিচারের ভিত্তিতে’ গুম করতেন সিটিটিসির আহমেদুল : গুম কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন

Published

on

আওয়ামী আমলে গুমে জড়িত কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) অতিরিক্ত উপকমিশনার আহমেদুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে বহু নিরীহ ব্যক্তিকে গুম করার প্রমাণ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষকে আটক করে ভয়াবহ নিপীড়ন করতেন তিনি।

গুম সংক্রান্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনেও কুখ্যাত এই আহমেদুল ইসলামের নাম উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারিক মানদণ্ড পূরণ না হলেও তিনি নিজের ইচ্ছা ও ব্যক্তিগত মূল্যায়নের ভিত্তিতে বহু মানুষকে গুম করিয়েছেন এমন প্রমাণ কমিশনের কাছে রয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিটিটিসির এডিসি আহমেদুল ইসলাম একাধিক গুমের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের একজন সদস্যকে আহমেদুল বলেছিলেন যে, তার মূল্যায়নে তিনি যাদের আটক করেছিলেন তারা সবাই সন্ত্রাসী। তিনি মতাদর্শগত অপরাধের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অবৈধ আটককে ব্যতিক্রম নয়, বরং নিয়মিত চর্চা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আহমেদুলের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের আটক প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হতো। আর যেহেতু আইনে এমন আটক করার বিষয় অনুমোদন করত না, তাই অবৈধ ব্যবস্থাকেই কার্যকর পথ হিসেবে নেওয়া হতো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক গুমের পর আনা অনেক মামলা কেন এন্টি-টেররিজম ট্রাইব্যুনালে ব্যর্থ হয়েছে- এ প্রশ্নের জবাবে আহমেদুল ইসলাম কমিশনকে বলেন, বিচারিক মানদণ্ডে টেকসই প্রমাণ সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তার দাবি, এই কঠিনতা প্রাথমিক আটকের যৌক্তিকতাকে খাটো করে না; বরং এ ধরনের অপরাধ প্রমাণের ব্যবহারিক সীমাবদ্ধতাকেই তুলে ধরে।

গ্রহণযোগ্য প্রমাণ ছাড়া কীভাবে কাউকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, তার ব্যক্তিগত বিচারের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো মেনে নেওয়া উচিত।

কমিশনের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, জোরপূর্বক গুমকে জাতীয় নিরাপত্তা বা সন্ত্রাসবিরোধী স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হিসেবে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ন্যায্যতা দেওয়ার প্রবণতা ছিল। কমিশনের সামনে প্রায়ই এমন যুক্তি তোলা হয়েছে–সন্ত্রাসবিরোধে বাস্তবে কাজ করার অন্য কোনো উপায় নেই, তাই যা করা হয়েছে তা জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তবে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা বা সন্ত্রাসবিরোধের অজুহাতে জোরপূর্বক গুমকে ন্যায্যতা দেওয়ার কোনো আইনি ভিত্তি তারা খুঁজে পায়নি। আন্তর্জাতিক আইন জরুরি অবস্থাতেও জোরপূর্বক গুমের বৈধতা দেয় না। প্রাপ্ত প্রমাণে দেখা যায়, জোরপূর্বক গুম কোনো সীমিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না; বরং রাজনৈতিক বিরোধী, সমালোচক এবং বিরোধী হিসেবে চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি বিস্তৃত দমনমূলক হাতিয়ার ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, লক্ষ্যবস্তুর ধরন, অভিযানের ব্যাপ্তি এবং নিয়মিত চর্চা- সবই ‘প্রয়োজনীয়তা’র যুক্তিকে দুর্বল করে দেয় এবং দমন-পীড়নের কৌশলগত ব্যবহারের দিকেই ইঙ্গিত করে।

কমিশন বলেছে, জোরপূর্বক গুম জাতীয় নিরাপত্তা বা সন্ত্রাসবিরোধে প্রয়োজনীয় ছিল -এ ধরনের দাবি সাধারণত আইনগত নয়, বরং ব্যবহারিক যুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইন বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাই অবৈধ পথই ছিল কার্যকর। কমিশন এই যুক্তি বিশ্লেষণ করে দেখতে পেয়েছে, বাস্তবে জোরপূর্বক গুম জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করার বদলে দুর্বল করেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এই অবস্থানের পক্ষে কোনো আইনি বা নৈতিক ভিত্তি নেই। ব্যক্তিগত আশ্বাস বা আত্মমূল্যায়ন কখনোই বিচারিক প্রমাণের বিকল্প হতে পারে না। প্রমাণের জায়গায় ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিলে সন্দেহ ও অপরাধের মধ্যকার পার্থক্য ভেঙে পড়ে এবং ভুল, অপব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতা থেকে সুরক্ষা নষ্ট হয়ে যায়।

