Connect with us

top1

পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ থেকে ৫ শতাধিক পরিবহন শ্রমিকের বিএনপিতে যোগদান

Published

on


পঞ্চগড়-১ আসন থেকে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। এসময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের শ্রমিক ও মালিকদের নিয়ে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন শ্রমিকেরা।

অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির বলেন, এই নির্বাচনকে ছোট করে দেখার কিছু নেই। তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করতে পারলে, বাংলাদেশের ইতিহাস লিখিত হবে। একটা আসনের নির্বাচন মনে করার কোন কারণ নেই। আমাদের সবাইকে হাত মিলাতে হবে। আজকে আমরা এই পঞ্চগড়ে যা করবো, এটা প্রভাব সারা বাংলাদেশে পড়বে। এবং বিশ্ব এমন একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, বাংলাদেশে যা ঘটবে এটার প্রভাব আশেপাশের দেশেও একটা পড়বে।

এ সময় ধানের শীষের প্রার্থী নওশাদ জমির বলেন, বাংলাদেশে যা ঘটবে এটার প্রভাব সারা বিশ্বে পড়বে। এই একটা ভোট দিয়ে আমরা আগামীর বিশ্বে, আগামীর বাংলাদেশে আমাদের পরিবর্তনকে, ইতিহাসকে আমরা একটা দিকে ধাবিত করতে পারব। একটা দিকে প্রবাহিত করতে পারব।

একই সাথে তিনি ধানের শীষে ভোট চেয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সবাইকে এক থাকার আহ্বান জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পেছনের ইতিহাস নিয়ে আর কামড়াকামড়ি করবো না: জামায়াত আমির

Published

on

By

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পেছনের ইতিহাস নিয়ে আর কামড়াকামড়ির রাজনীতি করা হবে না। তিনি বলেন, ‘কে তুলসীপাতায় ধোয়া, কে দুধে ধোয়া—টান দিলে সবার গা থেকেই দুর্গন্ধ বের হবে। এখন আমরা সবাই একই বাগানের ভিন্ন ভিন্ন ফুল।’

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নাটোরের নবাব সিরাজ–উদ্‌–দৌলা সরকারি কলেজ মাঠে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যর জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই মিলেই আমরা একটি ফুলের বাগান। একসঙ্গে চলব, নিরাপদে থাকব। যার যেটা অধিকার, সে সেটা পাবে। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার দেশের প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আল্লাহ যদি আমাদের সাহায্য করেন, তাহলে সেই টাকা উদ্ধার করে রাজকোষে জমা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব কাজ করবে না। ‘কোনো মামু-খালা দেখা হবে না। লাল–নীল টেলিফোন বুঝি না। প্রেসিডেন্ট–প্রধানমন্ত্রীও বুঝি না। যার যেটা পাওনা, তাকে সেটা ইনসাফের ভিত্তিতে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। বাংলাদেশ ভালো না থাকলে কেউ ভালো থাকতে পারব না। ৫৪ বছরে এক এক করে তিনটি দল দেশ শাসন করেছে। তারা কী শাসন উপহার দিয়েছে, তা বিচার করলেই তাদের আর ভোট দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।’

তিনি দাবি করেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম ইতিমধ্যে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণরা বলে দিয়েছে—তারা ন্যায় ও সত্যের পক্ষে লড়াই করেছে, কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের সঙ্গী হতে নয়।’

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মদিনার আদলে শান্তি ও সাম্যের সমাজ উপহার দিতে চাই। যেখানে নারীদের দিকে কেউ বাঁকা চোখে তাকানোর সাহস করবে না। আমার মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়েরা নিরাপদে ঘরে ও বাইরে চলাফেরা করবেন, কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করার প্রয়োজন হবে না।’

জনসভা শেষে শফিকুর রহমান নাটোরের চারটি সংসদীয় আসনে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন

Continue Reading

top1

‘জাতীয় সরকার’ গঠনে আমরা ইতিবাচক, দ্য উইককে ডা. শফিকুর

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত একটি প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল, যা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের নীতিমালা ধারাবাহিকভাবে পরিমার্জন করে আসছে। তিনি বলেন, জামায়াত সবসময়ই গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। সাক্ষাৎকারে তিনি জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের বিষয়ে জামায়াত ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে *দ্য উইক*-এর দিল্লি ব্যুরোপ্রধান নম্রতা বিজি আহুজার প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রথাগত নির্বাচনি রাজনীতির বাইরে থাকলেও জামায়াত কখনোই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্রতীকে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে জামায়াত শিখেছে—গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য কতটা জরুরি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই সময় জামায়াতকে আরও শক্তিশালী করেছে। সংগঠনের কাঠামো মজবুত করা হয়েছে, শৃঙ্খলা আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ গভীর হয়েছে। একইসঙ্গে সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে কার্যত নিষিদ্ধ অবস্থার মধ্যেও জামায়াত সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। বর্তমানে দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দুর্নীতি ও অপশাসনের বিকল্প হিসেবে জামায়াতের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতপন্থি ছাত্র সংগঠনের সাফল্য এ আগ্রহের প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এখন কেবল একটি আদর্শিক দল নয়; বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দেশ গঠনের অংশীদার করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দলটি নির্দিষ্ট কোনো আদর্শের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। জামায়াত বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন করেছে দলটি। তবে বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে তারা ইতিবাচক।

তিনি জানান, জোটবদ্ধ রাজনীতির ক্ষেত্রে জামায়াতের তিনটি মূলনীতি রয়েছে—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতি।

নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মানবিক মর্যাদায় বিশ্বাসী। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থীকে মনোনয়নের কথা উল্লেখ করেন। তবে আসন বণ্টন ও জোটগত সমীকরণের কারণে এবার নারী প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি। জোটের নারী প্রার্থীদের জামায়াত পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের নারী জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার নজিরও তুলে ধরেন।

অতীতের বিতর্ক প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জামায়াতের কোনো সদস্যের কারণে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

Continue Reading

top1

ভোটের পর সর্বোচ্চ তিন দিনে ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

Published

on

By

ভোটের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে। 

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হওয়ার পর ঢাকার ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে বৃহস্পতিবার বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রেস সচিব।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।”

একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

ডেপুটি প্রেস সচিব আরও বলেন, “সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।”

১৮০ কার্যদিবস নিয়ে চলমান আলোচনার ব্যাখ্যা দিয়ে ডেপুটি প্রেস সচিব জানান, এই সময়সীমাটি মূলত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘গণপরিষদ’ সদস্য হিসেবে সংস্কারসংক্রান্ত কাজগুলো করবেন।

বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ ও সংশ্লিষ্ট সংস্কারের ধারা-উপধারার আইনি ভাষা নির্ধারণের জন্য এই সময়টি প্রয়োজন হতে পারে; এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলেও জানান তিনি।

Continue Reading

Trending