বাস্তবে এর ফল দাঁড়িয়েছে এই যে, হাজার হাজার মানুষকে দমনমূলক আইন, বিশেষ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় দুর্বল, বানোয়াট বা আলাদা করা যায় না – এমন প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কেউ কেউ মোটেও সন্ত্রাসী ছিলেন না, তবুও সন্ত্রাসবিরোধী মামলার জালে পড়েছেন।

কারো মধ্যে অপরাধমূলক আচরণ থাকতে পারে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে এমন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে যা তারা করেননি। আবার কারও বিরুদ্ধে অপরাধের সন্দেহ সঠিক হলেও, তাদের জোরপূর্বক গুমের শিকার করা হয়েছে—তাদের অন্য কোনো অপরাধ থাকুক বা না থাকুক।

আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রকৃত ও মিথ্যা- দুই ধরনের মামলাই তৈরি করায় অভিযোগপত্র, প্রমাণের ধরন ও বর্ণনার মধ্যে পার্থক্য করা প্রায়ই কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সারা দেশের আদালত এখন হাজার হাজার এমন মামলার মুখোমুখি। যেখানে বিদ্যমান উপাদানের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা দুষ্কর—কে প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকি, আর কে নয়।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আহমেদুল ইসলাম ও তার টিম অন্তত ২০ জনের বেশি মানুষকে গুম করেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—বাকি বিল্লাহ, ফয়সাল ইবনে মোস্তফা, সাব্বির আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, সাইয়েদ তাইমিয়া ইব্রাহিম, ইহছানূর রহমান, সাজ্জাদুর রহমান শাওন, সাজিদুল ইসলাম, ইফাজ আহমেদ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, কারী দেলোয়ার হোসেন, ডা. জাকির হোসেন, ডা. মির্জা কাউসার, কাউসার সাদি, মীর সজীব, ওমর ফারুক, হানিফ বিন সোহরাব, এবি এম মহসিন, জুলফিকার, মামুন এবং আবু সাইদ। পরবর্তীতে এসব ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

সুত্র: আবু সুফিয়ান, আমার দেশ

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে রিট কার্যতালিকায়

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় রিটটি ৬০ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির নেতা-কর্মীদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও অনলাইন প্রচারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলনসহ দলটির সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আল আমিন নামে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটে ২০২৫ সালের ১২ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপস্থিত থাকলে শেখ ফজলুল করিম সেলিম দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, শেখ সেলিম বর্তমানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার অনুপস্থিতিতে তিনিই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। শেখ রেহানা সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্য ওয়ালের নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরিকল্পনা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন।

তিনি আগামী ডিসেম্বর দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই হত্যার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী শক্তির উত্থান হচ্ছে বলে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না এবং এর প্রভাব ভারতের নিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে। দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের অবস্থান এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। দেশের মানুষ কষ্টে আছে উল্লেখ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশে ফিরতে চান বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তিনি নিজে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেননি। হেলিকপ্টারে সীমান্ত পার হওয়ার পর জানতে পারেন যে তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন বলে জানান।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন।

ডিসেম্বরের আগেই দেশে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও কেন ফিরবেন না—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর মাসটি তিনি ইচ্ছা করেই বেছে নিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের বিজয়ের মাস হওয়ায় ওই সময়েই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

Continue Reading

top1

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ নির্দিষ্ট করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন হওয়ার পর বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে। তখন বিদ্যমান বদলি নীতিমালা বহাল থাকবে, নাকি নতুন নীতিমালা করা হবে—সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের গত ২ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর শূন্য পদে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের যোগদান শুরু হবে আগামী ১ অক্টোবর। নির্বাচিত প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে।

এরপর ৪ অক্টোবর তাদের পদায়ন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। নতুন শিক্ষকদের পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না।

পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে বদলি কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending